• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • Jalpaiguri News: ষাঁড়ের জন্য ঘুমপাড়ানি গুলি! ভবঘুরে প্রাণীকে কাবু করতে হিমশিম খেল বন দফতর

Jalpaiguri News: ষাঁড়ের জন্য ঘুমপাড়ানি গুলি! ভবঘুরে প্রাণীকে কাবু করতে হিমশিম খেল বন দফতর

jalpaiguri Ox: ষাঁড়ের জন্য ঘুমপাড়ানি গুলি!

jalpaiguri Ox: ষাঁড়ের জন্য ঘুমপাড়ানি গুলি!

jalpaiguri Ox: ষাঁড়ের জন্য ঘুমপাড়ানি গুলি!

  • Share this:

#রকি চৌধুরি, জলপাইগুড়ি: ঘুম পাড়ানি গুলি করা হল একটি ষাঁড়কে! রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো এই ভবঘুরে প্রাণীকে কাবু করতে রীতিমতো কালঘাম ছুটল বন দফতরের কর্মীদের।

রাজ্যে সম্ভবত এই প্রথম ঘুমপাড়ানি গুলি করা হল কোনো গৃহপালিত পশুকে। সূত্রের খবর, জেলাশাসকের বিশেষ নির্দেশে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগ হস্তক্ষেপ করে লোকালয়ে দাপিয়ে বেড়ানো ক্ষেপা ষাঁড় উদ্ধারে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে।

প্রসঙ্গত, ধূপগুড়ির কলেজ পাড়া এলাকায় গত দুমাস ধরে সেই ষাঁড়টি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সেটির হামলায় আহত হয়েছেন আট জন। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা।

আরও পড়ুন- বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, মাছ ও বালিহাঁস ধরতে গিয়ে ডুবে মৃত্যু যুবকের

প্রায় কুড়িটির বেশি বসত বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ওই ষাঁড়টি। সেই ষাঁড়ের হিংস্রতা এতই বেশি যে পাশ দিয়ে কোনো মানুষ গেলেই তেরে যাচ্ছিল। ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসন, সকলকেই হস্তক্ষেপ করতে হয় বিষয়টিতে।

প্রথমদিকে পৌরসভা, তার পর গ্রাম পঞ্চায়েত, এরপর বিডিওকে বলা হয় ব্যাপারটি। তারপরেও সেই ষাঁড়টিকে সেখান থেকে সরানোর বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পারেনি প্রশাসন।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ধূপগুড়ি পৌর কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসন। রবিবার বিকেলে জেলাশাসকের নির্দেশে অবশেষে ঘুমপাড়ানি গুলি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এদিন বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণ শাখার স্কোয়াডের কর্মীরা রীতিমতো বাঘ ধরার মতো প্রস্তুতি নিয়ে ট্রাংকুলাইজার টিম সহ্ পৌঁছায় ধূপগুড়ি খলাই গ্রাম এলাকায়। সেখানে প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়। দূরে দাঁড়িয়ে থাকা ষাঁড় গরু দেখে প্রচুর মানুষ ভিড় জমান। আতঙ্কে কেউ কাছে যেতে পারছিলেন না।

অবশেষে বিট অফিসার রাজীব চন্দ্র দে ঘুমপাড়ানি গুলি করে কাবু করে সেই হিংস্র ষাঁড়টিকে। প্রায় ত্রিশ জন গ্রামবাসী মিলে সেই গরুটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে উদ্ধার করলে আতঙ্ক মুক্ত হয় এলাকাবাসীয

স্থানীয় বাসিন্দা নূর ইসলাম জানান, দুমাস ধরে তাণ্ডব চালাচ্ছিল ষাঁড়টি।একাধিকবার প্রশাসনকে জনালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবশেষে ব্লক প্রশাসনের তরফে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। জেলা শাসকের নির্দেশেই বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণ শাখার কর্মীরা আজ ঘটনাস্থলে

বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণ শাখার স্কোয়াডের রেঞ্জার শুভাশিস রায় জানিয়েছেন, এই প্রথম বন দফতর কোনও গৃহপালিত প্রাণীকে ট্রাংকুলাইজ করল।

Published by:Suman Majumder
First published: