• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • FOUR BJP LEADERS ARE FRONT RUNNERS AS NEXT CHIEF MINISTER OF GUJARAT DMG

Gujarat Chief Minister Selection: মোদি- শাহের রাজ্যে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? দৌড়ে এই চার নাম

বিজয় রুপানির চেয়ারে কে বসবেন?

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২২-এর বিধানসভা নির্বাচনকে রেখে বিভিন্ন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বদল করার পথে নেমেছে বিজেপি (Gujarat Chief Minister Selection)৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি : গত কয়েক মাসে তিন রাজ্যে পরপর পাঁচ মুখ্যমন্ত্রী বদল করল বিজেপি। উত্তরাখণ্ড ও কর্ণাটকের পর এবার গুজরাত। মোদি-রাজ্য এবার নতুন মুখ্যমন্ত্রী  পেতে চলেছে। বিজয় রুপানি পদত্যাগ করতেই হাওয়ায় ভাসছে সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রীর নাম। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর হটসিটে বসার দৌড়ে মূলত রয়েছে চারটি নাম- সি আর পাটিল, নীতিন পাটিল এবং গুজরাত থেকে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পুরুষোত্তম রূপালা এবং মনসুখ মান্ডব্য।

বলাই বাহুল্য, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মোদি-রাজ্যের সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে নিজেদের জমি শক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বিজেপি। সেই দিক থেকে দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন পুরুষোত্তম রূপালা এবং মনসুখ মান্ডব্য।

কিন্তু, কেন আচমকা মুখ্যমন্ত্রী বদল ? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২২-এর বিধানসভা নির্বাচনকে রেখে বিভিন্ন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বদল করার পথে নেমেছে বিজেপি। যার ফল হিসেবে গত কয়েক মাসে কর্ণাটকে বিএস ইয়েদদুরাপ্পাকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে বাসবরাজ বোম্মাইকে। ইয়েদুরাপ্পা  এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে লাগাতার দুর্নীতির অভিযোগে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছিল বিজেপি। ওদিকে, গত কয়েকমাসে তিনবার মুখ্যমন্ত্রী বদল হয়েছে উত্তরাখণ্ডে। আগামী এক বছরের মধ্যেই ভোটগ্রহণ হতে চলেছে উত্তরাখণ্ডে। চলতি বছর মার্চে দলে বিদ্রোহের জেরে প্রথমে সরে দাঁড়ান  ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। তাঁর জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিরথ সিং রাওয়াত। তবে, তিনি বিধায়ক না হওয়ায় ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জিতে আসতে হত। কোভিড অতিমারির মাঝে উপনির্বাচন সম্ভব নয়। তাছাড়া তাঁর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ জমছিল দলে। শেষ পর্যন্ত গত জুলাইয়ে পুষ্কর সিং ধামি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

আরও পড়ুন: আজই রাতেই গুজরাতে অমিত শাহ, রুপানির চেয়ারে কাকে বসাবে বিজেপি?

গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা দেওয়ার ঘটনায় বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তাঁর মন্ত্রিসভা। বর্তমানে মন্ত্রিসভার কাছে তিনটি পথ রয়েছে। এক, নয়া মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত করে তাঁর অধীনে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা। দুই, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা। তিন, নির্ধারিত সময়ের আগেই বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা করা।

সূত্রের খবর, দলের অন্দরে কিছু সমস্যা হয়েছিল। যার জেরে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঘটনায় এটা স্পষ্ট যে এই মুহূর্তে পদ্ম শিবির রাজ্য নেতৃত্ব নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। যদি কোনও সমস্যার উদ্রেক হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তা মিটিয়ে নিতে হবে। কর্ণাটক এবং উত্তরাখণ্ডেও একই ঘটনা দেখা গিয়েছে।এদিকে,  এদিন রাজ্যের কংগ্রেস নেতা হার্দিক পাটেল বলছেন, "গত চার বছর যদি এই মুখ্যমন্ত্রীর অধীনে সরকার ভাল কাজই করে তাহলে হঠাৎ করে নেতৃত্ব বদলের প্রয়োজনীয়তা কী!"

বিজয় রুপানি তাঁর পদত্যাগ করে বলেছেন, "দলের তরফে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে এরপর আমি সেই দায়িত্ব পালন করতেই রাজি।" রুপানি আরও বলছেন, "শেষ পাঁচ বছরের সমস্ত নির্বাচন এবং উপনির্বাচনে আমি দলের দেওয়া সমস্ত দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু এই মুহূর্তে গুজরাতের উন্নয়নের জন্য নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন। সেই কারণেই আমার এই পদত্যাগ।"

Published by:Debamoy Ghosh
First published: