'৭১-এর যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বাংলাদেশকে দেবে ভারত, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদির

'৭১-এর যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বাংলাদেশকে দেবে ভারত, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদির

করোনা মহামারীর পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে বাংলাদেশে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

করোনা মহামারীর পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে বাংলাদেশে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

  • Share this:

    #ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে ঘোষণা করেছেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত অস্ত্র বাংলাদেশকে দেওয়া হবে। মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত সেইসব অস্ত্র শোভা পাবে বাংলাদেশের মিউজিয়ামে। দু'দিনের সফরে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফরের দ্বিতীয় দিন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। করোনা মহামারীর পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে বাংলাদেশে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট করে তোলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার উদ্দেশ্য বলে জানা গিয়েছিল।

    দুদিনের সফরে ওড়াকান্দিতে মতুয়াদের গড়েও গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত অস্ত্র বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে ভারত। দু'পক্ষের মধ্যে একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেখানে সাতটি প্রজেক্ট সম্পর্কে দশটি ঘোষণা হয়েছে। বাংলাদেশ সফরে মুক্তিযোদ্ধাদের শহিদ বেদীতে মাল্যদান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঢাকার কাছে আশুগঞ্জে শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বক্তৃতা রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উপলক্ষে বক্তৃতা দিয়েছেন মোদি। এরপর মতুয়াদের যশেশ্বরী মন্দিরে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। ওড়াকান্দিতে মতুয়াদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান তিনি।

    শনিবার রাতে ঢাকা ছেড়ে নয়াদিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগেই তিস্তা জলবণ্টন সহ একাধিক প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা সেরেছেন নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার সংকল্প নিয়েছেন মোদি ও হাসিনা। এমনকী রেলপথে দুই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করার প্রকল্প ঘোষণা হয়েছে।

    Published by:Suman Majumder
    First published:

    লেটেস্ট খবর