একাধিক বিশেষজ্ঞ সংস্থার নির্ভুল তথ্যেই জিডিপি-র হার, আত্মপক্ষ সমর্থনে কেন্দ্র

কেন্দ্র জানাচ্ছে, ভারতের জিডিপি বা মোট উত্‍‌পাদন বৃদ্ধির হার যে প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়, তা আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার ও বিশ্ব ব্যাঙ্ক ভ্যালিডেটেড৷

News18 Bangla
Updated:Jun 11, 2019 11:56 PM IST
একাধিক বিশেষজ্ঞ সংস্থার নির্ভুল তথ্যেই জিডিপি-র হার, আত্মপক্ষ সমর্থনে কেন্দ্র
ছবি: রয়টার্স
News18 Bangla
Updated:Jun 11, 2019 11:56 PM IST

#নয়াদিল্লি: এনডিএ ও ইউপিএ-- দুই জমানাতেই দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে৷ ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত প্রায় আড়াই শতাংশ বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে জিডিপি-র হার। প্রাক্তন মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যমের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের বিরোধিতা করে আত্মপক্ষ সমর্থনে আসরে নামল কেন্দ্রীয় সরকার৷

আরও পড়ুন: মোদি জমানাতে বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে আর্থিক বৃদ্ধির হার, বিস্ফোরক দাবি অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যমের

কেন্দ্র জানাচ্ছে, ভারতের জিডিপি বা মোট উত্‍‌পাদন বৃদ্ধির হার যে প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়, তা আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার ও বিশ্ব ব্যাঙ্ক ভ্যালিডেটেড৷ ভুল হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই৷ কেন্দ্রের স্ট্যাটিস্টিক্স অ্যান্ড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হচ্ছে, একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা একত্রে এই কাজটি করে৷ কেন্দ্রের প্রকাশিত জিডিপি হার, গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক তথ্য ও দেশের বিভিন্ন সেক্টরের অর্থনীতিতে অবদান হিসেব করেই করা হয়৷ যা একেবারে নির্ভুল৷

ভারতের বৃদ্ধির হার কখনওই ৭ শতাংশ ছোঁয়নি। সে মনমোহন সিংয়ের দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারই হোক বা নরেন্দ্র মোদির প্রথম ইনিংস। এমনটাই দাবি করেন মোদি সরকারের প্রাক্তন মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যমের। এক নতুন গবেষণাপত্রে তাঁর দাবি, ২০১১-২০১২ সাল থেকে ২০১৬-১৭ সাল পর্যন্ত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের কাছাকাছি বলে দাবি করা হয় কিন্তু বাস্তবে এর হার ৪.৫ শতাংশের বেশি নয়।

অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যমের একটি গবেষণাপত্র সদ্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তাতে তাঁর দাবি, মনমোহন সিংয়ের জমানায় দেশের জিডিপি মাপার ফিতে বদলে ফেলা হয়। ২০১১-১২ সাল থেকেই জিডিপি নির্ধারণের পদ্ধতি বদলে যেতে থাকে। সেই প্রবণতা নরেন্দ্র মোদির আমলেও বজায় ছিল।

খবরটি ইংরেজিতে পড়তে ক্লি‌ক করুন

First published: 11:56:37 PM Jun 11, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर