সাতদিনের ৪ দিন কাজ, ৩ দিন ছুটি! শ্রমবিধিতে কেন্দ্রের নয়া প্রস্তাব

সাতদিনের ৪ দিন কাজ, ৩ দিন ছুটি! শ্রমবিধিতে কেন্দ্রের নয়া প্রস্তাব

প্রতীকী ছবি

নতুন এই শ্রম বিধির খসড়া প্রস্তাব এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। শ্রম ও নিয়োগ সচিব অপূর্ব জানিয়েছেন, সাপ্তাহিক কাজের দিন কমানোর পাশাপাশি ওই প্রস্তাবে থাকছে কর্মচারীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথাও।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনার পরবর্তী বিশ্বে এমনটা হওয়া খুব একটা বিস্ময়কর না হলেও, শ্রমবিধিতে কেন্দ্রের এই নয়া প্রস্তাব নিয়ে বেশিরভাগ মানুষই খুশি। কারণ, প্রস্তাবে বলা হয়েছে সপ্তাহের সাতদিনের চারদিন অফিসের কাজ করতে হবে। বাকি তিনদিন সবেতনে মিলবে ছুটি। ভারতে অদূর ভবিষ্যতে এমন সম্ভাবনা থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। চাকরিজীবীদের জন্য এমনই আশার কথা শুনিয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক।

    কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রকের সচিব অপূর্ব চন্দ্রর দাবি, শিফটে কাজের ঘণ্টা বাড়ানো হবে। এক্ষেত্রে চারদিন ১২ ঘণ্টা করে কাজ করতে হবে। নতুন শ্রম বিধির অন্তর্গত হতে চলেছে এই নিয়ম। তিনি জানান, নতুন বিধি সাপ্তাহিক কাজের দিন ৫ দিনের নিচে নামিয়ে আনার সুযোগ দেবে। যদিও সে ক্ষেত্রে দৈনিক ১২ ঘণ্টা করে কাজ করতে হবে সংস্থার কর্মচারীদের। কেননা সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা কাজের যে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া আছে, তাতে কোনও বদল হচ্ছে না।

    নতুন এই শ্রম বিধির খসড়া প্রস্তাব এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। শ্রম ও নিয়োগ সচিব অপূর্ব জানিয়েছেন, সাপ্তাহিক কাজের দিন কমানোর পাশাপাশি ওই প্রস্তাবে থাকছে কর্মচারীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথাও। সংস্থাগুলিকে রাজ্যের স্বাস্থ্য বিমার সাহায্য নিয়ে তাদের কর্মীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথাও বলা হবে নতুন বিধিতে। যদিও নতুন এই বিধি চালু করা বাধ্যতামূলক নয়। কর্মীরা চাইলে এবং সংস্থা চাইলে তবেই নতুন বিধি কার্যকর হতে পারে।

    প্রয়োজনে সংস্থাগুলি কাজের দিন বাড়াতে পারেন। সেক্ষেত্রে কাজের সময় কমিয়ে আনতে হবে। এখনকার মতোই সপ্তাহে পাঁচদিন কাজ করার বা অনেক সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী ছ'দিন কাজ করার পথও যে কোনও সময় বেছে নিতে পারে সংস্থা। নতুন বিধির ব্যাপারে কিছু কিছু বদলের কথা জানাবে উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশের মতো বেশ কিছু রাজ্য। তাদের বদলগুলির কথা জেনে তারপরই চূড়ান্ত প্রস্তাব তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন অপূর্ব।

    নয়া বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে নিয়োগকারী সংস্থা ও কর্মচারী দু'পক্ষকেই একমত হতে হবে। তবেই কর্মীদের সপ্তাহে পাঁচদিনের বদলে চার দিন কাজ ও তিন দিন ছুটির সুযোগ মিলবে। তবে দু'ক্ষেত্রেই কাজের সময়ের হিসেবে কোনও হেরফের হচ্ছে না বলে জানিয়েছে শ্রম মন্ত্রক।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published:
    0

    লেটেস্ট খবর