corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাড়ছে অন্তর্দেশীয় বিমানের সংখ্যা, হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে ৬ গুণ বৃদ্ধি পেল যাত্রী সংখ্যা

বাড়ছে অন্তর্দেশীয় বিমানের সংখ্যা, হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে ৬ গুণ বৃদ্ধি পেল যাত্রী সংখ্যা
File Photo

লকডাউন ওঠার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহে যখন সবেমাত্র বিমান পরিষেবা পুনরায় চালু হয়েছিল, তখন মাত্র ৪০টি ডোমেস্টিক বিমান ওঠানামা করত । এখন তার পাঁচগুণ বিমান পরিষেবা দিচ্ছে।

  • Share this:

#হায়দরাবাদ: করোনা পুরো পৃথিবীর চিত্রটাই বদলে দিয়েছে। এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে মার্চ মাসে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকেই বন্ধ ছিল বিমান পরিষেবা। এর ফলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হন যাত্রীরা। অনেকেই কাজের জন্য গিয়ে আর বাড়ি ফিরতে পারেননি। অনেকের সময়মতো গন্তব্য পৌঁছানো হয়নি। তবে লকডাউন ওঠার পর থেকে ধীরে ধীরে সেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বর্তমানে অন্তর্দেশীয় বিমান আগের তুলনায় অনেকটাই বেশি সংখ্যায় চলাচল শুরু হয়েছে। আগে থেকেই আশা করা হয়েছিল পরিষেবা চালু হলে ভিড় বাড়বে। সেই কাঙ্খিত ছবিই ধরা পড়ল হায়দরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সোমবার হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে ২০,০০০ যাত্রী বিমানে আসা-যাওয়া করেছেন।

লকডাউনের পর ২৬ মে ফের বিমান পরিষেবা শুরু হয়। সেদিন বিমানবন্দরে মোট ৩ হাজার যাত্রীর আনাগোনা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এবার তার ছয়গুণ অর্থাৎ ২০,০০০ যাত্রী দেখা গেল এই বিমানবন্দরে।

এবিষয়ে জিএমআর হায়দরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লিমিটেড (GHIAL)-এর তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে ২০০-র বেশি অন্তর্দেশীয় বিমান ওঠানামা করছে । লকডাউন ওঠার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহে যখন সবেমাত্র বিমান পরিষেবা পুনরায় চালু হয়েছিল, তখন মাত্র ৪০টি ডোমেস্টিক বিমান ওঠানামা করত । এখন তার পাঁচগুণ বিমান পরিষেবা দিচ্ছে।

করোনা পরিস্থিতির আগে হায়দরাবাদ বিমানবন্দর থেকে দেশের ৫৫টি স্থানে তথা গন্তব্যে পাড়ি দিত বিমান। ধীরে ধীরে সেই চেনা ছন্দে ফিরছে বিমান পরিষেবা। ৫৫ টি গন্তব্যের মধ্যে ৫১টি-তে ইতিমধ্যেই ফের পরিষেবা শুরু হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা যেতে পারে এই বিমানবন্দর প্রায় ৯৩ শতাংশ অন্তর্দেশীয় গন্তব্যে পুনরায় তাদের পরিষেবা শুরু করেছে।

লকডাউন কার্যকর হওয়ার আগে প্রতিদিন প্রায় ৫৫০ বিমানের ওঠানামা ও ৬০,০০০ যাত্রী যাতায়াত করতেন এখানে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, এই মহামারি পরিস্থিতিতে সংক্রমণ রুখতে ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। লকডাউনে যাত্রী চলাচল বন্ধ ছিল। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় ইঞ্জিনিয়ার ও তাদের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে আরও বেশ কয়েকটি জটিল সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। বিমানে পাড়ি দেওয়ার সময় যাত্রীদের আঙুলের অবস্থান সনাক্ত করতে একটি ইনফ্রারেড সেন্সরের ব্যবহারও শুরু করা হয়েছে।

স্পর্শহীন লিফট হোক বা ইনফ্রারেড সেন্সর। এই করোনা পরিস্থিতিতে যাত্রী নিরাপত্তার দিকটিকে বারবার গুরত্ব দেওয়ার কথাই কার্যত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে হায়দরাবাদ বিমানবন্দরের তরফে। আগামী দিনে যাত্রী সংখ্যা আরও বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: September 17, 2020, 2:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर