• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • স্বামীকে অন্য মহিলার সঙ্গে হাতে নাতে ধরে ফেললেন স্ত্রী, তারপরে কী হল?

স্বামীকে অন্য মহিলার সঙ্গে হাতে নাতে ধরে ফেললেন স্ত্রী, তারপরে কী হল?

Photo collected

Photo collected

প্রকাশ্যে ঘটে চলা এই কাণ্ড কেউ ক্যামেরা বন্দী করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। আর সেই ভিডিওই এখন ঝড়ের গতিতে ভাইরাল।

  • Share this:

    #মিরাট : দিনে দুপুরে বাজারে এমন দৃশ্য সচরাচর দেখতে পান না মিরাটের মানুষ। কিন্তু সেদিন এমনিই ঘটনা ঘটে গেল আপাত শান্ত শহরে। অভিযোগ ভরা বাজারে স্বামীকে অন্য মহিলার সঙ্গে দেখে হাতে নাতে ধরে ফেলেন স্ত্রী। আর তারপরে যা ঘটে তা দেখতে ভিড় জমে যায় গোটা এলাকায়। মাঝ রাস্তায় স্বামীকে বেধড়ক মারতে শুরু করেন স্ত্রী। মিরাটের নওচাঁদি এলাকার এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন তুমুল ভাইরাল।

    জানা যাচ্ছে, আদনান নামে ওই ব্যক্তি এক অন্য মহিলার সঙ্গে বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। তখন আয়েশা নামে আরেক মহিলা, যিনি নিজেকে আদনানের স্ত্রী বলে দাবি করেন, হাঠৎই হৈচৈ শুরু করে দেন। দুজনের মধ্যে তুমুল ঝগড়া লেগে যায়। শেষ পর্যন্ত ঝগড়া পৌঁছয় হাতাহাতিতে। আদনানকে এলোপাথারি কিল চড় মারতে শুরু করেন আয়েশা।

    ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ পৌঁছে আদনান ও তাঁর স্ত্রী বলে দাবি করা ওই মহিলা আয়েশাকে থানায় ধরে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়েও অবশ্য থামেননি ওই দুজন। বরং একে অপরের বিরুদ্ধে আজব সব অভিযোগ করতে থাকে। আয়েশা জানায় যে, একবছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল , কিন্তু কিছুদিন পরে তাদের মধ্যে ঝগড়া বাঁধলে আদনান তাঁকে ছেড়ে চলে যায়। যখন সে জানতে পারে যে স্বামী আদনান এক অন্য মহিলার সঙ্গে বাজারে রয়েছে। তৎক্ষণাৎ সে বাজারে চলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলে।

    অন্যদিকে আদনান জানায় যে, আয়েশাকে সে তালাক দিয়েছে। তবে এখনও ডিভির্সের মামলা চলছে। আদনান অভিযোগ করে যে, স্ত্রী আয়েশা তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। তবে এ প্রসঙ্গে আয়েশা জানায় যে, আদনান তাকে ডিভোর্স দেয়নি। এমনকি তালাকও ভুয়ো উপায়ে দিয়েছে বলে দাবি করে সে।

    আদনানের পাল্টা অভিযোগ, এক বান্ধবীর সঙ্গে ওই দিন বাজারে যায় সে। সেখানে আয়েশা দলবল নিয়ে এসে তাঁর ওপর চড়াও হয়। অভিযোগের সত্যতা জানতে পুলিশ তদন্ত করছে। এদিকে প্রকাশ্যে ঘটে চলা এই কাণ্ড কেউ ক্যামেরা বন্দী করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়।আর সেই ভিডিওই এখন ঝড়ের গতিতে ভাইরাল।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: