• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • INDIAN PRIME MINISTER NARENDRA MODI GETS CANDID IN AN EMAIL INTERVIEW WITH XPRESS

প্রত্যেকটি দিন প্রাণ ভরে বেঁচে থাকাই আসল বেঁচে থাকা: নরেন্দ্র মোদি

Image PTI

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি-১৩ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ওয়ার্ল্ড গর্ভমেন্ট সামিট ৷

  • Share this:

     #নয়াদিল্লি: আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি-১৩ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ওয়ার্ল্ড গর্ভমেন্ট সামিট ৷ আর সেই সম্মলনেই অংশ নিতে দুবাই সফরে যাচ্ছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ সফরের আগে, এক্সপ্রেস সংবাদ মাধ্যমের বিশেষ ইমেল সাক্ষাৎকারে এই সফর, ভারতের ভবিষ্যত পরিকল্পনা, নিজের ভালো লাগা, মন্দলাগা নিয়ে খোলামেলা উত্তর দিলেন মোদি...

    আপনার সংযুক্ত আরব আমির শাহি সফর সম্পর্কে কিছু বলুন.. এই সফরের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ ওয়ার্ল্ড গভর্মেন্ট সামিটে অংশ নেওয়া ৷ এবারের সামিটে ভারত অতিথি দেশের সম্মান পেয়েছে ৷ সংযুক্ত আরব আমির শাহির দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ৷ সফরের তালিকায় সংযুক্ত আরব আমির শাহির প্রধান শেখ মহম্মদ বিন শেখ রসিদ আল মাখতুমের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক রয়েছে ৷ এই বৈঠকে থাকবেন শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহায়ন, আবু ধাবির রাজা ও ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার অফ আর্মড ফোর্স ৷ দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সক্রান্ত ব্যবস্থা, দুই দেশের আমদানি, রপ্তানি সব বিষয়ই উঠে আসবে এই বৈঠকের আলোচনায় ৷ এর আগের সফরেও এই সব নিয়ে আলোচনা হয়েছিল ৷ তবে এবারের বৈঠকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও অটুট করা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা আলোচনা করা হবে ৷ এছাড়াও আলোচনায় উঠে আসবে দতুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে অর্থনৈতিক উন্নতি সাধন ৷
    সংযুক্ত আরব আমির শাহিতে অবস্থিত ভারতীয় সংগঠনগুলি প্রথম থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক স্থাপনে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছে ৷ আমি আশা করি আমার এই সফর এই সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে ৷
    কাজের ব্যস্ততার মধ্যে আপনি কি কখনও সুন্দর ছুটি কাটিয়েছেন? আমি কখনই ছুটি পায়নি ৷ তা মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় হোক বা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে ৷ তবে আমার কাজ, দায়িত্ব আমাকে গোটা ভারতবর্ষ দেখতে সাহায্য করে, দেশের মানুষদের সঙ্গে আলাপচারিতা করতে সাহায্য করে ৷ তাঁদের জীবনের নানা আনন্দের গল্প, দুঃখের গল্প, লড়াইয়ের গল্পের অংশীদার হয়ে পড়ি ৷ ২০০১ সালে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে ভারতের সমস্ত রাজ্যে আমি সফর করেছিলাম ৷ যা আমাকে ভারতকে আরও কাছ থেকে চিনতে সাহায্য করেছিল ৷ আপনার সঙ্গে কি কোনও স্পেশাল রাঁধুনিও সফর করেন? একদমই নয়, আমার সঙ্গে কোনও স্পেশাল রাঁধুনি থাকে না ৷ আমি যেখানেই যাই না কেন, সেখানকার খাবারেরই স্বাদ গ্রহণ করি ৷ সেটাই আমার ভালো লাগে ৷ দিনে কতক্ষণ ঘুমোনোর সুযোগ পান ? সেরকম নির্দিষ্ট কিছু নেই ৷ কাজ কাজের চাপের ওপর নির্ভর করেই ঘুমের সময় ঠিক হয় ৷ তবে হ্যাঁ, মোটামুটি দিনে চার ঘণ্টা থেকে ছ’ঘণ্টা মতো ঘুমোই ৷ সেই ঘুম একেবারেই নিশ্চিন্তের ঘুম হয় ৷ আমি মনের ভিতর কোনও চিন্তা নিয়ে ঘুমোই না ৷ আর সকালে যখন উঠি তখন একেবারেই ফ্রেশ ৷ ঘুম খুবই জরুরী দেহ ও মন ভালো রাখার জন্য, আমি নতুন প্রজন্মের জন্য একটি বইয়েও তা লিখেছি ৷ পরীক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তা কমাতে ঘুম অপরিহার্য ! সকালে উঠে ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কোন কাজটি আপনি করে থাকেন? আমার দিনটা শুরু হয় যোগ ব্যায়ামের মধ্যে দিয়ে ৷ দেহ ও মনকে সুস্থ, সবল ও তাজা রাখার জন্য যোগব্যায়ামের কোনও বিকল্প নেই ৷ তারপর গোটা খবরের কাগজকে পড়ে ফেলি ৷ এটা আমার অনেকদিনের অভ্যাস! ইমেল চেক করি, দরকারি কিছু ফোন করে ফেলি ৷ নরেন্দ্র মোদি অ্যাপে আসা জনগণের নানা মন্তব্য নিয়মিত পড়ি ৷ এভাবেই রোজ দেশবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার চেষ্টা করি ৷
    প্রযুক্তি শক্তিকে আমি খুবই বিশ্বাস করি ৷ যা কিনা আমাদের ভবিষ্যত !
    আপনার পছন্দের খাবার কী? ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনারে আপনি কী খেতে পছন্দ করেন ? আমি খুব একটা খাদ্যরসিক নই ৷ আমি সব ক্ষেত্রেই সাধারণ নিরামিশ খাবার পছন্দ করি ৷ সপ্তাহের মধ্যে আপনার সবচেয়ে প্রিয় দিন কোনটা ?
    আজকের দিনটাই আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ৷ আমি জীবনকে প্রত্যেকটি দিনে ভাগ করি না ৷ বরং আজকের দিনটা পুরোটা বেঁচে ফেলি ! এভাবেই গোটা জীবনকে দেখি ৷
    আপনার অনুপ্রেরণা? ছোটেবেলা থেকেই আমাকে নানা মানুষেরা অনুপ্রাণিত করেছে ৷ কখনও স্বামী বিবেকানন্দ, কখনও মহাত্মা গান্ধি, কখনও আবার সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল, শহিদ ভগত সিং ৷ আপনি কতটা টেকনোলজির ওপর নির্ভরশীল ? আগেই বলেছি, প্রযুক্তির ব্যবহারকে আমি সবসময়ই আগে রাখব৷ কেননা, এই প্রযুক্তির ওপর ভর করেই উন্নতিসাধন করা সম্ভব ৷ আমার ফেসবুক, ট্যুইটার, লিঙ্কডন, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব প্রত্যেকটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কই আমার কাছে বৈচিত্রময় ৷ রোজ এই প্রযুক্তি আমাদের এগিয়ে দিচ্ছে নতুন দিশার দিকে ৷ প্রযুক্তিই তো আমাদের ভবিষ্যত !
    First published: