দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘ডাক্তারের মৃত্যু নিয়ে কেন্দ্র বলছে কিছু জানে না? আমরাই তথ্য দেব’: ফুঁসছেন চিকিৎসকেরা

‘ডাক্তারের মৃত্যু নিয়ে কেন্দ্র বলছে কিছু জানে না? আমরাই তথ্য দেব’: ফুঁসছেন চিকিৎসকেরা
Photo: Representative

ঠিক এ ভাষাতেই সংবাদমাধ্যমের কাছে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন, দিল্লি AIIMS-এর চিকিৎসক অমরিন্দর সিং মালহি ৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ‘সরকার জানে না? আমরা তাঁদের বলব, দরকার পড়লে পুরো তালিকা হাতে তুলে দেব ! ’ ঠিক এ ভাষাতেই সংবাদমাধ্যমের কাছে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন, দিল্লি AIIMS-এর চিকিৎসক অমরিন্দর সিং মালহি ৷

ঘটনার সূত্রপাত, পার্লামেন্টে পেশ ১৫৫ জন হেলথ কেয়ারের করোনায় মৃত্যু ও তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রসঙ্গ থেকে৷ এদিকে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে প্রায় ৩২৮ জনের নাম আগেই পাঠানো হয়েছিল কেন্দ্রিয় সরকারকে ৷ যাঁদের ন্যাশনাল হিরো হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল ৷ এই সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই বুধবার  অশ্বিনী কুমার চৌবে সংসদে বলেন, কেন্দ্রীয় স্তরে মৃত স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের তথ্য সংরক্ষণ করা হয় না। এটা রাজ্যের বিষয় !

এমনকী, ৩২৮ জনের তালিকা পাঠিয়ে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে পত্র দিয়ে জানানো হয়েছিল মৃত স্বাস্থ্যকর্মীদের শহিদ বলে চিহ্নিত করা হোক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যকে চাকরি দেওয়া হোক ৷ চিঠিতে এমনকী লেখা ছিল রাষ্ট্রের এটা দায়িত্ব, যে মানুষেরা দেশের নাগরিকদের বাঁচাতে প্রাণ দিয়েছে, তাঁদের সম্মান দেওয়া ৷

অন্যদিকে, দেশের সর্ববৃহৎ ‘মেডিক্যাল বডি’র সঙ্গে যুক্ত থাকা চিকিৎসকদের মতে, যদি সরকারের কাছে করোনায় আক্রান্ত চিকিৎসকদের সংখ্যা ও করোনায় মৃত চিকিৎসকদের সংখ্যা সম্পর্কে সঠিক তথ্য না থাকে, তাহলে ১৮৯৭ সালে মহামারী অ্যাক্টে লঙ্ঘন করছে সরকার ৷

পুরো বিষয়টি আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং বলা যেতে পারে চিকিৎসকদের প্রতিবাদে আরও বেশি বারুদ ঢালে, তা হল গত তিন দিনে দেশের তিন জন তরুণ চিকিৎসকদের মৃত্যুর ঘটনা ৷ তিরিশ বছর বয়সের কেতকি পরাঞ্জাপে, ৩৫ বছরের শচীন কাশিনা, এবং ৩৫ বছরের রবি গাভানি৷ এরা তিনজনই মারা যান কোভিড আক্রান্ত হয়ে ৷ এরা তিনজনই করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় ব্যস্ত ছিলেন ৷

Published by: Akash Misra
First published: September 17, 2020, 11:00 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर