দিল্লি সীমান্তে 'এখনকার মতো' চালু হচ্ছে ইন্টারনেট পরিষেবা: পিটিআইকে জানালো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

দিল্লি সীমান্তে 'এখনকার মতো' চালু হচ্ছে ইন্টারনেট পরিষেবা: পিটিআইকে জানালো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
দিল্লির সীমান্তে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সময়কাল 'এখনকার মতো' আর বাড়ানো হবেনা, বুধবার দিন এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কর্মকর্তা।

দিল্লির সীমান্তে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সময়কাল 'এখনকার মতো' আর বাড়ানো হবেনা, বুধবার দিন এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কর্মকর্তা।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: আজ বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কর্মকর্তা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, দিল্লির সীমান্তে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সময়কাল 'এখনকার মতো' আর বাড়ানো হবেনা। মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র।নভেম্বর মাস থেকে শুরু হয়েছে কৃষক আন্দোলন। নয়া কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানের কৃষকেরা একত্রিত হয়ে দিল্লি সীমান্তে তাঁদের বিক্ষোভ জারি রেখেছে। কেন্দ্রের সঙ্গে বহু দফার বৈঠকে কোনও সুফল মেলেনি। কৃষকেরা তাঁদের দাবি থেকে নড়বে না বলে সাফ জানিয়েছেন। তাঁদের সুবিধার্থে, সীমান্তে ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু করা হএছিল। কিন্তু দিল্লির তিনটি সীমান্ত সিঙ্ঘু, টিকরি এবং গাজীপুরে ইন্টারনেট স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিল কেন্দ্র। ২৯ জানুয়ারি রাত ১১টা থেকে ৩১ জানুয়ারি রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। পরে স্থগিত রাখার সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয় ২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা পর্যন্ত।মন্ত্রকের এক কর্মকর্তা বলেছিলেন যে, ২০১৭ সালের টেলিকম সার্ভিস (পাবলিক ইমার্জেন্সি বা পাবলিক সুরক্ষা) বিধি অনুযায়ী ইন্টারনেট পরিষেবা অস্থায়ী ভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কারণ, এর সঙ্গে দেশের জনগণের নিরাপত্তা এবং জনসাধারণের জরুরি অবস্থা এড়ানোর বিষয়টি জড়িয়ে রয়েছে।


    কিন্তু আজ বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দিল্লি সীমান্তে ইন্টারনেট স্থগিত রাখার বিষয়টি তুলে নেওয়া হয়েছে।কৃষক আন্দোলন নিয়ে সারা দেশে এখন টানটান উত্তেজনা। প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে সহিংস বিক্ষোভের ফলে শতাধিক পুলিশ, মহিলা সহ সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় সারা দেশের মানুষ এখন ক্ষুদ্ধ।

    Published by:Somosree Das
    First published: