• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • FRUSTRATED OVER NOT GETTING ALCOHOL ONE MORE COMMITS SUICIDE IN KERALA SDG

লক ডাউনঃ কেরলে মিলছে না মদ, আত্মঘাতী ৭-সহ মৃত ৯, করোনায় মৃত ১

প্রতীকী ছবি

মদ না পেয়ে তিনদিনে মৃতের সংখ্যা ৯। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে উদ্বেগ।

  • Share this:

    #কেরলঃ দেশজুড়ে চলছে লকডাউন৷ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়া কোনও কিছুই বাজারে মিলছে না৷ স্বভাবতই বন্ধ মদের দোকানও৷ ফলে নিয়মিত মদ্যপানে যাঁরা আসক্ত, বেজায় বিপাকে তাঁরা৷ বলা ভাল চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন তাঁরা। আর তারই প্রমাণ সাত আত্মহত্যার ঘটনা।

    শুরুটা হয়েছিল শুক্রবার। তারপর থেকে চলছে। শুক্রবার মোড না পেয়ে আত্মঘাতী হন ত্রিশূরের বাসিন্দা সনোজ এবং কোচির মুরলি। এরপর শনিবার মদ না পেয়ে আত্মঘাতী হন কান্নুর জেলার এক যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম কেসি ভিগিল (২৮)। শনিবার পুলিশ তাঁর দেহ উদ্ধার করে। এছাড়া কোল্লামের  বাসিন্দা বিজু এবং সুরেশও মদ না পেয়ে আত্মঘাতী হন। কোচির ভাসু নামে এক ব্যক্তিও এদিন আত্মঘাতী হন। রবিবার একটি বহুতল  থেকে একই কারণে ঝাঁপ দেন থিরুভনন্তপুরমের বাসিন্দা কৃষ্ণান কুট্টি। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। এছাড়া একজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। আরও এক ব্যক্তি  আফটারশেভ লোশন খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন।

    শনিবার আত্মঘাতী ভিজিলের আত্মীয়েরা জানিয়েছেন, ওই ওই যুবক নিয়মিত মদ্যপান করতেন৷ লকডাউনের কারণে মদের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেন। সেই হতাশা থেকেই ওই যুবক আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে অনুমান মৃতের পরিচিতদের৷ গত শুক্রবার কেরলে মদ না পেয়ে আরও এক যুবক আত্মঘাতী হন। তিনি সামাজিক পারিবারিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন।

    প্রসঙ্গত, লক ডাউনে দেশ। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য এবং জরুরী পরিষেবা ছাড়া বন্ধও দোকানপাট। এমতাবস্থায় বন্ধ মদের দোকানও। কেরলে কিছু লাইসেন্সপ্রাপ্ত দোকান প্রথমে খোলা রাখা হলে, তা  নিয়ে বিতর্ক  শুরু হওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয় তড়িঘড়ি। কারণ দোকান খুলতেই সেখানে উপচে পড়ছিল ভিড়। ফলে, মানা হচ্ছিল না সামাজিক দূরত্বও।

    এদিকে, শনিবার ট্যুইটে ঋষি কাপুর লেখেন, “আমায় ভুল বুঝবেন না। ডাক্তার, নার্স, পুলিশ–সকলেই কঠোর পরিশ্রম করছেন। বহু মানুষ ঘরবন্দি থেকে একঘেয়ে হয়ে পড়ছেন। এমন সময়ে সকলকে ‘রিল্যাক্স’ করার সুযোগ দেওয়া উচিত।”

     
    Published by:Shubhagata Dey
    First published: