Assam CM Himanta Biswa Sarma: অসমের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, শপথগ্রহণ সোমবার

এক ফ্রেমে অসমের প্রাক্তন ও ভাবী মুখ্যমন্ত্রী। সর্বানন্দ সোনওয়াল ও হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

রবিবার গুয়াহাটিতে বিজেপির পরিষদীয় বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সর্বানন্দ সোনওয়ালের পরিবর্তে তাঁর নামই উঠে এসছে।

  • Share this:

    #গুয়াহাটি: অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাই পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। রবিবার গুয়াহাটিতে বিজেপির পরিষদীয় বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সর্বানন্দ সোনওয়ালের পরিবর্তে তাঁর নামই উঠে এসছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার, অসমে বিজেপির পার্টি মুখ্য বৈজয়ন্ত পাণ্ডা।  এদিন হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে অসমের ঐতিহ্যশালী উত্তরীয় দিয়ে বরণ করে নেন সর্বানন্দ সোনওয়াল, অরুণ সিংরা।

    গত রবিবারই সর্বানন্দ সোনওয়াল অসমের রাজ্যপাল জগদীশ মুখীর কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। কিন্তু প্রথা মেনেই রাজ্যপাল তাঁকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব গরহণ না করা পর্যন্ত। সূত্রের খবর সোমবারই শপথগ্রহণ করবেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

    বাংলায় মুখরক্ষা না হলেও অসমে দ্বিতীয় বারের জন্য সরকার গড়া নিশ্চিত করতে পেরেছে বিজেপি। কিন্তু সেখান থেকেই প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়, এবার তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে? সমাধানসূত্র খুঁজতে আসরে নামেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। দিল্লির সদর দফতরে হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও সর্বানন্দ সোনওয়াল সঙ্গে বৈঠকও করেন নাড্ডা। সেখানে হাজির ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিএল সন্তোষ-রাও।

    অসমে বিধানসভার লড়াই ছিল ১২৬টি আসনের। লড়াইয়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোটকে অনেকটাই পিছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে যায় বিজেপি। কংগ্রেসের ঝুলিতে ছিল ৫০ টি আসন। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ পায় ৭৫ টি আসন। মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে তাই নিয়ে আলোচনা অবশ্য চলছিল নির্বাচনের আগে থেকেই।

    হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে দিল্লির নেতাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ, সাংগঠনিক ভাবেও তিনি অত্যন্ত পারঙ্গম, ফলে পাল্লা ভারি ছিল তাঁর দিকেই। বিজেপি অবশ্য অনেকটা বাংলার সুরেই বলে এসছিল মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে নির্বাচনের পরে।

    অতীতে কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগ দিলেও ভাবমূর্তি এতটুকুও টোল খায়নি। বরং করোনার সময়ে অসমবাসী যে ভাবে তাঁকে পাশে পেয়েছে তাতে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়েছে। তাঁর সাংগঠনিক ক্ষমতার জেরে গোটা উত্তর পূর্ব ভারতেই ক্ষমতা বেড়েছে বিজেপির। ফলে অমিত শাহ-নরেন্দ্র মোদির গুডবুকে রয়েছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এবার তারই ডিভিডেন্ট পেতে চলেছেন তিনি।

    Published by:Arka Deb
    First published: