corona virus btn
corona virus btn
Loading

তাঁর জন্যই দ্রুত রাফাল পেল ভারত, কাশ্মীরে নায়কের মর্যাদা পাচ্ছেন বায়ুসেনার এই অফিসার

তাঁর জন্যই দ্রুত রাফাল পেল ভারত, কাশ্মীরে নায়কের মর্যাদা পাচ্ছেন বায়ুসেনার এই অফিসার
হিলাল আহমেদ রাঠের৷

কোনও দুর্ঘটনা ছাড়াই নিজের কর্মজীবনে প্রায় ৩০০০ ঘণ্টা মিগ ২১, মিরাজ, কিরনের মতো যুদ্ধবিমান উড়িয়েছেন তিনি৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ২০১৬ সালে ফ্রান্সের সঙ্গে রাফাল কেনার চুক্তি হয়েছিল ফ্রান্সের৷ চার বছরের মধ্যেই দেশে চলে আসছে প্রথম পর্যায়ের পাঁচটি রাফাল৷ সময়মতো বায়ুসেনার হাতে যে রাফাল এসে পৌঁছচ্ছে, তার একটা বড় কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে বায়ুসেনার এয়ার কমোডোর হিলাল আহমেদ রাঠেরকে৷ কাশ্মীরের বাসিন্দা এই বায়ুসেনা অফিসার ফ্রান্সে ভারতের এয়ার অ্যাটাশে হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন৷ গত একবছর ধরে নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে আগাগোড়া সমন্বয় রক্ষা করে সময়মতো রাফালের সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন রাঠের৷ ভারতীয় বায়ুসেনার প্রথম অফিসার হিসেবে রাফাল ওড়ানোর কৃতিত্বও রয়েছে তাঁর৷ এই সমস্ত তথ্য সামনে আসার পর থেকেই কাশ্মীরের অনন্তনাগে রীতিমতো নায়কের মর্যাদা পাচ্ছেন রাঠের৷ এলাকার বাসিন্দারা ভারতীয় বায়ুসেনার এই অফিসারকে নিয়ে গর্বিত৷

ভারতীয় পরিবেশের জন্য রাফালে কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করলে তা আরও কার্যকরী হবে, তা নিয়ে নির্মাণকারী সংস্থার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ দিয়েছেন রাঠের৷ পাশাপাশি, ভারতের হাতে আসা রাফালগুলিতে অন্তত ১৩টি নতুন ক্ষমতা যোগ করার ক্ষেত্রেও প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট টিমের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করার দায়িত্ব সামলেছেন তিনি৷ পাশাপাশি রাফাল ওড়ানো ও তাতে জ্বালানি ভরার জন্য ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট এবং টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণও চলেছে তাঁর নজরদারিতে৷

বায়ুসেনার পাইলট হিসেবে রাঠেরের কর্মজীবনের রেকর্ডও রীতিমতো ঈর্ষণীয়৷ কোনও দুর্ঘটনা ছাড়াই নিজের কর্মজীবনে প্রায় ৩০০০ ঘণ্টা মিগ ২১, মিরাজ, কিরনের মতো যুদ্ধবিমান উড়িয়েছেন তিনি৷

মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মানো রাঠেরের বাবা মহম্মদ আবদুল্লা রাঠের জম্মু কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি ছিলেন৷ জম্মুর নাগরোটার সৈনিক স্কুলে পড়াশোনা করেন রাঠের৷ ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েট হন রাঠের৷ আমেরিকার এয়ার ওয়ার কলেজ থেকেও ডিসটিংশন নিয়ে গ্র্যাজুয়েট হন রাঠের৷ ১৯৮৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট হিসেবে নিযুক্ত হন রাঠের৷ ১৯৯৩ সালে তিনি ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হন৷ ২০০৪ সালে উইং কমান্ডার পদে উন্নীত হন রাঠের৷ ২০১৬ সালে হন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এবং ২০১৯ সালে এয়ার কমোডোর হন বায়ুসেনার এই অফিসার৷ বায়ু সেনা পদক এবং বিশিষ্ট সেবা পদক দিয়েও রাঠেরকে সম্মানিত করেছে সরকার৷ এবার ভারতীয় বায়ুসেনার ইতিহাসে নতুন পালক হিসেবে যুক্ত হওয়ার রাফালের সঙ্গেও চিরকালের মতো রাঠেরের নামও জড়িয়ে গেল৷

রাঠেরের পরিবারের এক সদস্য একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিককে জানিয়েছেন, 'রাঠের যখন ১৯৮৮ সালে বায়ুসেনার পাইলট নিযুক্ত হন, সেই সময় তাঁর বাবা কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি ছিলেন৷ মাঝেমধ্যেই তাঁদের পরিবারকে হুমকির মুখে পড়তে হত৷ অন্য অনেকেই তাঁদের নিজেদের বিলাসবহুল বাংলোতে ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠান করত৷ কিন্তু নিরাপত্তার কারণে ১৯৯৩ সালে বিয়ের দু' দিন আগে রাঠেরের পরিবার দু' কামরার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে বাধ্য হয়৷'

রাঠেরর পাশাপাশি আরও একজনকে ভারতের হাতে দ্রুত রাফাল এসে পৌঁছনোর কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে৷ তিনি হলেন ফ্রান্সে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জাভেদ আসরফ৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: July 29, 2020, 4:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर