আন্তর্জাতিক সুরক্ষা নীতি লঙ্ঘন নয়, দেশের সুরক্ষা মজবুত করাই উদ্দেশ্য, জানালেন মোদি

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Mar 27, 2019 01:24 PM IST
আন্তর্জাতিক সুরক্ষা নীতি লঙ্ঘন নয়, দেশের সুরক্ষা মজবুত করাই উদ্দেশ্য, জানালেন মোদি
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Mar 27, 2019 01:24 PM IST

#নয়াদিল্লি: ভোটের মুখে স্পেস ওয়ারফেয়ারে বড়সড় মাইলস্টোন ছুঁল ভারত। অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইলের সাহায্যে অব্যবহৃত কৃত্রিম উপগ্রহ ধ্বংস করল নয়াদিল্লি। আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই সাফল্যের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। এরআগে আমেরিকা, রাশিয়া ও চিনের হাতে ছিল এ-স্যাট প্রযুক্তি। বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে এবার শক্তিশালী সেই ক্লাবে নাম লেখাল ভারতও। তবে এর জন্য আন্তর্জাতিক সুরক্ষা নীতি লঙ্ঘন করা হয়নি ৷ দেশের সুরক্ষা মজবুত করাই ছিল উদ্দেশ্য ৷ দেশের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই মিশন৷ শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে আরও একটি পদক্ষেপ৷

এদিন মোদি বলেন,

‘মহাকাশ গবেষণায় নয়া কীর্তি ভারতের ৷ মহাকাশ যুদ্ধে ভারতের নতুন মুকুট ৷ ভারতের কাছে আজ গর্বের দিন ৷ ভারত আজ মহাকাশে অন্যতম শক্তি ৷ বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ দেশ ভারত ৷ আমেরিকা,রাশিয়া,চিনের পর ভারত ৷ মহাকাশে কৃত্রিম স্যাটেলাইট ধ্বংস ৷ লো অরবিট স্যাটেলাইট ধ্বংস ৷ অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইল দিয়ে ধ্বংস ৷ ভারতে প্রথম এই মিসাইল ব্যবহার ৷ ৩ মিনিটেই ধ্বংস অব্যবহৃত মিসাইল ৷ অপারেশনের নাম ছিল মিশন শক্তি ৷ ভারতেই তৈরি এ স্যাট মিসাইল ৷ অস্ত্র প্রতিযোগিতার বিপক্ষে ভারত ৷ দেশবাসীর নিরাপত্তায় মহাকাশ গবেষণা ৷ এই সাফল্য দেশকে সুরক্ষিত করবে৷’

 তিনি জানিয়েছেন, মহাকাশে প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের একটি 'লো অরবিট স্যাটেলাইট' ধ্বংস করা হয়েছে। দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা DRDO-র তৈরি অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইলের সাহায্যে ধ্বংস করা হয়েছে কৃত্রিম উপগ্রহটি। গোটা অপারেশনের নাম ছিল মিশন-শক্তি। এরআগে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চিনের হাতে ছিল অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তি। এবার সেই ক্লাবে নাম লেখাল ভারতও। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ-স্যাট মিসাইল প্রযুক্তি হাতে থাকায় স্পেস ওয়ারফেয়ারে বিশ্বের অন্যতম শক্তি হিসেবে উঠে এল ভারত।

First published: 01:22:51 PM Mar 27, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर