‘ইতিহাস সাক্ষী, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিতে কোনও ফাইল খুলিনি’ : মোদি

‘ইতিহাস সাক্ষী, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিতে কোনও ফাইল খুলিনি’ : মোদি

Network 18-এর গ্রুপ এডিটর রাহুল জোশীকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে GST থেকে দলিত ইস্যু, কাশ্মীর থেকে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন, ব্যক্তিগত অপছন্দ-পছন্দ থেকে মৃত্যুর আগের ইচ্ছা সবই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ তাঁর দীর্ঘ ৭৫ মিনিটের সাক্ষাৎকারে উঠে এল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ৷ এক নজরে দেখে নিন Exclusive Interview-তে কী কী বললেন মোদি ৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: Network 18-এর গ্রুপ এডিটর রাহুল জোশীকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে GST থেকে দলিত ইস্যু, কাশ্মীর থেকে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন, ব্যক্তিগত অপছন্দ-পছন্দ থেকে মৃত্যুর আগের ইচ্ছা সবই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ তাঁর দীর্ঘ ৭৫ মিনিটের সাক্ষাৎকারে উঠে এল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ৷ এক নজরে দেখে নিন Exclusive Interview-তে কী কী বললেন মোদি ৷

‘‘আপনাদের সকল দর্শককে আমার নমস্কার। দু’বছর তিন মাস হল প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছি। আমাদের দেশে প্রতিদিনই সরকারের মূল্যায়ন করেন সাধারণ মানুষ। সংবাদমাধ্যম ও সমীক্ষা সংস্থাগুলিও সরকারের মূল্যায়ন করে। তবে আমাদের সরকারের মূল্যায়ন করতে হলে আমাদের আগের সরকারের আমলের পরিস্থিতিও মাথায় রাখতে হবে। সেসময় কাগজে শুধু দুর্নীতির খবর ছাপা হত। মানুষ তা পড়ে হতাশ হতেন।’’

‘‘তাঁরা মনে করতেন সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। সরকার গঠনের পর, আমার প্রথম লক্ষ্য ছিল, সেই হতাশাজনক পরিস্থিতি দূর করা। মানুষের মনে আশা ও বিশ্বাস তৈরি করা। এটা শুধু বক্তৃতা করে হয়নি, তার জন্য অনেক পদক্ষেপ করতে হয়েছে। ২ বছর পর আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, শুধু দেশের মানুষের মনে নয়, গোটা বিশ্ব জুড়েই ভারত সম্পর্কে বিশ্বাস তৈরি করতে পেরেছি। এক সময় আমাদের ডুবন্ত জাহাজ বলে মনে করা হত। আন্তর্জাতিক মঞ্চ ব্রিকসেও সেই পরিস্থিতি ছিল। এখন অবশ্য মনে হয় যদি কোনও উজ্জ্বল স্থান থাকে তাহলে তা ভারত।’’

‘‘স্বাধীনতার পর জিএসটি ভারতের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক সংস্কার। ভারতে বড়সড় পরিবর্তন আনবে এই সংস্কার। করব্যবস্থা আরও সরল হবে। এবার দেশের জন্য কিছু করতে চাইলে সহজে যে কেউ এগিয়ে আসতে পারবেন। হোটেলে খাওয়ার পর দিতে হয় এই কর... ওই কর। এবার এইসব বন্ধ হবে। যত বিল তত কর। এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে মালপত্র নিয়ে যেতে গেলে কর দিতে হয়। এমন ব্যবস্থা দেশের অর্থনীতিকে আঘাত করে। করব্যবস্থার আরও সরলীকরণ হবে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, দেশও এগিয়ে যাবে। এখন দুটি রাজ্যে কখনও কখনও অবিশ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এবার আর সেই পরিস্থিতি নেই। জিএসটির মতো স্বচ্ছ ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে আরও উন্নত করবে।’’

‘‘দেশে একসময় নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা সাবধানে পা ফেলছিলেন। সরকার নীতিগত ভাবে পঙ্গু হয়ে পড়েছিল। পরপর দু’বছর খরা হয়। গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতেও মন্দা চলছিল। একের পর এক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও আমরা স্থির ছিলাম। আমাদের নীতি স্পষ্ট ছিল। আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ছিল। আমাদের কোনও ব্যক্তিস্বার্থ ছিল না। ফলে, আমরা খুব দ্রুত ইতিবাচক ফল পেতে থাকি। স্বাধীনতার পর, আমাদের দেশে এখন প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি। এখন গোটা বিশ্ব বলে, আমাদের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি সবচেয়ে দ্রুত।’’

Loading...

আরও পড়ুন

রাজনীতি থেকে ব্যক্তিগত জীবন, Network 18-এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে খোলামেলা মোদি

‘‘উন্নয়নে কার্যকরী হবে এমন নীতিতেই আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। সমস্ত বাধা সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার ফলে আমাদের অর্থনীতি গতি পেয়েছে।

এবছর ভালো বৃষ্টি হওয়ায় তা কৃষিতে সহায়ক হবে। আমাদারে আশা, আগামী দিল আরও ভালো হবে।’’

‘‘বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে, চাহিদাও বেড়েছে। অর্থনীতির চাহিদা মেনে দ্রুত হারে পরিকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে। এসব দেখে মনে হচ্ছে আমরা এগিয়েছি।’’

‘‘আমাদের দেশে যা নিয়ে চর্চা হয় তাই সংস্কার হিসেবে ধরা হয়। যদি কোনও বিষয়ে চর্চা না হয় তাহলে তাকে সংস্কার হিসেবে ধরা হয় না। এটাই আমাদের অজ্ঞতা।’’

‘‘বদলের লক্ষ্যেই সংস্কার হওয়া উচিত। আমি সরকারকে বলি, রিফর্ম, পারফরম ও ট্রান্সফরমের কথা। এখন আমি যখন সাক্ষাৎকার দিচ্ছি তখন বলব রিফর্ম, পারফরম, ট্রান্সফরম ও ইনফরম করার কথা।’’

‘‘সংস্কারের জেরে আমরা র‍্যাঙ্কিংয়েও উঠে আসছি। রাষ্ট্রসঙ্ঘের একটি সংস্থা জানাচ্ছে, দশ নম্বর থেকে আমরা আগামী ২ বছরে ৩ নম্বর স্থানে চলে যেতে পারি।’’

আরও পড়ুন

ইতিহাসের পাতায় মোদির নাম হারিয়ে গেলেও কোনও দুঃখ থাকবে না: মোদি

‘‘গত দুই শতকের ১৭০০ আইন বাতিল করেছি। রাজ্যগুলিকেও তা করতে বলেছি। এগুলিও অনেক বড়সড় বদল। কিন্তু, না জানার কারণে এগুলিকে সংস্কার হিসেবে ধরা হয় না। শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছি। কিন্তু, অনেকেই হয়তো তা জানেন না। আমরা বলেছি, ১০টি সরকারি ও ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউজিসি-র সব নিয়মের আওতার বাইরে থাকবে। তাদের অর্থের যোগান দেওয়া হবে। তাদের লক্ষ্য হবে, বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ওঠা। যদি নিয়ম এক্ষেত্রে বাধা হয়, তাহলে আমরা নিয়মই তুলে দেব। এবার ওরা আমাদের শুধু তা করে দেখাক।’’

‘‘ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারও একটি বড়সড় বদল। আগে একশো দিনের কাজে জলের মতো পয়সা খরচ হত। এখন ডিবিটি-র মাধ্যমেই অর্থ দেওয়া হয়। গ্যাসে ভর্তুকি থেকে ছাত্রবৃত্তি সবই করা হয় ডিবিটি-র মাধ্যমে। আমার কাছে এগুলি সবই সরকারের কাজে বদল আনা। স্বচ্ছতা আনা। আমাদের হাতে আরও প্রযুক্তি আসছে। এই ধরনের কাজ আরও বেশি করে করতে হবে। সাধারণ মানুষের জন্যই করতে হবে।’’

‘‘আজ, মনে হয়, প্রথমবার বাজেট পেশের আগে আমার উচিত ছিল, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বোঝাতে স্রেফ একটা সাদা কাগজ রেখে দেওয়া। আমার সামনে দুটো রাস্তা ছিল। রাজনীতি আমায় শিখিয়েছে, আমার উচিত সব পুঙ্খানুপুঙ্খ বলা। কিন্তু, দেশের স্বার্থে বলতে পারিনি। কারণ তাতে হতাশা বাড়ত। শেয়ার বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হত। দেশের অর্থনীতিও জোরালো ধাক্কা খেত। গোটা দুনিয়া জেনে যেত, ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। সেখান থেকে বেরিয়ে আসা খুব কঠিন ছিল। আমি দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক ক্ষতি স্বীকার করেও চুপ করে ছিলাম।’’

‘‘অতীতের এমন সব ঘটনা ব্যক্তিগত বিনিয়োগেও জোরালো প্রভাব ফেলেছিল। এটা ব্যাঙ্কের অলাভজনক সম্পত্তির মতোই। চেষ্টা করছি এই সমস্যা সমাধানের।’’

‘‘দ্রুত গতিতে রাস্তা তৈরি হচ্ছে। দিনদিন রেলপথ বাড়ছে। বৈদ্যুতিন সামগ্রীর উৎপাদন ৬ গুণ বেড়েছে। এসব প্রমাণ করে আমরা শর্টকার্ট রাস্তা ধরতে চাইনি।’’

‘‘রেলের প্ল্যাটফর্মে লেখা থাকে, রাস্তা সংক্ষিপ্ত করতে গেলে জীবনও সংক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এটা আমারও মনে কথা। আমরা কোনও শর্টকার্ট ধরতে চাই না। তার ফলও সবাই টের পাচ্ছে।’’

‘‘যাইহোক, পরিস্থিতির বদল হয়েছে। আমাদের এসব নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। কিন্তু, শুরুতে, ২০১৪ সালের মে মাসে আমরা একটা কঠিন রাস্তা বেছেছিলাম। তখন অনেকে নিরপেক্ষভাবেই পরিস্থিতি আঁচ করেছিলেন। আমি নিশ্চিত, এখন তাঁরা আশ্চর্য হযে যাবেন।’’

‘‘রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমি কখনই এসবের কথা ভাবিনি। ভবিষ্যতেও এসব করব না। আমি ১৪ বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম। ইতিহাস সাক্ষী, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিতে কোনও ফাইল খুলিনি। আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ কখনও ওঠেনি। ২ বছরের বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী রয়েছি। কিন্তু, সরকার থেকে কোনও ফাইল খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আইন আইনের পথেই চলবে। লুকিয়ে রাখার চেষ্টাকেও প্রশ্রয় দেওয়ার কোনও অধিকার আমার নেই। অতএব কাউকেই রেয়াত করিনি এটা ঠিক নয়।’’

‘‘দেশে যে কালো টাকা রয়েছে তার রমরমা কমাতে আমরা যথেষ্ট আইন সংশোধন করেছি। কালো টাকা নিয়ে একটি প্রকল্প আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। যাঁরা কর দিয়ে মূলস্রোতে ফিরতে চান এটা তাঁদের জন্য। আমি ঘোষণা করেছি, ৩০ সেপ্টেম্বরই শেষ দিন। আপনি ভুল করতে পারেন, আপনি ইচ্ছুক হন বা অনিচ্ছুক, আপনার উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন। মূলস্রোতে ফেরার এই সুযোগ। আমার এই পরিকল্পনা তাঁদের জন্য, যাঁরা রাতে শান্তিতে ঘুমোতে চান। ৩০ সেপ্টেম্বরের পরে আমি কোনও কঠিন সিদ্ধান্ত নিলে আর কেউ কিছু আমায় বলতে পারবেন না। এই টাকা দেশের গরিবদের। কারও এই টাকা লুঠ করার অধিকার নেই। এটা আমার প্রতিশ্রুতি। আমি পুরো শক্তি দিয়ে কাজ চালাচ্ছি এবং করবও।’’

‘‘আমি রাজনীতিবিদ, আমার দলের নেতাদেরও বলতে চাই, কোনও ব্যক্তি বা কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মন্তব্য বন্ধ হোক। সংবাদমাধ্যম এর থেকে টিআরপি তোলে। কিন্তু, গোটা দেশ আপনার থেকে উত্তর চায়। কারণ, আমরা সমাজবদ্ধ জীবনযাপন করি। রাজনৈতিক বা সমাজকর্মী, যেই হোক না কেন, যে সম্প্রদায়েরই প্রতিনিধি হোক না কেন, দেশের ও সমাজের একতার জন্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে আমাদের আরও বেশি সজাগ থাকতে হবে।

যাঁরা স্বঘোষিত অভিভাবক তাঁরাই উত্তেজনা তৈরি করছেন। এই দেশ তা পছন্দ করছে না। দলিতদের পাশেই রয়েছেন মোদি। উপজাতিদের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছে মোদি। দলিত, নিপীড়িত, বঞ্চিতদের জন্য আমি নিজেকে উৎসর্গ করেছি। যাঁরা এটা বাধা হিসেবে দেখছেন তাঁদেরই কেউ কেউ সমস্যা তৈরি করছেন। তাই তাঁরা আমার বিরুদ্ধে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছেন। যাঁরা এই দেশকে বর্ণভেদ প্রথার বিষ পান করিয়েছেন তাঁরা আসলে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছেন। সামজিক সমস্যায় রাজনৈতিক রঙ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। আমাদের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে এগনো উচিত। এমন ঘটনা কি কোনও সভ্য সমাজে খাপ খায়?’’

‘‘শুধুমাত্র দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য আমাদের একতা চাই না। যে কোনও মূল্যে আমাদের একতা ও সম্প্রীতি চাই। সামাজিক ন্যায়ের প্রতিও আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। সেকারণেই অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য শুধুমাত্র একতা নয়, সেইসঙ্গে জীবনে, পরিবারে, সমাজে ও দেশে শান্তি, সম্প্রীতিও প্রয়োজন। যাঁরা মনে করেন, ‘বসুদেবায় কুটুম্বকম’ --- তাঁদের কাছে গোটা পৃথিবীই এক।

দারিদ্র দূরীকরণ রাজনৈতিক স্লোগানও বটে। তা নিয়ে একাধিকবার রাজনীতি হয়েছে। ভোটের কথা মাথায় রেখে দারিদ্র দুরীকরণ নিয়ে একাধিক প্রকল্পও চালু হয়েছে। এটা ভালো কি মন্দ তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করতে চাই না। আমার পথটা একটু ভিন্ন। দারিদ্র দূর করতে দরিদ্রদের শক্তিশালী করে তুলতে হবে। যদি তাঁরা ক্ষমতাশালী হন তাহলেই দারিদ্র দূর হবে। গরিবদের গরিব রেখেই রাজনীতি চলতে পারে। কিন্তু, ক্ষমতায়নের মাধ্যমেই দারিদ্র থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব। ক্ষমতায়নের মস্ত বড় অস্ত্র হল শিক্ষা ও কর্মসংস্থান। আমরা যদি অর্থনৈতিক ক্ষমতা পাই তাহলে তা নিজে নিজেই অনেক জিনিস বদলে দেবে।

নীতি আয়োগে অনাবাসী ভারতীয়দের ভূমিকা আমরা মেনে নিয়েছি। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁরা আমাদের শক্তি। তাঁদের শিক্ষা রয়েছে, দেশের জন্য কিছু করার ইচ্ছাও রয়েছে। দেশের জন্য তাঁদের ভালবাসা শেয় হয়ে যায়নি। আমাদের অবশ্যই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করা উচিত। একটা সময় আসবে, যখন তাঁরাই ভারতের দূত হয়ে উঠবেন।’’

‘‘আমরা যাই করি তা ভোটের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। এটা আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য। ভোটের দেরি থাকলেও মানুষ বলবে, আপনি তা মাথায় রেখেই কাজ করছেন। রাজনৈতিক পণ্ডিতরা রাজনীতিকে কখনই মাথা থেকে বের করতে পারেন না।’’

‘‘উত্তরপ্রদেশ সহ ৫ রাজ্যে ভোট রয়েছে। শুধুমাত্র উন্নয়ন ইস্যুতেই লড়বে বিজেপি। চাষি, গ্রামবাসী, যুবকদের কর্মসংস্থানে আমাদের জোর থাকবে। আমরা সামাজিক ন্যায় রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ঐক্য, শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা জোর দেব। এগোনোর লক্ষ্যেই আমরা পদক্ষেপ করব।’’

ইন্টারভিউ শেষে নেটওয়ার্ক ১৮-এর সদস্যদের সঙ্গে ছবি তোলার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাদের পরামর্শ দেন, ‘রাজনীতির বাইরে ভাব ৷ এক জন রাজনীতিবিদের জীবনের থেকে অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের জীবন অনেক বেশি আকর্ষনীয় ৷ তাদের দেখাও ৷’

First published: 10:05:50 AM Sep 03, 2016
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर