• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতর খোলা হচ্ছে হিমালয়ে, জানালেন ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের প্রধান

আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতর খোলা হচ্ছে হিমালয়ে, জানালেন ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের প্রধান

এই আঞ্চলিক দফতর শুধু ভারতবর্ষকেই নয়, আবহাওয়া সম্পর্কিত পরিষেবা দেবে প্রতিবেশী দেশগুলিতেও।

এই আঞ্চলিক দফতর শুধু ভারতবর্ষকেই নয়, আবহাওয়া সম্পর্কিত পরিষেবা দেবে প্রতিবেশী দেশগুলিতেও।

এই আঞ্চলিক দফতর শুধু ভারতবর্ষকেই নয়, আবহাওয়া সম্পর্কিত পরিষেবা দেবে প্রতিবেশী দেশগুলিতেও।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লিঃ হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলে একটি আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতর স্থাপন করার পরিকল্পনা করছে ভারত। সোমবার এমনটাই জানিয়েছেন ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের প্রধান মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। তিনি বলেন, এই আঞ্চলিক দফতর শুধু ভারতবর্ষকেই নয়, আবহাওয়া সম্পর্কিত পরিষেবা দেবে প্রতিবেশী দেশগুলিতেও। মহাপাত্র আরও জানান, এই হাওয়া অফিস খোলার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও এই সংক্রান্ত কথাবার্তা চলছে ওয়র্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অরগ্যানাইজেশনের সঙ্গে। তিনি বলেন, হিমালয়ের অন্য প্রান্তে, চীনও এমনই একটি আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস খোলার পরিকল্পনা করছে। পার্বত্য অঞ্চলে আবহাওয়া এবং জলবায়ু পরিষেবা সংক্রান্ত একটি ওয়েবিনারে তিনি বলেন, ভারতবর্ষের পূর্ব এবং পশ্চিম উপকূলে পূর্বঘাট, পশ্চিমঘাট এবং উত্তর-পূর্বে পার্বত্য অঞ্চল রয়েছে। তিনি আরও বলেন, হিমালয়ের বিশাল আকার এবং ভারতের জলবায়ু, জলবিদ্যুৎ, বিপর্যয়কালীন ব্যবস্থাপনা এবং বাস্তুতন্ত্রের উপর এর ভূমিকার কথা বিবেচনা করেই গোটা বিশ্বে হিমালয়ের পরিচিতি ‘পৃথিবীর তৃতীয় মেরু’ নামে। হাওয়া অফিসের প্রধান এও বলেন, যেহেতু হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চল সমভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন, এই অঞ্চলে সব সময় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের কাজ সম্ভব হয় না। সে কারণেই একটি আঞ্চলিক দফতর এখানে প্রয়োজন। এর ফলে সহজেই কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস মিলবে এবং সতর্কতা জারি করা সম্ভব হবে। তাঁর মতে, শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর মেলা নয়, এই আবহাওয়া দফতর স্থাপনের কাজ শেষ হলে, নজর দেওয়া যাবে এই অঞ্চলের শিল্প, পর্যটন এবং কৃষির ক্ষেত্রেও। তিনি এরপর বলেন, “আমরা একটি নতুন আবহাওয়া দফতর চালু করব, যেখান থেকে শুধু মাত্র দেশের মধ্যেই নয়, পরিষেবা দেওয়া হবে প্রতিবেশী দেশগুলিতেও।” মহাপাত্র এদিন পিটিআই-কে জানান, আরসিসি চালু হবে দিল্লিতে। এই সংস্থার তরফ থেকে পরিষেবা পাবেন স্থানীয় মানুষেরা, বিশেষত চাষী এবং আদিবাসীরা। তিনি বলেছেন, ২০১৬ নাগাদ তৈরি হওয়া প্রত্যন্ত এবং বেশি উচ্চতার অঞ্চলের গবেষণা কেন্দ্র হিমাংশ, হিমালয়ের আবহাওয়ার গবেষণার দায়ভার গ্রহণ করবে।

    Published by:Antara Dey
    First published: