দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ট্রেনের সব কোচই হবে এসি! সেমি হাইস্পিড ট্রেনেও আর থাকছে না নন এসি স্লিপার কোচ  

ট্রেনের সব কোচই হবে এসি! সেমি হাইস্পিড ট্রেনেও আর থাকছে না নন এসি স্লিপার কোচ  
আগামিদিনে হাইস্পিড সেমি হাইস্পিড ট্রেনে স্লিপার কোচটাই আর থাকবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতীয় রেল বেসরকারি ট্রেন চালাতে প্রস্তুত। যে সমস্ত ট্রেন বেসরকারি সেক্টরের মাধ্যমে চলবে তাদের হাতে এই সব ট্রেন তুলে দেওয়া হতে পারে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: আয় কমছে, ব্যয় বাড়ছে। যদিও দ্রুত গতির ট্রেন বেলাইন হওয়া আটকাতে বড়সড় সংষ্কারের পথে হাঁটছে ভারতীয় রেল। রেল সূত্রে খবর, সেমি হাইস্পিড ট্রেনে থাকবে শুধুই এসি কোচ। আর রাখা হবে না কোনও দ্বিতীয় শ্রেণীর  নন এসি স্লিপার কোচ। নয়া এসি কোচ বানানোর কাজ শুরু হয়েছে কপূরথালা রেল ফ্যাক্টরিতে। ২০২৩  সালের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি বলবৎ হয়ে যাবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতীয় রেল বেসরকারি ট্রেন চালাতে প্রস্তুত। যে সমস্ত ট্রেন বেসরকারি সেক্টরের মাধ্যমে চলবে তাদের হাতে এই সব ট্রেন তুলে দেওয়া হতে পারে। তাই স্লিপার নন এসি কোচ তুলে দিয়ে এসি কোচ আনানো হচ্ছে।

অন্যদিকে গোটা দেশ জুড়ে ১৯৬ জোড়া যে ফেস্টিভ্যাল স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে, সেখানেও জোনাল রেলওয়েকে বলা হয়েছে বেশি মাত্রায় এসি থ্রি টিয়ার কোচ রাখতে। নন এসি স্লিপার কোচের তুলনায়, ভাড়া বেশি এসি কোচের। রেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন এসি থ্রি টিয়ার কোচে আসন সংখ্যা বাড়ানো হবে। ৭২ আসনের বদলে থাকবে ৮৩ আসন। ফলে যাত্রী সংখ্যা বাড়বে। বেশি যাত্রী মানে, বেশি সংখ্যার টিকিট। রেলের হিসেব অনুযায়ী প্রতি ট্রেনে ২০০ করে অন্তত যাত্রী বাড়বে। সেই অনুযায়ী টিকিটের দাম ধার্য হয়ে যাবে।

তবে রেলে আধিকারিকদের মতে, এসি কোচে ভাড়া বেশি হবে, নন এসি স্লিপার কোচের তুলনায়। কিন্তু বর্তমান এসি কোচের তুলনায় একটু কম হবে। ফলে মানিয়ে নিতে খুব অসুবিধা হবে না যাত্রীদের। ইতিমধ্যেই এই এসি কোচ তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে পাঞ্জাবের কপূরথালা রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে। আপাতত লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে ১০০ কোচ বানানোর। অন্যদিকে রেলের নয়া ব্যবস্থায় বদল আসছে ট্রেন পিছু কোচের সংখ্যায়। দ্রুত গতির ট্রেনে এতদিন ব্যবহার করা হত জেনারেটর কার।

এখন রেল হেড অন জেনারেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ফলে ওভারহেড থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ নিয়ে প্রতি কোচে ইঞ্জিন সরবরাহ করছে। রেলওয়ে বোর্ডের প্রাক্তন অধিকর্তা সুভাষ রঞ্জন ঠাকুর জানিয়েছেন, "এটাকে অনেক সময় বলা হয় হোটেল লোড প্রসেস৷ হোটেলে যেমন এক জায়গা থেকে সবকিছু সরবরাহ হয়, এটিও অনেকটা সেরকম। হেড অন জেনারেশন পদ্ধতি মানে আর জেনারেটর কার লাগবে না। ফলে একটা কোচ বাড়বে৷ তার মানে এক ধাক্কায় ৮৩ আসন বাড়ছে। এতে রেলের টিকিট বিক্রি করে লাভ হবে।" বর্তমানে যে ইঞ্জিন ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে এই হেড অন জেনারেশন পদ্ধতি ব্যবহার সহজ।

প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে হাওড়া, শিয়ালদহ থেকে দিল্লি ও দিল্লি-মুম্বাই এই রুটেই কোচে বদল আনা হবে। রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের বক্তব্য, এই পথে বছরের একটা বড় সময়ে ১৩০ কিমি/ঘন্টায় ট্রেন দৌড়লে সাধারণ নন এসি স্লিপার কোচে ধুলো-বালি ঢুকে পড়ে। এসি কোচ হলে সেটা আর ঢোকার সুযোগ নেই। ২০২৩ সালের মধ্যে প্রায় ১৯০০ মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনের গতি ১৩০কিমি/ঘন্টা করতে চায় রেল।আর এই গতি করতে গেলে স্লিপার কোচে তা আর সম্ভব হবে না। তবে অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের আদৌ এতে কোনও উপকার হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

Published by: Arka Deb
First published: October 15, 2020, 11:17 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर