দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

'হাতরাসের ঘটনা ভয়াবহ', মন্তব্য শীর্ষ আদালতের, অস্বস্তিতে যোগী সরকার

'হাতরাসের ঘটনা ভয়াবহ', মন্তব্য শীর্ষ আদালতের, অস্বস্তিতে যোগী সরকার
প্রতীকী চিত্র।

শুনানির শুরুতেই এদিন উত্তরপ্রদেশ সরকার ১৬ পাতার একটি বিবৃতি জমা দেয়।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: হাতরাসের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চাই, কারণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে তদন্তে বাধা দেওয়া হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টে এমনটাই বলল যোগী সরকার। তাঁদের দাবি কোনও রকম হিংসা এড়াতেই সেই রাত্রে হাতরাসের নির্যাতিতার দেহ পোড়ানো হয়েছিল।

এদিন যোগী সরকারের হলফনামা তলব করে সুপ্রিমকোর্ট। দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা হয়, "এই ঘটনা বীভৎস। এক কথায় অভাবনীয়।" শীর্ষ আদালত জানতে চায়, এই ঘটনায় সাক্ষীদের সুরক্ষার কী ব্যবস্থা রয়েছে? উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, নির্যাতিতার পরিবারের নিরাপত্তার ব্যবস্থাই বা কী?

শীর্ষ আদালতে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে আবেদনকারীদের বলা হয়, হাতরাস কাণ্ডের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সুনিশ্চিত করবে আদালত। এক সপ্তাহ পর এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়। তার মধ্যেই যোগী সরকারকে জমা দিতে হবে হলফনামা।

ইতিমধ্যেই হাতরাস কাণ্ডে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ টি এফআইআর করেছে যোগী সরকার। সেই তালিকায় রয়েছে বহু রাজনৈতিক নেতার নাম। তালিকা থেকে বাদ যাননি সাংবাদিকও। প্রতিবাদের আর্থিক যোগানের উৎস খুঁজতে আসরে নেমে চারজনকে গ্রেফতারও করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর মধ্যেই বিচারপতি এস এ বোবদের বেঞ্চ হাতরস বিষয়ক জনস্বার্থ মামলা শোনে। সেখানে দাবি ছিল, কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নজরদারিতে তদন্ত হোক এই কাণ্ডে। উত্তরে মেলে ন্যায়বিচারের আশ্বাস।

শুনানির শুরুতেই এদিন উত্তরপ্রদেশ সরকার ১৬ পাতার একটি বিবৃতি জমা দেয়। সেই বিবৃতির মূল বক্তব্য গোটা ঘটনায় যোগী সরকারকে খাটো করতে ঘটানো হয়েছে। বিবৃতিতে লেখা হয়, "রাজনৈতিক দলগুলি এবং মিডিয়ার একাংশ এই ঘটনাকে ধরে হিংসা ছড়ায়। জাতিদাঙ্গার ঘটনা ঘটায়। দলিতদের খেপাতেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়।"পাশাপাশি ওই তরুণীকে পোড়ানো নিয়েও যুক্তি দেন তাঁরা। তাদের কথায়, পরিবারের অনুমতি নিয়েই এই কাজ করা হয়েছিল। পরদিন পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে বুঝেই রাতে কাজ সারে তাঁরা।

Published by: Arka Deb
First published: October 6, 2020, 2:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर