নতুন বছরের শুরুতেই ভারতে আসছে আরও তিন রাফাল

photo source/odisha diary

আগামী জানুয়ারির মাঝামাঝি কমপক্ষে আরও তিনটি রাফাল আসতে চলেছে বিমান বাহিনীর হাতে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: গত ২৯ জুলাই ভারতের মাটিতে প্রথমবার অবতরণ করেছিল রাফাল যুদ্ধবিমান। প্রথম দফায় ৫ টি রাফাল এসেছিল দেশে। তারপর মাঝে নভেম্বরে আরও তিনটি  বিমান আসে ফ্রান্স থেকে।

    বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, আগামী জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় কমপক্ষে আরও তিনটি রাফাল আসতে চলেছে বিমান বাহিনীর হাতে। মোট যে ৩৬ টি বিমানের বরাত দেওয়া হয়েছিল, প্রতি দু মাস অন্তর তিন থেকে চারটি করে বিমান এভাবেই যোগ দেবে আইএএফ গোল্ডেন অ্যারোজ স্কোয়াড্রনে। ফ্রান্স থেকে জামনগর হয়ে বিমানগুলি চলে যাবে হরিয়ানার আম্বালা বিমান ঘাঁটিতে। এই বিমানঘাঁটিতে রাফাল রাখার অন্যতম কারণ, এই জায়গা থেকে একসঙ্গে চিন এবং পাকিস্তানের ওপর নজরদারি রাখা সম্ভব।

    তবে মোট বারোটি রাফাল আম্বালায় চলে এলে তারপর থেকে পরের বারোটি বিমানের ঠিকানা হবে পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারা বিমানঘাঁটি। সেক্ষেত্রে অরুণাচল এবং সিকিম সীমানা দিয়ে চিনকে সহজেই চাপে রাখা সম্ভব। পশ্চিমবঙ্গের এই বিমান ঘাঁটি থেকে চিনের সীমানা পর্যন্ত যেতে রাফাল সময় নেবে আট মিনিট। এই মুহূর্তে লাদাখে বেশ কয়েকটি রাফাল রাখা আছে।

    চিন নিজেদের বিমান ঘাঁটিতে জে ২০, চেংদু -র মত বিমান রেখে দিয়েছে। রাশিয়ার তৈরি সুখোই চিনের কাছেও রয়েছে, কিন্তু ভারতেরসুখোইয়ের থেকে সেগুলো আলাদা। চিন নিজেদের তৈরি এই বিমানগুলিকে চতুর্থ প্রজন্মের থেকেও এগিয়ে দাবি করে। কিন্তু যুদ্ধের ময়দানে রাফাল যেমন নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছে, চিনা জেট কিন্তু সেভাবে যুদ্ধের ময়দানে পরীক্ষিত নয়।

    দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদি চিনকে দেখিয়ে দিয়েছেন ভারত জবাব দিতে জানে। শুধু সামরিক ভাবেই নয়, জাপান, থাইল্যান্ড এবং তাইওয়ানের মতো দেশের সঙ্গে সখ্যতা বাড়িয়ে ড্রাগণকে কূটনৈতিকভাবে পাল্টা চাপ দিচ্ছে ভারত। দক্ষিণ চিন সাগরে ড্রাগনের দাদাগিরি খতম করতে ভারতীয় নৌবাহিনী সদা সতর্ক রয়েছে। আধুনিক সাবমেরিন এবং মার্কিন রোমিও হেলিকপ্টার এসেছে নৌবাহিনীর হাতে। কিন্তু ভারতীয় বিমানবাহিনী আগে জানিয়েছিল যুদ্ধবিমানের সংখ্যার ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে আইএএফ।

    গ্রিপিন,মিগ ৩৫,ইউরোফাইটার টাইফুনের মত যুদ্ধবিমানকে পেছনে ফেলে ভারতীয় বিমান বাহিনীর গ্রিন সিগন্যাল আদায় করে নেয় ফরাসি রাফাল। এর আগে ফ্রান্সের তৈরি মিরাজ ২০০০ ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা ছিল ভারতীয় বিমানবাহিনীর। রাফাল

    বিমানগুলিতে ভারতের চাহিদা মত কোল্ড ইঞ্জিন স্টার্ট, র‍্যাডার ওয়ার্নিং রিসিভার, ইনফ্রারেড সিস্টেম এবং অত্যাধুনিক সেন্সর যুক্ত করা হয়েছে। মিটিওর মিসাইল রাফাল বিমানের অন্যতম সেরা অস্ত্র। পাশাপাশি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস বিমানের আরও উন্নত সংস্করণ মার্ক ওয়ান বানানোর ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়েছে ভারত।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: