দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কনকনে ঠাণ্ডায় চলছে প্রতিবাদ, গরম জলের জন্য গিজারের বিশেষ ব্যবস্থা কৃষকদের!

কনকনে ঠাণ্ডায় চলছে প্রতিবাদ, গরম জলের জন্য গিজারের বিশেষ ব্যবস্থা কৃষকদের!

দেখতেও বেশ আকর্ষণীয় এই মেড ইন পঞ্জাব জলের গিজার।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: নতুন কৃষিবিলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন দেশের নানা প্রান্তের কৃষকরা। আপাতত রাজধানীর রাজপথে বিরাট চেহারা নিয়েছে তাঁদের প্রতিবাদ। দিল্লির বুকে পঞ্জাব-হরিয়ানার অগণিত চাষিদের এই প্রতিবাদ-আন্দোলন সভাকে ঘিরে ক্রমে জল্পনা বেড়ে চলেছে। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন বিরোধীরা। তবে যেখানে পঞ্জাবের মানুষজন রয়েছেন, সেখানে আয়োজনের কোনও খামতি হতে পারে না। কৃষক আন্দোলনের প্রতিবাদস্থলে একের পর এক সরঞ্জামের বাহার সেই বিষয়টি যেন আরও স্পষ্ট করে তুলছে। বাড়ি-ঘর ছেড়ে এসে প্রতিবাদে নামলে কী হবে, কৃষকদের আরামে থাকার নানা বন্দোবস্ত জারি। আগেই রুটি মেশিন আর ফুট মাসেজারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সঙ্গে ছিল হাই-টেক সোলার প্যানেল ও ওয়াশিং মেশিনের ব্যবস্থা। এ বার দিল্লির সিংঘু সীমান্তের ঠাণ্ডার সঙ্গে লড়াই করে প্রতিবাদ জারি রাখতে বসানো হল ওয়াটার গিজার। প্রতিবাদরত কৃষকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্জাবেই তৈরি করা হয়েছে এই গিজার।

দেখতেও বেশ আকর্ষণীয় এই মেড ইন পঞ্জাব জলের গিজার। কাঠের মধ্যে আগুন জ্বালিয়ে জল গরম রাখার এই গিজারের মাঝের দিকটায় একটি ফুটো রয়েছে। সেই ফুটোর মাধ্যমেই কাঠ জ্বালানো হয়। একদিকে একটি ফানেলের মতো অংশ রয়েছে। সেখানে ঠাণ্ডা জল ঢালার ব্যবস্থা রয়েছে। যন্ত্রটির অন্য প্রান্তে আর একটি ফানেলের মতো আউটলেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ফানেল দিয়ে বেরোবে গরম জল।

প্রতিবাদরত কৃষকদের জন্য ক্ষীর বানাচ্ছিলেন ৫২ বছর বয়সী মনজিন্দর সিং। তাঁর কথায়, একে বলে পাঞ্জাবি জুগাড় (Punjabi Jugaad)। এটি হল দেশি গিজার। পঞ্জাবের প্রায় প্রতিটি ঘরেই এই ধরনের গিজারের ব্যবস্থা রয়েছে। তাই এখানেও একই ব্যবস্থা করা হল। এ বার থেকে এখানাকার যে কেউ এর সুবিধা নিতে পারেন। স্নান হোক বা রান্না, এই প্রবল ঠাণ্ডায় দেশি পদ্ধতিতে তৈরি জলের গিজারটি যে দারুণ কাজে দেবে, তা প্রায় স্পষ্ট আন্দোলন উপস্থিত কৃষকদের বক্তব্যে। তাঁদের কথায় পঞ্জাবের বাজারে ৩০০০-৫০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায় এগুলি। কাঠ কয়লা, কাঠের যে কোনও জ্বালানি এমনকি ঘরোয়া নানা বর্জ্যও জ্বালানো যেতে পারে এই যন্ত্রের সাহায্যে। প্রতি দিন বিরাট পরিমাণ বর্জ্য বেরোচ্ছে। এ ক্ষেত্রে গিজারে সেগুলি ব্যবহার করে, এই বিরাট পরিমাণ বর্জ্য থেকেও খানিকটা হলে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন আন্দোলনরত কৃষকরা।

একই কথা স্পষ্ট আন্দোলনরত অজয় নাগর, গুরপ্রিত সিং-দের বক্তব্যেও। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, আগেই ফুট মাসেজারের মাধ্যমে একাধিক সুবিধা পাওয়া গিয়েছে। এ বার গিজারও ঠাণ্ডার জেরে তৈরি হওয়া নানা সমস্যা মেটাবে। এতে কিছুটা হলেও এই বিরাট আন্দোলন পরিচালনার ক্ষেত্রে সুবিধাও মিলবে।

Published by: Pooja Basu
First published: December 21, 2020, 4:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर