Kashi Vishwanath Temple Under Mosque: বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙেই কী মসজিদ নির্মাণ? পর্যবেক্ষণের পর যা নির্দেশ দিল আদালত...

Kashi Vishwanath Temple Under Mosque: বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙেই কী মসজিদ নির্মাণ? পর্যবেক্ষণের পর যা নির্দেশ দিল আদালত...

কাশী বিশ্বনাথ মন্দির এবং জ্ঞানবাপি মসজিদের অবস্থান নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ফাইল ছবি।

কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Vishwanath Temple) এবং জ্ঞানবাপি মসজিদের (Gyanvapi Mosque) অবস্থান নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

  • Share this:

    #বারানসীঃ বাবরি মসজিদ (Babri Mosque) বিতর্কের অবসান হয়েছে। অযোধ্যায় বিতর্কিত ধর্মীয় স্থানে হিন্দু মন্দির (Hindi Temple) বানানোর পক্ষেই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের বেঞ্চ সর্বসম্মত রায়ে বলেছে, অযোধ্যার ২.৭৭ একর জমি নিয়ে বিতর্ক ছিল, সেখানে রামমন্দিরই হবে। পাশাপাশি, মুসলিমদের মসজিদের জন্য ৫ একর জমি দেওয়ার নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। রাম মন্দিরের নির্মাণ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এ বারে সহস্রাব্দ প্রাচীন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Vishwanath Temple) এবং জ্ঞানবাপি মসজিদের (Gyanvapi Mosque) অবস্থান নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    স্থানীয় এক আইনজীবী বছর তিরিশেক আগে একটি পিটিশন দায়ের করেন। পিটিশনে দাবি করেন, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব ১৯৬৪ সালে দু'‌হাজার বছরেরও পুরনো কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের একটি অংশ দখল করে নেন। তারপর সেখানে এই জ্ঞানবাপি মসজিদ গড়ে তোলেন। যদিও জ্ঞানবাপি মসজিদ (Gyanvapi Mosque) কমিটি এই আবেদনের বিরোধিতা করে। প্রায় তিন দশকের পুরনো পিটিশনের ভিত্তিতে একটি মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে (Archaeological Survey of India) মসজিদের প্রত্নতাত্ত্বিক পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে বারানসী আদালত। জ্ঞানবাপি মসজিদ, বিশ্বনাথ মন্দিরের অংশ ভেঙে তৈরি হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখবে ASI-র প্রতিনিধি দল। আদালত নির্দেশে জানিয়েছে, এলাকা জরিপের ব্যয়ভার সম্পূর্ণভাবে বহন করবে উত্তরপ্রদেশ সরকার।

    এ দিনের রায়ে এএসআই–এর ডিরেক্টর জেনারেলকে একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই কমিটি গঠন করতে হবে মূলত প্রত্নতাত্ত্বিকদের নিয়েই এবং তাঁদের মধ্যে দু’‌জনকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হতে হবে। কমিটি কী কাজ করছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য পর্যবেক্ষক পদে একজন শিক্ষাবিদকে নিয়োগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কী কী বিষয় নিয়ে কাজ করবে পাঁচ সদস্যের কমিটি, তাও জানিয়েছে বারানসী আদালত।

    এই প্রসঙ্গে সর্বভারতীয় মুসলিম পার্সোনাল ল’‌বোর্ডের সদস্য আর সামসদ বলেন, ১৯৯১ সালে উপাসনাস্থল সংক্রান্ত যে আইন পাশ হয়েছে তাঁর ভিত্তিতেই এই পিটিশন বাতিল করে দেওয়া উচিত। এ দিকে, এ দিন স্থানীয় আদালতে রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই উত্তর প্রদেশের সুন্নি কেন্দ্রীয় ওয়াকফ বোর্ড রায়ের বিরোধিতা করে এলাহাবাদ হাইকোর্টে (Allahabad High Court) যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: