• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • GROOM RUNS AWAY FROM HIS WEDDING FOR GIRLFRIEND WHILE BRIDE TIES KNOT WITH A GUEST IN KARNATAKA PBD TC

প্রেমিকা বিষ খাবে শুনেই বর পালাল বিয়ে ছেড়ে, কনে এক অতিথির গলায় মালা দিয়ে পাতল সংসার!

প্রেমিকা বিষ খাবে শুনেই বর পালাল বিয়ে ছেড়ে, কনে এক অতিথির গলায় মালা দিয়ে পাতল সংসার!

বিয়ের আগেই না কি নবীনের কাছে একটা ফোন আসে। সেই ফোনটি করেছিলেন তাঁর প্রেমিকা।

বিয়ের আগেই না কি নবীনের কাছে একটা ফোন আসে। সেই ফোনটি করেছিলেন তাঁর প্রেমিকা।

  • Share this:

#বেঙ্গালুরু: ভারতীয় সমাজে বিয়ে নিয়ে নানা রকমের প্রাচীনপন্থী সংস্কার বহু দিন ধরেই চলে আসছে। এর মধ্যে অন্যতম হল হবু কনের লগ্নভ্রষ্টা হওয়া! অর্থাৎ নির্ধারিত লগ্নে যদি কোনও কারণে তার বিয়ে না হয়, তা হলে সে সারা জীবনই বিয়ের অযোগ্য বলে পরিগণিত হবে। পণপ্রথার চাপে লগ্নভ্রষ্টা হওয়ার অপমান থেকে বাঁচতে দেশে অনেক মেয়েই অপছন্দের পুরুষের গলায় মালা দিতে বাধ্য হয়েছেন। কিন্তু সম্প্রতি যে ঘটনা ঘটল দেশের দক্ষিণাঞ্চলে, তার মধ্যে সামান্য হলেও অভিনবত্ব আছে বইকি!

ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের চিকামাগালুরুর তারিকেরে তালুকের এক গ্রামে। জানা গিয়েছে যে নবীনের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল সিন্ধুর। পাত্রপাত্রীর নিজেদের যেমন এই বিয়েতে মত ছিল, তেমনই সায় ছিল দুই পরিবারেরও। ফলে বেশ আনন্দের মধ্যে দিয়েই এগিয়ে চলেছিল সব আয়োজন। প্রাক-বিবাহের সব রীতিও মেনেছিলেন নবীন। নির্দিষ্ট দিনে সেজে উঠেছিল বিবাহমণ্ডপ, সপরিবারে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন নবীন আর সিন্ধু।

এরই মাঝে ঘটে যায় বিপর্যয়! বিয়ের আগেই না কী নবীনের কাছে একটা ফোন আসে। সেই ফোনটি করেছিলেন তাঁর প্রেমিকা। ওই মহিলা হুমকি দেন যে নবীন যদি সিন্ধুকে বিয়ে করেন, তা হলে তিনি বিষ খাবেন! পাশাপাশি, ওই মহিলা বিয়ে ছেড়ে নবীনকে তাঁর বাড়িতে চলে আসার জন্যও চাপ দেন!

মানসিক দোটানায় নবীন প্রেমিকার কথা মতেই কাজ করেন। সবার অলক্ষ্যে সুযোগ করে পালিয়ে যান বিয়ে ছেড়ে! নবীনের পরিবারের সদস্যরা এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে ছেলের কারও সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, এ কথা তাঁরা আগে থেকে জানতেন না!

যাই হোক, ঘটনাটি যথেষ্টই অস্বস্তির মধ্যে দেয় সিন্ধু এবং তাঁর পরিবারকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাঁক নেয় ভালর দিকেই। জানা গিয়েছে যে নবীন এবং সিন্ধুর বিয়েতে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন চন্দ্রাপ্পা নামের এক যুবক। এই পরিস্থিতি দেখে তিনি এগিয়ে আসেন এবং সিন্ধুকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিয়েতে উপস্থিত চন্দ্রাপ্পার পরিবারও সমর্থন করে ছেলের সিদ্ধান্তকে।

অতঃপর মতামত নেওয়া হয় সিন্ধুর। তাঁর আপত্তি না থাকায় নির্ধারিত লগ্নে শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়ে যায় তাঁর এবং চন্দ্রাপ্পার। প্রসঙ্গত, নবীন পালিয়ে গেলেও ওই মণ্ডপেই বিয়ে হয় তাঁর ভাই অশোকের।

Published by:Pooja Basu
First published: