তীর্থে যাওয়ার আরও সুবিধা! এবার বৌদ্ধ ধর্মের তীর্থক্ষেত্র কুশীনগরে পৌঁছানো যাবে বিমানেই!

তীর্থে যাওয়ার আরও সুবিধা! এবার বৌদ্ধ ধর্মের তীর্থক্ষেত্র কুশীনগরে পৌঁছানো যাবে বিমানেই!

প্রতীকী ছবি

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ছাড়পত্র দিল ডিজিসিএ৷ ফলে দেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও আসতে পারবেন পর্যটকরা, খুবই সহজে৷

  • Share this:

#লখনউ: কুশীনগরের বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ছাড়পত্র পেল ডিজিসিএ-র কাছ থেকে। কুশীনগর উত্তরপ্রদেশের তৃতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ছাড়পত্র পেল। এর আগে লখনউ এবং বারাণসীর দু'টি বিমানবন্দর এই ছাড়পত্র পেয়েছে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় আসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী ট্যুইট করে এ খবর জানিয়ে বলেছেন, "কুশীনগর বিমানবন্দর ডিজিসিএ-র প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পেয়েছে। উত্তরপ্রদেশের তৃতীয় আন্তর্জাতিক এই বিমানবন্দর ওই এলাকার বৌদ্ধ সার্কিটকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পর্যটন শিল্পে নয়া জোয়ার নিয়ে আসবে। এই কুশীনগরেই ভগবান বুদ্ধ মহাপরিনির্বাণ লাভ করেছিলেন।"

কুশীনগর এলাকায় একাধিক বৌদ্ধ ধর্মের তীর্থক্ষেত্র রয়েছে। তার মধ্যে শ্রাবস্তী, কপিলাবস্তু এবং লুম্বিনী অন্যতম। বিহারের বুদ্ধগয়া এবং বারাণসীর উপকণ্ঠে সারনাথের মতোই বৌদ্ধদের কাছে জনপ্রিয় তীর্থস্থান এই কুশীনগর। দেশ এবং বিদেশের বৌদ্ধ এবং অন্যান্য ধর্মের নানা পর্যটক বছরভরই আসেন এই কুশীনগরে। এখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হলে সেই পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। মূলত ধর্মীয় পর্যটকদের কথা মাথায় রেখেই এই বিমানবন্দরের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে৷

বহুদিন আগেই বিহারের বুদ্ধগয়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি হয়েছে এবং ওই বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে নিয়মিত ওখানে শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড, জাপান, মালেশিয়া-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন। এতে অর্থনৈতিক ভাবেও লাভবান হয়েছে বিহার। একই ভাবে উত্তরপ্রদেশও কুশীনগরকে কেন্দ্র করে লাভবান হবে বলে মনে করছেন উত্তরপ্রদেশ সরকারের পদস্থ আধিকারিকেরা। বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের জন্য যেমন সুবিধা হবে এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, তেমনই আয়র উৎস বাড়বে সরকারেরও৷ মত আধিকারিকদের৷ ফলে এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে৷

Published by:Pooja Basu
First published: