corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘এই টাকা আমার নয়’, ইটিভিকে দেওয়া EXCLUSIVE সাক্ষাৎকারে জানালেন ১৩,৮৬০ কোটি কালো টাকার মালিক

‘এই টাকা আমার নয়’, ইটিভিকে দেওয়া EXCLUSIVE সাক্ষাৎকারে জানালেন ১৩,৮৬০ কোটি কালো টাকার মালিক

নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের পর দেশের কালো টাকার মালিকদের দিকে কড়া নজর দেশের ইনকাম ট্যাক্স অফিসারদের ৷

  • Share this:

#গুজরাট: নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের পর দেশের কালো টাকার মালিকদের দিকে কড়া নজর দেশের ইনকাম ট্যাক্স অফিসারদের ৷ কালো টাকা ধরতে যথন তখন তল্লাশি চালাচ্ছে আইটি অফিসারেরা ৷ এই তল্লাশি থেকেই আমেদাবাদে ধরা পড়ল দেশের সবচেয়ে বড় কালো টাকার মালিক ৷ আয়কর ভরার শেষদিন আয়কর বিভাগকে ফোন করে নিজের কালো সম্পত্তির কথা জানান এই ব্যক্তি ৷ কিন্তু শনিবার সম্পূর্ণ অন্য দাবি করেন আমেদাবাদের এই ব্যবসায়ী ৷

এদিন মহেশ শাহ নামে ওই ব্যক্তি জানান ১৩,৮৬০ কোটি টাকা তার নয় ৷ ইটিভি গুজরাটির স্টুডিওতে উপস্থিত মহেশ শাহ এক্সক্লুসিভ একটি সাক্ষাৎকারে  স্বীকার করেন যে তিনি আয়কর দফতরে কাছে এই টাকার কথা জানিয়েছিলেন ৷

মহেশ শাহ জানান, যে এই টাকা তার নয় ৷ কিন্তু পাশাপাশি এও বলেন যে এই টাকা আসলে কার সে বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না ৷ তিনি বলেন যে আমি জানাবো না এটা গুজরাট বা মহারাষ্ট্রের কোনও ব্যক্তির কি না ৷ তবে এটা অবশ্যই বলতে পারি যে এই টাকা এই দেশের মানুষেরই টাকা ৷ তিনি আরও জানান যে এই টাকা কোনও অপরাধির টাকা নয় ৷ এই টাকা নেতা, সরকারি আধিকারিক ও ব্যবসায়ীদের ৷

এদিন তিনি মিডিয়ার কাছে আবেদন জানিয়েছেন যে তার পরিবার ও বন্ধদের যাতে এর সঙ্গে জড়ানো না হয় ৷ এই টাকার সঙ্গে তার কোনও লেনদেন নেই বলেও তিনি দাবি করেছেন ৷ পাশাপাশি সরকারের কাছে তার পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন মহেশবাবু ৷ শনিবার সকাল থেকেই বলা হয় যে মহেশবাবু পলাতক  ৷ এই প্রসঙ্গে তিনি বলে যে তিনি কোথাও পালিয়ে যাননি ৷ তার স্ত্রী ক্যানসারে আক্রান্ত ৷ তাই ওনার চিকিৎসার জন্য তিনি বাইরে গিয়েছিলেন ৷

মহেশবাবু আরও জানান যে তিনি রিয়েল এস্টেটের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ৷ অথচ মিডিয়া তার ও তার পরিবার সম্বন্ধে বিভিন্ন রকমের অপবাদ দিয়ে এসেছে ৷ মিডিয়ার জন্য তার পরিবারকে অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে ৷

তবে তিনি এও স্বীকার করেছেন যে বেশ কিছু মানুষের কালো টাকাকে সাদা করার দায়িত্ব তিনি নিয়েছিলেন ৷ আর এই বিষয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের কিছু জানায়নি ৷ কেন আমি এরকম করতে বাধ্য হয়েছি তা আমি আয়কর বিভাগের আধিকারকদের জানাবো, বললেন মহেশবাবু ৷ সাক্ষাৎকারের সময় তিনি বারবার বলে যে সমস্ত সত্যি তিনি আয়কর আধিকারিকদের জানাবেন ৷

তিনি জানান, প্রথমে আমি সরকারকে ১৫৬০ কোটি টাকা দিতে রাজি ছিলাম ৷ কিন্তু আমার পরিবারের নিরাপত্তার গ্যারেন্টি চায় আমার ৷  যে ১৩৮৬০ কোটি টাকার কথা হচ্ছে তা আমার নয় বরং অন্য কোনও ব্যক্তির ৷ আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলেম ৷ তাই আয়কর বিভাগের কাছে যায়নি ৷ কমিশনের জন্য আমি কালো টাকাকে সাদা করতে রাজি হয়েছিলাম ৷

First published: December 3, 2016, 7:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर