দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

হামলা করতে পারে চিন-পাকিস্তান, দ্বিমুখী যুদ্ধের প্রস্তুতি ভারতের

হামলা করতে পারে চিন-পাকিস্তান, দ্বিমুখী যুদ্ধের প্রস্তুতি ভারতের

দ্বিমুখী যুদ্ধের জন্য যেখানে দশ দিনের অস্ত্র ভান্ডার মজুত রাখার কথা বলা হয়েছিল,জরুরি ভিত্তিতে তা বাড়িয়ে দশ থেকে পনেরো দিন করা হয়েছে।এর ফলে চিন এবং পাকিস্তান দুই দেশের বিরুদ্ধে পনেরো দিন তীব্র যুদ্ধ করার মত জায়গায় থাকবে ভারত।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: তাহলে কি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ লাগতে চলেছে? সেনাবাহিনীর গোপন রিপোর্টে এমন সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পূর্ব লাদাখে উত্তপ্ত পরিস্থিতি আপাতত কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কখন জল মাথার ওপর চলে যাবে আন্দাজ করা কঠিন। দুই দেশ সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালিয়ে গেলেও কোন সমাধানে পৌঁছানো যায়নি। অবস্থার অবনতি হয় যখন চিন জানিয়ে দেয় ভারতের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত ডাকটিকিট প্রকাশ স্থগিত রাখছে তারা। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে আবার দূরত্ব তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম সীমান্তে পাকিস্তান প্রতিদিনই হামলার ষড়যন্ত্র করছে। নিজেদের এয়ারবেস এবং হেলিপ্যাড তারা চিনকে খুলে দিয়েছে। স্কর্দু সহ বেশ কিছু বেস নতুন করে তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে পূর্ব সীমান্তে ভুটানের থেকে কিছু দূরে চিন নিজেদের বেসে চতুর্থ জেনারেশনের যুদ্ধবিমান নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে।

পাল্টা জবাব দিতে আগে থেকেই তিন বাহিনীকে যে কোনও ধরণের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এবার আর ও একটা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল যা নতুন অক্সিজেন দেবে তিন বাহিনীকেই। শোনা যাচ্ছে আগে দ্বিমুখী যুদ্ধের জন্য যেখানে দশ দিনের অস্ত্র ভান্ডার মজুত রাখার কথা বলা হয়েছিল,জরুরি ভিত্তিতে তা বাড়িয়ে দশ থেকে পনেরো দিন করা হয়েছে। নতুন বর্ধিত স্তরটি নিঃসন্দেহে বাহিনীর মনোবল বাড়াবে। শীর্ষ স্থানীয় সরকারি সূত্রের মতে, সশস্ত্রবাহিনীকে এখন পনেরো আই তে উন্নীত করা হয়েছে। এর ফলে চিন এবং পাকিস্তান দুই দেশের বিরুদ্ধে পনেরো দিন তীব্র যুদ্ধ করার মত জায়গায় থাকবে ভারত। প্রতিটি ক্রয়ের জন্য পাঁচশো কোটি টাকা পর্যন্ত উন্নত আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অতীতে উরি হামলার পর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েছে সরকার। পশ্চিম এবং পূর্ব সীমান্তে একসঙ্গে যুদ্ধ চালাতে গেলে যা যা প্রয়োজন তার অধিকাংশ দিক খতিয়ে দেখেছে সরকার।তিন বাহিনীর প্রধান সিডিএস বিপিন রাওয়াত নিজে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন। ভারত মহাসাগরে নৌবাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছে। মার্কিন প্রযুক্তিতে তৈরি আধুনিক অ্যাটাক হেলিকপ্টার রোমিও নৌবাহিনীর হাতে কদিনের ভেতরেই চলে আসার কথা। ছয়টি নতুন সাবমেরিন কিনছে ভারত। রাফাল আগে থেকেই রয়েছে হরিয়ানার আম্বালা এয়ার বেসে। এই জায়গা থেকে দুই শত্রু দেশেই অল্প সময়ের মধ্যে হামলা চালানো সম্ভব। ফরাসি বিমানের দ্বিতীয় ভাগ ক'দিনের মধ্যেই এসে পড়বে পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারায়।

এছাড়া রাশিয়ান এস ফোর হান্ড্রেড মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম যুক্ত হতে চলেছে ভারতীয় বাহিনীর অন্দরে। সীমান্তে স্পেশাল বাহিনী এবং বিএসএফের হাতে ইনসাস রাইফেলের বদলে আসতে চলেছে মার্কিন সিগ সোয়ার রাইফেল। বিমান বাহিনীকে তেত্রিশটি মিগ টোয়েন্টি নাইন এবং সুখই কেনার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে জরুরি ভিত্তিতে। এছাড়া প্রতিরক্ষা বাহিনী বিশাল পরিমাণে স্পেয়ার অর্থাৎ যন্ত্রাংশ কেনার অনুমতি পেয়েছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ভারত। যদিও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই উত্তেজনা প্রশমন করাই লক্ষ্য ভারতের।

Rohan Roy Chowdhury

Published by: Rohan Chowdhury
First published: December 13, 2020, 7:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर