• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ধর্মীয় ভাবাবেগ ক্ষতবিক্ষত, নিরামিষ ভেবে মুখে দিয়ে ফেললেন আমিষ পিৎজা, তারপর..

ধর্মীয় ভাবাবেগ ক্ষতবিক্ষত, নিরামিষ ভেবে মুখে দিয়ে ফেললেন আমিষ পিৎজা, তারপর..

ভেজের বদলে নন-ভেজ পিৎজা দিয়েছিল রেস্তোরাঁ, ১ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চাইলেন উত্তরপ্রদেশের মহিলা!

ভেজের বদলে নন-ভেজ পিৎজা দিয়েছিল রেস্তোরাঁ, ১ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চাইলেন উত্তরপ্রদেশের মহিলা!

ভেজের বদলে নন-ভেজ পিৎজা দিয়েছিল রেস্তোরাঁ, ১ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চাইলেন উত্তরপ্রদেশের মহিলা!

  • Share this:

#লখনউ: রেস্তোরাঁ থেকে ভেজ পিৎজা অর্ডার করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের মহিলা দীপালি ত্যাগী (Deepali Tyagi)। কিন্তু রেস্তোরাঁর তরফে নন-ভেজ পিৎজা ডেলিভারি করা হয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সমস্যার সূত্রপাত। মহিলার অভিযোগ, এই ঘটনায় তাঁর ধর্মীয় ভাবাবেগকে আঘাত করা হয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও মানসিক ভাবে হেনস্থা করা হয়েছে তাঁকে। আর সেই সূত্রেই কনজিউমার কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

মহিলার পিটিশনের সূত্র জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের ২১ মার্চ বাড়ির কাছাকাছি একটি পিৎজা আউটলেট থেকে ভেজ পিৎজা অর্ডার দিয়েছিলেন তিনি। ওই পিৎজার দোকানকে জানিয়েছিলেন, বাড়িতে দোলের উৎসব। তাই পরিবারের সবাই পিৎজা খাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। কিন্তু সময় মতো পিৎজা ডেলিভারি করতে পারেনি ওই সংস্থা। প্রথমে সেই বিষয়টিও এড়িয়ে যান তিনি। শেষমেশ অনেকটা দেরি করে পিৎজা আসে। এদিকে পিৎজা খুলে কামড় দিতেই বোঝা যায় এটি নন-ভেজ ছিল। মাশরুমের জায়গায় পিৎজার মধ্যে মাংস দেওয়া হয়েছিল।

এর পর কাস্টমার কেয়ারের সঙ্গে কথা বলেন দীপালি। একটি নিরামিষভোজী পরিবারে এভাবে নন-ভেজ খাবার ডেলিভারির বিষয় নিয়ে অভিযোগ জানান তিনি। চার দিন পর ওই পিৎজা আউটলেটের ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার তাঁকে ফোন করেন এবং দীপালির পুরো পরিবারকে বিনামূল্যে পিৎজা ডেলিভারি দেওয়ার অফার দেন। দীপালির কাছে যা অত্যন্ত অপমানজনক ছিল। এর পরই কনজিউমার কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।

দীপালির অভিযোগ, পুরো ঘটনাটিকেই হালকা ভাবে নিয়েছে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ। অনুশোচনা তো দূর অস্ত, উলটে বিনামূল্যে পিৎজা দেওয়ার কথা বলেছে তারা। এটি যথেষ্ট অপমানজনক। এই ধরনের মন্তব্যের মধ্য দিয়ে যে কোনও মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মর্যাদাকে ছোট করা হয়।

তাঁর পিটিশনে লেখা রয়েছে, রেস্তোরাঁর তরফে তাঁকে যে খাবার দেওয়া হয়েছে, তাতে একটি প্রাণীকে কেটে রান্না করে মেশানো ছিল। ভগবান সৃষ্ট যে কোনও প্রাণীর হত্যা বা সেই প্রাণীভক্ষণ পাপ। এই রকম একটি স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে বড়ই উদাসীন রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এই কাজের মধ্য দিয়ে তাঁর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে।

এই মর্মেই দীপালির আবেদন, পুরো ঘটনায় তাঁকে মানসিক ও অর্থনৈতিক ভাবে হেনস্থা করা হয়েছে। তাই রেস্তোরাঁর তরফে অন্তত ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আপাতত মামলাটির শুনানি চলছে। মহিলার অভিযোগের জবাব চাওয়া হয়েছে পিৎজা স্টোরের কাছ থেকে। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ১৭ মার্চ।

Published by:Debalina Datta
First published: