দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

''খাটের সঙ্গে বেঁধে মারধর, চোখের পাতা ফেললেই ইলেকট্রিক শক দিত চিনা সেনা '' অরুণাচলে অপহৃতের জবানি

''খাটের সঙ্গে বেঁধে মারধর, চোখের পাতা ফেললেই ইলেকট্রিক শক দিত চিনা সেনা '' অরুণাচলে অপহৃতের জবানি

কীভাবে চিনা সেনা অত্যাচার করত ? অরুণাচলে অপহৃতের জবানি

  • Share this:

#অরুণাচল: ২১ বছরের টোগলে সিংকাম, ইন্দো-চায়না সীমান্তের কাছে টাকসিং অঞ্চলের বসিন্দা! অরুণাচলের আপার সুবর্ণসিড়ি এলাকায় কুলির কাজ করে পেট চালান! পাশাপাশি, সরকার ও সেনাবাহিনীর  হয়ে প্রত্যন্ত এলাকায় মালপত্রও বহন করেন, এতে বাড়তি কিছু টাকা রোজগার হয়!

১৯ মার্চ একটি সেনা ঘাঁটিতে মাল পৌঁছে দেওয়ার পর শিকারের খোঁজে সুবর্ণসিড়ি এলাকার জঙ্গলে যান সিংকাম ও তাঁর ৪ সঙ্গী । ভুল করে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে তাঁরা চিনে ঢুকে পড়েন। নিমেষের মধ্যে সিংকাম-সহ ৫ জনকেই বন্দি করে নেয় Chinese People's Liberation Army (PLA)। তবে স্থানীয়দের দাবি, চিনা সেনা তাঁদের অপহরণ করে। চিনের সঙ্গে আলোচনা করে ৫ যুবককে ফেরাতে দিন ১৫ সময় লেগেছিল ভারতীয় সেনার। শনিবার সকাল সাড়ে ন’‌টায় হস্তান্তরের একঘণ্টা পর সীমানা পেরিয়ে দেশের মাটিতে পা রাখেন সিংকম ও তাঁর ৪ সঙ্গী।

টোগলের দাবি, '' ১৯ মার্চ আমি ভারতেই ছিলাম। ওই অঞ্চলে নিয়মিত শিকারে চাই। সেদিন আমি সীমান্ত পার হয়ে যাইনি, চিনা সেনাই আমায় অপহরণ করে নিয়ে যায়। আমি পালাতে পারিনি, কারণ ওরা সংখ্যায় অনেকে ছিল।'' টোগলে আরও জানান, '' আমায় জোর করে মাটিতে বসিয়ে, হাত পিছমোড়া করে গলার পিছনে বেঁধে দেয়। এরপর মুখ ঢেকে অপহরণ করে। যখন চোখ খুললাম, দেখি আমি চিনা ক্যাম্পর। আমায় একটা খাটের সঙ্গে বেঁধে বেধরক মারধর করত। মুখে কাপড় বেঁধে অন্য একটি জায়গায় নিয়ে ফিয়ে ফের চলত বেধরক মারধর।''

অকথ্য অত্যাচারের ওই ১৫ দিন কোনওদিন ভুলতে পারবেন না টোগলে, তাঁর কথায়, ' ১৫ দিন আমায় একটা ঘুটঘুটে অন্ধকার ঘরে চেয়ারে বসিয়ে রাখা হত। এক সেকেন্ডের জন্যও চোখ বন্ধ করতে দেয়নি। দড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা, সারাদিন বেধরক মার, লাথি, চড়-থাপ্পড় চলত। চোখের পলক পড়লেই ইলেকট্রিক শক দিত। আমায় দিয়ে বলানোর চেষ্টা চলছিল , আমি ভারতীয় গুপ্তচর।''

টোগলে জানান, তাঁকে প্যাকেটজাত খাবার দেওয়া হত। বাথরুম যাওয়ার জন্যও উঠতে দেওয়া হত না! দু হাত চেয়ারের সঙ্গে বাঁধা । তাছাড়া, সীমান্তে ভারতের এলাকা কোন জায়গা থেকে, সেটা চিহ্নিত করার জন্য স্থানীয়রা যে বোর্ড লাগান তাতে টোগলের ভূমিকা কী, সেটা বোঝার চেষ্টা করছিল চিনা সেনা। ওই বোর্ডের সঙ্গে তাঁর হাতের লেখা মিলিয়ে দেখা হয় বলেও তাঁর দাবি।

Published by: Rukmini Mazumder
First published: September 16, 2020, 4:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर