ক্যান্সার রোগীর শেষকৃত্যে গিয়ে করোনা আক্রান্ত ৩৩, নতুন করে আতঙ্ক রাজ্যে!

ক্যান্সার রোগীর শেষকৃত্যে গিয়ে করোনা আক্রান্ত ৩৩, নতুন করে আতঙ্ক রাজ্যে!
প্রতীকী ছবি

স্থানীয় প্রশাসন এই ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন এবং প্রত্যেক পজিটিভ রোগীকেই হোম কোয়ারানটিনে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, রেকুর্থি গ্রামের গোটা ১৬০০ বাসিন্দার করোনা পরীক্ষা করানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

    #হায়দরাবাদ: গ্রামের এক ক্যান্সার রোগীর মৃত্যু হওয়ায় তাঁর শেষকৃত্যে অংশ নিয়েছিল প্রায় গোটা গ্রামের বাসিন্দাই। তার পরই নতুন করে চাড়া দিয়েছে করোনার আতঙ্ক। কেন? কারণ, ওই শেষকৃত্যে যাওয়া অন্তত ৩৩ জনের করোনাভাইরাসের পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। ঘটনাটি করিমপুর জেলার রেকুর্থি গ্রামে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই শেষকৃত্যে কোনও রকম সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বা সামাজিক দূরত্ব মানা হয়নি। এমনকী কারও মুখে মাস্কও ছিল না।

    স্থানীয় প্রশাসন এই ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন এবং প্রত্যেক পজিটিভ রোগীকেই হোম কোয়ারানটিনে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, রেকুর্থি গ্রামের গোটা ১৬০০ বাসিন্দার করোনা পরীক্ষা করানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক গ্রামবাসী কয়েকদিন আগেই স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে খাবারের স্বাদ ও গন্ধ না পাওয়ার কথা বলার পরই গোটা ঘটনা সামনে আসে। তার পরেই জানা যায়, তিনি ওই শেষকৃত্যে গিয়েছিলেন এবং সেখানে যাওয়া প্রত্যেকে করোনা আক্রান্ত।

    শেষ পনেরোদিন ধরে তেলঙ্গানায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ জনেরও কম হয়েছে প্রতিদিনের হিসেবে। তবে প্রশাসনিক কর্তারা এই ঘটনার পর খুবই আতঙ্কিত। প্রাথমিক ভাবে তাঁদের দাবি, এতে এই এলাকায় নতুন করে করোনার ঢেউ তৈরি হচ্ছে। জেলা মেডিক্যাল ও স্বাস্থ্য অফিসার ডক্টর জি সুজাতা বলেছেন, গত বৃহস্পতিবার থেকে জোরদার পরীক্ষা শুরু করা হয়েছে। ক্যান্সার রোগী মারা গিয়েছেন গত ৯ ফেব্রুয়ারি। এবং সেই মৃত্যুতে প্রায় ৫টি পরিবারের অন্তত ১৫০ জন শেষকৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন বলে খবর।


    গত বছরের মার্চে এই করিমনগর একবার সংবাদ শিরোনামে এসেছিল। কারণ সেখানে আটজন ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দার করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছিল একসঙ্গে। গোটা রাজ্যে প্রথম এই জেলাকেই কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল সেই সময়। সম্প্রতি করা পরীক্ষায় এখনও পর্যন্ত ১৩২ জন করোনায় আক্রান্ত বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর। এই হার অন্তত ২০ শতাংশ মোট জনসংখ্যার। কোনও পজিটিভ মানুষই আগে থেকে বোঝেননি। এবং তাঁরা যথেচ্ছ ভাবে ঘুরেও বেরিয়েছেন।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: