• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • FORMATION OF A COMMITTEE IS REQUIRED TO RESOLVE THE ISSUE RELATED TO FARM LAWS SUPREME COURT SUGGESTS ON WEDNESDAY AD

Farmers' Protest| কৃষক আন্দোলনের সমাধানসূত্র খুঁজতে কমিটি গড়া হোক, রায় শীর্ষ আদালতের

Farmers' Protest| কৃষক আন্দোলনের সমাধানসূত্র খুঁজতে কমিটি গড়া হোক, রায় শীর্ষ আদালতের

বুধবার সুপ্রিম কোর্ট পরামর্শ দিয়েছে, গোটা বিষয়টি সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে দুই পক্ষ থেকে একটি কমিটি গড়া হোক।

বুধবার সুপ্রিম কোর্ট পরামর্শ দিয়েছে, গোটা বিষয়টি সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে দুই পক্ষ থেকে একটি কমিটি গড়া হোক।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:  কৃষি আইন নিয়ে কৃষক সংগঠনের সঙ্গে সরকার পক্ষের ইতিমধ্যেই পাঁচ দফায় বৈঠক হয়ে গিয়েছে। তবে সমাধানসূত্র মেলেনি এখনও। এই কৃষি আইন নিয়ে গোটা দেশে যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে, এবার তা মেটাতেই হস্তক্ষেপ করল দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, গোটা বিষয়টি সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে দুই পক্ষ থেকে একটি কমিটি গড়া হোক। প্রসঙ্গত, বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে এই কৃষক আন্দোলন চলছে গত তিনি সপ্তাহ ধরে। বিক্ষোভকারীদের দলে অংশ নিয়েছেন হাজারেরও বেশি কৃষক, যার অধিকাংশই এসেছেন পঞ্জাব এবং হরিয়ানা থেকে। দিল্লি সীমান্তে কৃষকদের অপসারণের আর্জি জানিয়ে আবেদন করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। এই আবেদনের ভিত্তিতেই শুনানি হয় এদিন। শুনানিতে বিচারকদের বেঞ্চে ছিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে, বিচারপতি এএস বোপান্না এবং ভি রামাসুব্রমনিয়ম। বিচারকদের বেঞ্চের তরফ থেকে সরকার পক্ষকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বৃহস্পতিবার শুনানির তারিখ দিয়ে। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, কৃষি আইনের বিষয়টির সমাধান বের করতে যে কমিটি গড়া হবে সেখানে কৃষক এবং সরকার, দু’পক্ষের প্রতিনিধিরা থাকবেন। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, “প্রতিবাদী কৃষকদের সঙ্গে আপনাদের আলোচনা কোনও ভাবেই কার্যকর হয়নি।” আরও বলা হয়, এই মামলায় আন্দোলনকারী কৃষক সংগঠনকে নিজেদের স্বপক্ষে যুক্তি তৈরি করতে হবে। অন্যদিকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বিচারকদের বেঞ্চকে বলেন যে কৃষকদের স্বার্থে আঘাত আসে এমন কোনও সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না। শীর্ষ আদালতে এই আবেদন জমা দিয়েছিলেন রিষভ শর্মা নামে আইনের এক ছাত্র। তিনি মন্তব্য করেছেন, “দিল্লি সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদের কারণে, বিক্ষোভকারীরা দিল্লিতে প্রবেশের পথ বন্ধ করে রেখেছেন। ফলে, শহরের রাস্তায় ট্র্যাফিক বেড়েছে। এছাড়া দিল্লির আশপাশ থেকে অনেকেই আসেন চিকিৎসার জন্য। সীমান্তবর্তী এলাকা বন্ধ থাকায় বহু মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন।” আবেদনে বলা হয়েছে যে, আন্দোলনকারীরা শহরে প্রবেশের পথ বন্ধ করে রেখেছে, এমনকি মেডিক্যাল এমারজেন্সির জন্যও তা খোলা হচ্ছে না। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত অনেকেই চিকিৎসা করাতে আসতে পারছেন না। নতুন কৃষি আইন নিয়ে কৃষকদের আশঙ্কা, এই আইন প্রনয়ণ হলে কৃষি ক্ষেত্রে নূন্যতম মূল্য বা মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইসের সিস্টেম ভেঙ্গে যাবে। অন্যদিকে সরকারের দাবি, এই আইন কৃষকদের জন্য নতুন পথ খুলে দেবে। সরকার পক্ষের প্রস্তাব মেনে নেওয়া হবে না, সে কথা লিখে কৃষকদের তরফে একটি চিঠি লিখে পাঠানো হয়েছে বুধবার।

    Published by:Antara Dey
    First published: