corona virus btn
corona virus btn
Loading

৭৬ বছর ধরে শুধুই হাওয়া খেয়ে বেঁচে ছিলেন! প্রয়াত যোগগুরু রহস্যময় চুনরিওয়ালা মাতাজি

৭৬ বছর ধরে শুধুই হাওয়া খেয়ে বেঁচে ছিলেন! প্রয়াত যোগগুরু রহস্যময় চুনরিওয়ালা মাতাজি
সংগৃহীত ছবি

মঙ্গলবার সকালে গুজরাতের গান্ধিনগরের চারাদা গ্রামে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি । মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯০ বছর ।

  • Share this:

#আহমেদাবাদ: ৭৬ বছর স্রেফ হাওয়া খেয়ে বেঁচে ছিলেন । প্রয়াত যোগ গুরু প্রহ্লাদ জানি ওরফে চুনরিওয়ালা মাতাজি । মঙ্গলবার সকালে গুজরাতের গান্ধিনগরের চারাদা গ্রামে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি । মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯০ বছর ।

আহমেদাবাদ থেকে ২০০কিমি দূরে আম্বাজিতে বাস করতেন চুনরিওয়ালা মাতাজি । অম্বাজি মন্দিরের কাছে একটি ছোট্ট গুহা তৈরি করে সেখানেই থাকেন। পরবর্তীকালে যোগী হিসেবে যথেষ্ট খ্যাতি । দেবী অম্বার ভক্ত হওয়ায় তিনি লাল শাড়ি পরতেন । মহিলাদের মতো ছিল সাজ । কপালে লাল টিপ । চওড়া সিঁথি ভর্তি সিঁদুর । গলায় কানে ভারী গয়না । লাল ওড়না থাকত সর্বদা, আর তাই তিনি পরিচিত ছিলেন চুনরিওয়ালা মাতাজি নামে ।

মাতাজির ভক্তেরা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে । মাতাজি দাবি করেন, মাত্র ১১ বছর বয়স থেকে তিনি দেবী আম্বার ভক্ত এবং দেবী আম্বা-ই নাকি তাঁকে না খেয়ে থাকার অতিমানবীয় ক্ষমতা দিয়েছেন । তিনি দাবি করেন, ১৯৪০ সাল থেকে শেষ দিন পর্যন্ত এক দানা খাবার বা এক ফোঁটা জল তিনি মুখে তোলেননি । এমনকি ২০০৩ সালে ২১ জন মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞ বোর্ড গঠন করে ধারাবাহিক কিছু নিরীক্ষা চালিয়েছিল চুনরিওয়ালা মাতাজির শরীরে । কিন্তু তাঁরা মাতাজির না খেয়ে বেঁচে থাকার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেননি।

এরপর এপিজে আবদুল কালাম রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন, ২০১০ সালে, দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (ডিআরডিও) ও কেন্দ্রীয় সরকারি গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা টানা ১৫ দিন ধরে নজরদারি চালিয়েছিলেন প্রহ্লাদের ওপর । এমআরআই , আল্ট্রাসোনোগ্রাফি , এক্স-রে অনেক কিছু করা হয়েছে। সূর্যের আলোয় টানা বসিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে তাঁর শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন। তাঁর শরীর থেকে রক্ত নিয়ে মাপা হয়েছে লেপটিনের পরিমাণ । কারণ এই মাস্টার হরমোন লেপটিনই নিয়ন্ত্রণ করে দেহের ওজন। কিন্তু সব মিলিয়ে রহস্যভেদ হয়নি ।

চুনরিওয়ালা মাতাজি দাবি, স্রেফ হাওয়া খেয়ে ৭০ বছর ধরে তিনি রয়েছেন। শুধুমাত্র নিয়মিত যোগাসন করেন । তাতেই নাকি ‘ফিট’ তিনি । মা অম্বার কৃপায় তিনি এ ভাবেই জীবনের এতগুলো দিন পার করে দিয়েছেন। মাত্র ১৮ বছরের বয়সেই নাকি ঠিক করে নিয়েছিলেন, জীবনটা অন্য রকম ভাবেই কাটাবেন। তখন থেকেই শুরু হয় যোগাসন এবং বায়ু-সাধনা।

মাতাজির ভক্তেরা জানিয়েছে, দিন কয়েক আগে মাতাজি তাঁর নিজের জন্মভিটেতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন । তখনই তাঁকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় । এরপর সেখানেই আজ সকালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি । তাঁর মরদেহ আগামী দু'দিন আশ্রমে রাখা থাকবে ভক্তদের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য । এরপর আশ্রমেই তাঁকে সমাধিস্ত করা হবে ।

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 26, 2020, 6:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर