আঠারোতেই শেষ নয়, ছেলের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে হবে ২১ বছর অবধি, নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

আঠারোতেই শেষ নয়, ছেলের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে হবে ২১ বছর অবধি, নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

স্নাতক স্তরকে নতুন বেসিক শিক্ষা হিসাবে অভিহিত করে ছেলের দেখভালের জন্য টাকা দেওয়ার মেয়াদ স্নাতক হওয়ার সময় পর্যন্ত বাড়ানোর পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট

স্নাতক স্তরকে নতুন বেসিক শিক্ষা হিসাবে অভিহিত করে ছেলের দেখভালের জন্য টাকা দেওয়ার মেয়াদ স্নাতক হওয়ার সময় পর্যন্ত বাড়ানোর পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:  নিজের ছেলেকে লালন পালনের সময়সীমা আর ১৮ বছর নয়! স্নাতক স্তরকে নতুন বেসিক শিক্ষা হিসাবে অভিহিত করে ছেলের দেখভালের জন্য টাকা দেওয়ার মেয়াদ স্নাতক হওয়ার সময় পর্যন্ত বাড়ানোর পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

    বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি এমআর শাহের একটি বেঞ্চ পারিবারিক আদালতের একটি রায় পুনর্বিবেচনা করে। কর্নাটক সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মচারীকে ছেলের পড়াশোনার ব্যয় বাবদ ২০ হাজার টাকা দিতে বলেছিল ওই পারিবারিক আদালত।

    পারিবারিক আদালতের রায় পুনর্বিবেচনা করে শীর্ষ আদালত স্নাতককে নতুন বেসিক শিক্ষা হিসাবে অভিহিত করে। বেঞ্চ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া যথেষ্ট নয়, কারণ এখন কলেজ শেষ করার পর প্রাথমিক ডিগ্রি পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত ওই ব্যক্তি ২০০৫ সালের জুন মাসে তাঁর প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করেন। এরপর, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পারিবারিক আদালত সেই ব্যক্তিকে দেখভালের জন্য প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি হাইকোর্টে যান। সেখানেও আশানুরূপ ফল না পেয়ে অবশেষে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন।

    সরকারি কর্মীর তরফে সুপ্রিম কোর্টে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে, তিনি বেতন হিসেবে প্রায় ২১ হাজার হাতে পান। তার উপর তিনি দ্বিতীয় বার বিয়ে করেছেন এবং দ্বিতীয় পক্ষের দু’টি সন্তানও রয়েছে। তাই প্রথম পক্ষের ছেলেকে মাসে ২০ হাজার টাকা দেওয়া অসম্ভব। পাশাপাশি ওই সরকারি কর্মীর আইনজীবী আদাল

    তে অভিযোগ আনেন, অন্য ব্যক্তির সঙ্গে স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক থাকার কারণে তাঁর মক্কেল বিবাহ বিচ্ছেদ করেছিলেন। যদিও সুপ্রিম কোর্ট এই যুক্তি মেনে নেননি। উলটে জানায়, এর জন্য শিশুটিকে দোষ দেওয়া যাবে না। বেঞ্চ আরও বলে, দ্বিতীয় বিবাহ করার সময় তিনি ভালভাবেই অবগত ছিলেন যে তাঁকে তাঁর প্রথম পক্ষের সন্তানেরও যত্ন নিতে হবে।

    শিশু ও মায়ের পক্ষের আইনজীবী গৌরব আগরওয়াল বলেন, প্রতি মাসে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ধার্য অর্থের পরিমাণ কম করলেও চলবে। তবে ছেলের স্নাতক ডিগ্রি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই রক্ষণাবেক্ষণের টাকা অব্যাহত রাখতে হবে।

    বেঞ্চ এই প্রস্তাবটিকে ন্যায়সঙ্গত বলে উল্লেখ করে ৷ ২০২১ সালের মার্চ থেকে ওই ব্যক্তিকে ছেলের ভরণপোষণের জন্য মাসে ১০ হাজার টাকা করে দিতে বলা হয় শীর্ষ আদালতর তরফে। পাশাপাশি আরও বলা হয়, প্রতি আর্থিক বছরে এই পরিমাণ এক টাকা করে বাড়াতে হবে।

    Published by:Simli Dasgupta
    First published:

    লেটেস্ট খবর