দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

চোখের আড়ালেই বাড়বাড়ন্ত পশুশিকার কারবার, প্রতি তিন মিনিটে মৃত্যু হচ্ছে একটি করে পশুর; বলছে নয়া রিপোর্ট!

চোখের আড়ালেই বাড়বাড়ন্ত পশুশিকার কারবার, প্রতি তিন মিনিটে মৃত্যু হচ্ছে একটি করে পশুর; বলছে নয়া রিপোর্ট!

আগেকার দিনে অনেকের বাড়িতেই বাঘের মাথা, হরিণের শিং বা শেয়ালের চামড়া দেওয়ালে সাজিয়ে রাখার চল ছিল।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: আগেকার দিনে অনেকের বাড়িতেই বাঘের মাথা, হরিণের শিং বা শেয়ালের চামড়া দেওয়ালে সাজিয়ে রাখার চল ছিল। আমাদের দেশেও ছিল। পরবর্তীকালে সেই রীতি পালটায়। কিন্তু তা-ও চোরা শিকার, বাঘের ছাল পাচার লেগেই রয়েছে। আমাদের দেশে বিষয়টি নিষিদ্ধ হলেও অন্যান্য অনেক দেশেই এখনও ট্রফি-হান্টিং অর্থাৎ টাকার বিনিময়ে শিকার হয়ে থাকে। তথ্য বলছে, এর জন্য গত এক দশকে প্রতি তিন মিনিটে বিশ্বের কোথাও না কোথাও এক জন পশুর হত্যা হয়েছে। গত কয়েক বছরে ১.৭ মিলিয়নেরও বেশি পশু এই কারণে মারা গিয়েছে।

ডেইলি মেলে প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে,  এডুয়ার্ডো গনক্লেভস (Eduardo Goncalves)-এর লেখা Trophy Leaks: Top Hunters And Industry Secrets-এ ট্রফি হান্টিং নিয়ে একাধিক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বইটিতে লেখক এলিট ক্লাস ও তার সঙ্গে এই ইন্ডাস্ট্রির সম্পর্কও তুলে ধরেছেন।

শুধু ট্রফি হান্টিং ও পশু হত্যার হিসেবেই থেমে থাকেননি Trophy Leaks: Top Hunters And Industry Secrets বইটির লেখক। ট্রফি হান্টিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা (Cyril Ramaphosa)-র ভূমিকা, তাঁর এই ইন্ডাস্ট্রি থেকে টাকা রোজগার, বিভিন্ন দুর্লভ প্রজাতির পশুদের বিক্রি করে সেখান থেকে টাকা নেওয়া-সহ একাধিক বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেছেন।

বইটিতে বলা হয়েছে, African Big 5 নামে একটি অ্যাওয়ার্ড ফাংশন অনুষ্ঠিত হয়। যা সাদা বা কালো গণ্ডার, লেপার্ড, সিংহ, মোষ ও হাতি মারলে পাওয়া যায়। এই অ্যাওয়ার্ডটি এখনও পর্যন্ত সেখানকার প্রায় ৮০০ জন পশুশিকারি পেয়েছেন। গনক্লেভস বইটিতে লেখেন, কিছু দিন পরে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম ভেবে অবাক হবে যে, কী ভাবে বিশ্বের বিরল প্রজাতির পশুদের টাকার মেরে ফেলার অনুমতি দেওয়া হল!

গনক্লেভস জানান, শুধু আফ্রিকা নয়, এই পশু শিকার ও তার সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, ছাল বেচে রোজগার করা আয়ের অন্যতম একটা উৎস এবং এটা সারা বিশ্বে একটা চেইনের মতো করে চলছে। এর একটা বিরাট বড় ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বড় বড় জন্তুদেরই বেশি করে টার্গেট করে তারা।

বইতে গনক্লেভস আরও একটি নতুন তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে Hogpocalypse Now বলে একটি নতুন ট্রেন্ড চালু হয়েছে, যেখানে হেলিকপ্টার থেকে ওপেন ফায়ার করে বন্য পশুদের শিকার করা যায়। এমনকি টেক্সাসের একটি কোম্পানি এই Hogpocalypse Now-এর অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনও দেয়।

গনক্লেভস ব্যান ট্রফি হান্টিং বলে একটি ক্যাম্পেইন শুরু করছেন। যাতে মানুষকে বোঝানো যায়, কী চলছে এই পশুদের সঙ্গে এবং কী ভাবে এখান থেকে টাকা রোজগার করা হচ্ছে। যাতে তারাও সচেতন হয়ে আশপাশের মানুষকে সচেতন করতে পারে। এই ক্যাম্পেনে তিনি লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিওর (Leonardo DiCaprio) মতো মানুষকেও পাশে পেয়েছেন।

Published by: Akash Misra
First published: December 30, 2020, 6:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर