মধ্যবিত্তের জন্য সুখবর ! বাড়ি ও ফ্ল্যাটের উপর জিএসটি কমল বিশাল হারে

representative image

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: যাঁরা ফ্ল্যাট বা বাড়ি কেনার কথা ভাবছেন, তাঁদের জন্য সুখবর! লোকসভা ভোটের আগেই মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যে থাকা ফ্ল্যাটের জিএসটি-র হার ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হল। এখানেই শেষ নয়! দামি ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রেও জিএসটি-র হার ১২ শতাংশ থেকে কমে হচ্ছে ৫ শতাংশ। একই সঙ্গে মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যে থাকা ফ্ল্যাটের সংজ্ঞাও বদলানো হয়েছে। ৪৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দামের ফ্ল্যাটকে এখন থেকে সাধ্যের মধ্যে থাকা ফ্ল্যাট হিসেবে ধরা হবে। মেট্রো শহরের ক্ষেত্রে তার মাপ হবে সর্বাধিক ৬০ বর্গমিটার। অন্যান্য শহরের ক্ষেত্রে ৯০ বর্গমিটার। তবে প্রোমোটারেরা কাঁচামালে মেটানো কর ফেরত বা ‘ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট’-এর সুবিধা পাবেন না। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

    ফ্ল্যাট-বাড়ির উপরে জিএসটি-র বোঝা কমলে ফ্ল্যাটের দাম কমবে বলে আশা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির । সে ক্ষেত্রে বিক্রির হার বাড়বে। নোট বাতিল এবং জিএসটি-র ধাক্কায় আবাসন ক্ষেত্র ধুঁকছিল। ফ্ল্যাটের বিক্রি বাড়লে এই ক্ষেত্র ফের গতী পাবে। মধ্যবিত্তকে এই সুরাহা পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। কেন্দ্রের প্রস্তাব ছিল, মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যে থাকা ফ্ল্যাটে জিএসটি-র হার ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হোক। কিন্তু অমিতবাবুর যুক্তি ছিল, এতে মধ্যবিত্ত ক্রেতার উপর বোঝা বাড়বে। কারণ আদতে এখনই ১ শতাংশ হারে জিএসটি চাপে। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে শতকরা ৭০ ভাগ ফ্ল্যাটের দাম ৪০ লক্ষ টাকার নীচে।

    একই ভাবে দামি ফ্ল্যাটে জিএসটি কমিয়ে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন অমিত। তিনি একে ৫ শতাংশে রাখার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। জিএসটি পরিষদের বৈঠকে অধিকাংশ রাজ্যের অর্থমন্ত্রীই অমিত মিত্রকে সমর্থন করেন। জেটলিও তাঁর যুক্তি মেনে নেন।

    তবে কাঁচামালে মেটানো কর বা ‘ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট’ -এর ছাড় তুলে দেওয়ার ফলে নগদে কারবার, কালো টাকার লেনদেন, হাওয়ালা লেনদেন আবার ফিরে আসতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অমিত মিত্র। তা ঠেকাতে একটি প্রস্তাব হল, আবাসন নির্মাতাদের ৮০ শতাংশ কাঁচামাল নথিভুক্ত ডিলারদের থেকে কিনতে হবে। কিন্তু তাতেও জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে অমিতের যুক্তি। জেটলিও তা মেনে নিয়েছেন। ঠিক হয়েছে, আমলাদের কমিটি আলোচনা করে ১০ মার্চের মধ্যে খসড়া বিধি তৈরি করবে। তার পরে ভিডিও কনফারেন্সে জিএসটি পরিষদের আলোচনায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

    অন্য ভিডিও দেখুন--সারা রাতের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কলকাতা, রাস্তার অবস্থা বেহাল

    First published: