অস্ত্র মিসাইল এবং তেজস সহ ১৫৬ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করবে ভারত

অস্ত্র মিসাইল এবং তেজস সহ ১৫৬ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করবে ভারত
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিশাল পরিমাণের রফতানির লক্ষ্যে ভারত photo/drdo

এর মধ্যে রয়েছে অ্যারোনোটিক্যাল প্রযুক্তি, পারমাণবিক, জৈবিক এবং রাসায়নিক সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং মাইক্রো বৈদ্যুতিন উপাদান।

  • Share this:

    # নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই জানিয়েছিলেন প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাবে আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্প। গত বছর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়ে দেন বিদেশ থেকে অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করবে কেন্দ্র। বন্দুক, কারবাইন,মর্টার, রকেট লঞ্চার এবং মেশিনগান সহ ছোট অস্ত্র তৈরি হবে দেশের ভেতরেই। এর ফলে যেমন বিদেশ নির্ভরতা কমবে, তেমনই দেশের অস্ত্র পরিকাঠামো জোরদার হবে। মানুষের রোজগার বাড়বে। এদিন আবার প্রমাণ হল সিদ্ধান্ত একেবারেই সঠিক ছিল। শুধু ছোট অস্ত্র নয়, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস মার্ক ওয়ান যুদ্ধ বিমান তৈরি করেও নজর কেড়েছে ভারত। যদিও বাহিনীর হাতে এই বিমান আসতে এখনও দেরি আছে,তবুও ভারতের সামরিক ইতিহাসে এই ঘটনা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

    এবার মোট ১৫৬ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করবে ভারত। সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করেছে ডিআরডিও। এর মধ্যে রয়েছে অ্যারোনোটিক্যাল প্রযুক্তি, পারমাণবিক, জৈবিক এবং রাসায়নিক সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং মাইক্রো বৈদ্যুতিন উপাদান। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করে পঁয়ত্রিশ হাজার কোটি টাকা আয় করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে। রফতানি বাড়ানো এবং স্বনির্ভরতার জন্য একটি প্রতিরক্ষা শিল্প নিয়ে চলছে কেন্দ্র। প্রায় পঁচিশ বিলিয়ন ডলার টার্নওভার তৈরি করাই লক্ষ্য।

    আলাদা করে উল্লেখ করতে হবে আকাশ, অস্ত্র এবং নাগ মিসাইলের কথা। ভূমি থেকে আকাশে ছাড়া হয় আকাশ মিসাইল। পঁচিশ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। অস্ত্র হল বিয়ন্ড ভিসুয়াল রেঞ্জ অর্থাৎ বিভিআর মিসাইল যা সুখই ছাড়াও আধুনিক রাফাল বিমান থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। এছাড়াও ব্রহ্মস মিসাইল সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং নৌ বাহিনী সকলেই ব্যবহার করতে পারে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাত থেকে আটটি দেশ এই অস্ত্রের অর্ডার দিয়েছে বলে খবর।

    তেজস কেনার ব্যাপারে আগেই ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর। বাংলাদেশের সঙ্গেও এই ফাইটার বিমান নিয়ে কথা হচ্ছিল এমনটাই খবর ছড়িয়েছিল। তবে এখনই বিদেশি অস্ত্রের নির্ভরতা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি ভারত। রাশিয়া, ফ্রান্স, ইজরাইল এবং আমেরিকার থেকে এখনও প্রচুর অস্ত্র আমদানি করে ভারত। তবে দেশে অস্ত্র তৈরি প্রতিযোগিতা বেড়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই বিদেশ নির্ভরতা কমবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: