• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • HIGH COURT UPHOLDS DIVORCE OF MAN WHO LOST 21KG AFTER MARRIAGE TC SANJ

Divorce Case On Weight Loss : বিয়ের পরে স্বামীর ওজন কমল ২১ কেজি! স্ত্রীর ডিভোর্সের মামলায় যা বলল আদালত...

হরিয়ানা-পঞ্জাব আদালত Photo : Representative Image

Divorce Case High Court : জনৈক স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদের আর্জি জানিয়ে দ্বারস্থ হয়েছিলেন হিসার পারিবারিক আদালতের, সময় ২০১৯ সাল।

  • Share this:

#চণ্ডীগড়: বৈবাহিক অত্যাচার সংক্রান্ত অনেকগুলো আইন কেবল নারীর সুরক্ষায় নিবেদিত, এই অভিযোগ সমাজের বড় অংশের পুরুষদের অনেক দিন ধরেই! এও বলা হয় যে সেই আইনের বজ্র আঁটুনির ফস্কা গেরোর সুযোগ নিয়ে অনেক মহিলা স্বামীর উপরে অত্যাচার চালিয়েও পার পেয়ে যান। পঞ্জাবের হিসারেও তেমনটাই হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে সম্প্রতি। জনৈক স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদের (Divorce Case On Weight Loss) আর্জি জানিয়ে দ্বারস্থ হয়েছিলেন হিসার পারিবারিক আদালতের (Family Court), সময় ২০১৯ সাল। মহিলার অভিযোগ ছিল বিয়ের অব্যবহিত পর থেকেই পারিবারিক অত্যাচারের শিকার হয়েছেন তিনি! কিন্তু পঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাই কোর্টের (Punjab and Haryana High Court) রায়ে সত্য উদঘাটন হল বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন : ফাঁকা বিমানে যা কাণ্ড করলেন বিমানসেবিকা! ভিডিও তুমুল ভাইরাল

জানা গিয়েছে যে পঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাই কোর্টের (Punjab and Haryana High Court) বিচারক ঋতু বহরি এবং বিচারক অর্চনা পুরির ডিভিশন বেঞ্চ ওই মহিলার হিসার পারিবারিক আদালতে দায়ের করা বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় (Divorce Case On Weight Loss) স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। বহরি এবং পুরির মতে এই মামলায় পারিবারিক অত্যাচারের (Divorce Case On Weight Loss) শিকার ওই স্ত্রী হননি, বরং এক্ষেত্রে সব দিক থেকেই অপরাধের কাঠগড়ায় তিনি দাঁড় করিয়েছেন স্বামীকে। এই দুই বিচারক তাঁদের রায়ে দ্ব্যর্থহীন ভাবে জানিয়েছেন যে ওই মহিলা শিক্ষিতা হওয়ার কারণে আইন সম্পর্কে ভালো ভাবেই সব কিছু জানেন এবং সেই কারণেই তিনি আইনকে নিজের স্বপক্ষে ব্যবহার করে স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছিলেন।

আরও পড়ুন : 'প্লিজ সাপ তুমি চলে যাও', মহিলার অনুরোধ শুনে বিষধর গোখরো যা করল!

কেন এমন রায়, সেই প্রসঙ্গেও সবটুকু ব্যাখ্যা করেছে পঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাই কোর্ট। জানা গিয়েছে যে ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে হিসারের এই ব্যাঙ্ককর্মীর সঙ্গে এই স্কুলশিক্ষিকার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তিনি কথায় কথায় শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে অপদস্থ করতেন, যদিও তাঁর শুভবুদ্ধির উদয় হবে আশা করে স্বামী কোনও দিনই কিছু বলেননি। এরই মাঝে তাঁদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু ওই মহিলা ২০১৬ সালে স্বামী এবং কন্যাকে ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যান। এর পর ২০১৯ সালে তিনি হিসার পারিবারিক আদালতে পারিবারিক অত্যাচারের অভিযোগে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন।

বিচারক বহরি এবং পুরি জানিয়েছেন যে ক্রমাগত কোণঠাসা হতে হতে যখন ওই স্বামী ন্যায়বিচারের আশায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন, তখন তাঁর শারীরিক অবস্থার চোখে পড়ার মতো অবনতি হয়েছে। জানা গিয়েছে যে বিয়ের সময়ে তাঁর শারীরিক ওজন ছিল ৭৪ কেজি, কিন্তু তা এসে ঠেকেছে ৫৩ ঠেকেছে, ২১ কেজি ওজন হ্রাস হয়েছে তাঁর, যার প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক স্বাস্থ্যে। ওই ব্যাঙ্ককর্মী ৫০ শতাংশ শ্রবণশক্তি হারিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে, হাই কোর্টের বক্তব্য মতো তিনি এখন হিয়ারিং এইড ব্যবহার করতে বাধ্য হন! তার পরেও তিনি কন্যার যত্নে সমধিক তৎপর, অথচ মা সন্তানের কোনও খোঁজই রাখেননি বাড়ি ছেড়ে আসার পরে! সব মিলিয়ে, হাই কোর্ট পারিবারিক আদালতের রায়কে যথাযথ বলে মেনে না নিয়ে মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে।

Published by:Sanjukta Sarkar
First published: