• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • করোনাকালে ধুঁকছে সার্কাস, দলের সবাইকে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন জোকার!

করোনাকালে ধুঁকছে সার্কাস, দলের সবাইকে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন জোকার!

চলতি মাস থেকে আবার সার্কাসের তাঁবু সেজে উঠেছে দর্শকসমাগমের জন্য। প্রতিকূল পরিস্থিতি পেরিয়ে আবার যে খেলা শুরু হচ্ছে, এ ব্যাপারটা যেন বিশ্বাসই করা যায় না!

চলতি মাস থেকে আবার সার্কাসের তাঁবু সেজে উঠেছে দর্শকসমাগমের জন্য। প্রতিকূল পরিস্থিতি পেরিয়ে আবার যে খেলা শুরু হচ্ছে, এ ব্যাপারটা যেন বিশ্বাসই করা যায় না!

চলতি মাস থেকে আবার সার্কাসের তাঁবু সেজে উঠেছে দর্শকসমাগমের জন্য। প্রতিকূল পরিস্থিতি পেরিয়ে আবার যে খেলা শুরু হচ্ছে, এ ব্যাপারটা যেন বিশ্বাসই করা যায় না!

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: এক সময়ে রীতিমতো জনপ্রিয় ছিল দেশে শীতকালীন বিনোদনের এই মাধ্যম। ছিল বলার কারণ একটাই- বর্তমানে কিছুটা হলেও লোপ পেয়েছে সার্কাস দেখার চাহিদা। বন্যপ্রাণ আন্দোলনের সূত্রে হালফিলে সার্কাসে বাঘ, সিংহ, জলহস্তী বা হাতির মতো চতুষ্পদদের দেখা মেলে না। কাকাতুয়ার সাইকেল চালানো, কুকুরের আগুনের রিংয়ের মধ্যে দিয়ে ঝাঁপ দেওয়া- এসব খেলার পাটও তুলে দিতে হয়েছে। সার্কাস এখন তাই এসে ঠেকেছে শুধুই মানুষের কৃৎকৌশলে। টিকিট বিক্রি তাই বড়সড় এক চ্যালেঞ্জ! সেই চ্যালেঞ্জকেই আরও কঠিন করে তুলেছে করোনাভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণ। দেশের নানা সিনেমা হলগুলোকেও যেখানে রীতিমতো ঝুঁকির ব্যবসা নিতে হচ্ছে, সেখানে সার্কাস কতটা দর্শক টানতে পারবে?

র‌্যাম্বো সার্কাসের ক্ষেত্রেও এই সন্দেহটা ছিল। কিন্তু সঙ্গে ছিলেন জোকার বিজু। তাই অনেকটা হলেও হতাশার সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম হয়েছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই সার্কাস। চলতি মাস থেকে আবার সার্কাসের তাঁবু সেজে উঠেছে দর্শকসমাগমের জন্য। প্রতিকূল পরিস্থিতি পেরিয়ে আবার যে খেলা শুরু হচ্ছে, এ ব্যাপারটা যেন বিশ্বাসই করা যায় না! বিশ্বাস একমাত্র তখনই হল, যখন মুখে রং আর গায়ে জোকারের সাজ উঠল, সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন বিজু।

বিজু বলেছেন যে গত বছরের মার্চ থেকে দেশের আরও অনেকের মতো এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁদের। অনেকেই বাড়ি চলে গিয়েছিলেন, অনেকের বাড়ি থেকে আসা অসুস্থতার খবর পরিবেশকে ভারাক্রান্ত করে তুলেছিল। সেই সময়ে নিজের সাধ্যমতো সবার মন ভালো রাখার চেষ্টা করতেন বিজু নিজেদের মধ্যেই খেলা দেখিয়ে, সেটা তিনি বলেছেন সংবাদমাধ্যমকে।

এই ব্যাপারটা খুব সম্ভবত দিশার আলো দেখায় সার্কাসের মালিক সুজিত দিলীপকে। তিনি বিজুকে ডেকে দলের সবাইকে অনুশীলন করানোর ভার দেন বলে জানা গিয়েছে। এর পর আর দেরি করেননি তিনি। দলের যে কয়েকজন বাড়ি ফেরেননি, তাঁদের একজোট করে পুরোদমে দিনের পর দিন অনুশীলন চালিয়ে যেতে থাকেন বিজু। তিনি বলছেন যে এই ব্যাপারটা অনেকটা হলেও তাঁদের মন ভালো রাখতে সাহায্য করেছে, শারীরিক দিক থেকেও তাঁদের ফিট রেখেছে করোনাকালে।

বিজুর কথা যে ভুল নয় তার প্রমাণ এই সার্কাসের অনলাইন শো। বিচক্ষণের মতো করোনাকালে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দেখানো হয়েছে লাইফ ইজ আ সার্কাস নামের ভার্চুয়াল শো। র‌্যাম্বো সার্কাসের মালিক সুজিত দিলীপ জানিয়েছেন যে বুক মাই শো-তে বছরের সব চেয়ে বেশি টিকিট বিক্রি হওয়া ভার্চুয়াল শো ছিল এটাই! তিনি আরও জানিয়েছেন যে দলের অন্য শিল্পীদের ফিরে আসার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। তাঁরা যত দিন না ফিরছেন, অন্য সার্কাসের কলাকুশলীরা র‌্যাম্বো সার্কাসের সঙ্গে খেলা দেখাবেন।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: