লাদাখ কার্যত তাদের ভূখণ্ড, ওয়েব সাইটে দাবি করল চিন

চিনা বিদেশ মন্ত্রকের ওয়েব সাইটে লাদাখকে এদিন তাদের ভূখণ্ড বলেই দাবি করা হয়েছে। যা ফের খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 07, 2019 11:54 AM IST
লাদাখ কার্যত তাদের ভূখণ্ড, ওয়েব সাইটে দাবি করল চিন
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 07, 2019 11:54 AM IST

#নয়াদিল্লি: কাশ্মীর ভাগে পুলওয়ামার মতো আরও পরিস্থিতি তৈরি হবে। প্রশস্ত হবে যুদ্ধ পরিস্থিতি। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলে দিল্লির সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। এই ইস্যুতে বন্ধু পাকিস্তানের হাত শক্ত করেছে চিন। চিনা বিদেশ মন্ত্রকের ওয়েব সাইটে লাদাখকে এদিন তাদের ভূখণ্ড বলেই দাবি করা হয়েছে। যা ফের খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি।

কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। সিলমোহর দিল্লির। উদ্বেগে ইসলামাবাদ।

কূটনৈতিক মহলের দাবি, লাদাখকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল ঘোষণায় পরোক্ষে চিন ও পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে দিল্লি। সেই বহিঃপ্রকাশ এদিন বোঝা গেল। উপত্যকা থেকে ভারত সরকারের তিনশো সত্তর ধারা বাতিলের বিরোধিতায় মঙ্গলবার পাক সংসদে বসেছিল যৌথ অধিবেশন। প্রয়োজনে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘে যাওয়া হবে বলেও প্রস্তাব পেশ হয়েছে। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে অনৈতিক বলেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

ইমরান খানের অভিযোগ, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত করতে গিয়ে দেশীয় স্বার্থ ভুলে যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। যেখানে প্রাধান্য পাচ্ছে আরএসএস এবং বিজেপির হিন্দু রাষ্ট্র তৈরির মতাদর্শ। এই ঘটনায় ভবিষ্যৎ কঠিন বলেই মনে করছেন ইমরান। দাবি করছেন, এই ঘটনা চিরাচরিত যুদ্ধের রাস্তাকেই পরিষ্কার করছে।

লোকসভায় এদিনই পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং আকসাই চিন নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এতদিন জল মাপার পর আর দেরি করেনি বেজিং। বিদেশ মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে লাদাখকে তাদের ভূখণ্ড দাবি করে চিনের প্রতিক্রিয়া।

Loading...

কাশ্মীরের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে চিন নজর রাখছে। কাশ্মীর নিয়ে বেজিংয়ের অবস্থান খুব স্পষ্ট। কিন্তু চিন-ভারত সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলে ভারতের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। এই ব্যাপারে চিন শেষ পর্যন্ত দেখবে। সম্প্রতি ওই অঞ্চলে দিল্লি আগ্রাসন লক্ষ করা গিয়েছে। এরতরফা ভাবে আইন সংশোধন করে ওই অঞ্চল দখল করতে চায় ভারত।

লাদাখ চিনের ভূখণ্ড। বেজিংয়ের এই দাবিকে খারিজ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। পালটা জানানো হয়েছে, প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে অন্য কোনও দেশের পরামর্শ নেওয়া হবে না। কাশ্মীর নিয়ে মোদি সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে মতামত না দিলেও ওয়াশিংটনের মত, কাশ্মীর নিয়ে যা হচ্ছে, তা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে ওয়াশিংটনের নজর আছে। দিল্লির কাছে একটাই অনুরোধ উপত্যকায় মানবাধিকার যাতে কোনও ভাবে লঙ্ঘিত না হয়, সেই ব্যাপারে নজর রাখতে হবে।

দিল্লি জানিয়েছে, উপত্যকার প্রতিটি বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীর নিয়ে মোদির হাত শক্ত করছে আরব আমীরশাহি।

First published: 11:49:35 AM Aug 07, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर