• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • IN PAST 24 HOURS 311 BSF PERSONNEL TEST POSITIVE FOR CORONAVIRUS SB

Corona in India: বর্ডারে ভাইরাস আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩১১ BSF জওয়ান! কিন্তু কীভাবে?

সীমান্তে করোনা কাঁটা

বর্তমানে দেশে শুধু বিএসএফ-এরই ১৩৬২ জন জওয়ান করোনার সক্রিয় রোগী। সেনা বাহিনীর মোট ১৬ হাজার ১৫০ জন জওয়ান ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ভয়ঙ্কর করোনা পরিস্থিতি দেশে (Corona in India)। প্রথম পর্যায়কে ছাপিয়ে গিয়েছে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এখনও পর্যন্ত কিছু রাজ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মহারাষ্ট্র, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, দিল্লির মতো রাজ্যে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে। মহারাষ্ট্রে ১৫ দিনের করোনা কারফিউ ঘোষণা করেছেন উদ্ধব ঠাকরে সরকার। পরিস্থিতি ভালো নয় বাংলাতেও। আর এরই মধ্যে সীমান্তেও করোনার প্রবল প্রকোপ দেখা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, শুধু শেষ ২৪ ঘণ্টাতেই ৩১১ জন BSF জওয়ান মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যা রীতিমতো উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে দেশে শুধু বিএসএফ-এরই ১৩৬২ জন জওয়ান করোনার সক্রিয় রোগী। সেনা বাহিনীর মোট ১৬ হাজার ১৫০ জন জওয়ান ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তবে, তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৪ হাজার ৭৩৯ জন।

    সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন CRPF জওয়ান, ৪৩ জন CISF জওয়ান, ৮ জন SSB জওয়ান, ৩১ জন ITBP জওয়ান করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সেনা-আধা সেনার মধ্যে বিএসএফ জওয়ানরাই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। যা রীতিমতো উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন অনেকেই।

    প্রসঙ্গত, গোটা দেশের করোনা-পরিসংখ্যানই রীতিমতো আতঙ্কের হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৮৪ হাজার ৩৭২ জন। আর এই সময়ের মধ্যে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১০২৭ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহুর্তে দেশে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৪। করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৫ জনের। বিশ্বের মধ্যে আক্রান্তের নিরিখে আমেরিকার পরেই এখন রয়েছে ভারত। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮২৫।

    দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রের অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। মার্চ মাস থেকে মহারাষ্ট্রে অক্সিজেনের চাহিদা প্রচণ্ডভাবে বেড়েছে। এতে চিন্তায় পুণের অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবসায়ীরা। হাসপাতালগুলিতে ৯৫ শতাংশ অক্সিজেনের জোগান দেন তাঁরা। কিন্তু এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের। রাজ্যের পরিস্থিতি দেখে মঙ্গলবার রাত ১২ থেকে ১৫ দিনের জন্য ১৪৪ ধারা। কোভিডের ওষুধ ও অক্সিজেনের জোগান প্রয়োজনের তুলনায় কম বলেও জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন উদ্ধব।

    Published by:Suman Biswas
    First published: