• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • FIVE NEW SHRUB FROG SPECIES HAVE BEEN DISCOVERED IN THE WESTERN GHATS AS PART OF A DECADE LONG STUDY TC RM

পশ্চিমঘাট পর্বতমালা থেকে আবিষ্কৃত হল ডাঙার ব্যাঙের ৫ টি নতুন প্রজাতি

পশ্চিমঘাট পর্বতমালা থেকে আবিষ্কৃত হল ডাঙার ব্যাঙের ৫ টি নতুন প্রজাতি

এই ধরনের ব্যাঙের অস্তিত্ব যে এখনও খুঁজে পাওয়া সম্ভব পৃথিবীর বুকে, তা বিশ্বাসই হচ্ছিল না প্রাণীবিদদের, তাঁরা ভেবেছিলেন এই ধরনের ব্যাঙেদের প্রজাতি পৃথিবী থেকে পুরোপুরি ভাবে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে

এই ধরনের ব্যাঙের অস্তিত্ব যে এখনও খুঁজে পাওয়া সম্ভব পৃথিবীর বুকে, তা বিশ্বাসই হচ্ছিল না প্রাণীবিদদের, তাঁরা ভেবেছিলেন এই ধরনের ব্যাঙেদের প্রজাতি পৃথিবী থেকে পুরোপুরি ভাবে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ব্যাঙ সাধারণত উভচর, জলে এবং স্থলে সমান স্বচ্ছন্দ। তবে এর মধ্যেও কিছু সূক্ষ্ম তফাত রয়েছে। এমন কিছু ব্যাঙ আছে যারা পুরোপুরি ভাবে স্থলের প্রাণী। এরা সাধারণত ঘন ঝোপে বাস করে থাকে। সেই জন্যই এদের ইংরেজিতে বলা হয় শ্রাব ফ্রগ। এবার পশ্চিমঘাট পর্বতমালার বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে এরকম-ই শ্রাব ফ্রগের ৫টি নতুন প্রজাতির সন্ধান পেলেন প্রাণীবিদরা।

জানা গিয়েছে, দিল্লি ইউনিভার্সিটি, কেরল ফরেস্ট রিসার্ট ইন্সটিটিউট এবং মিনেসোটা ইউনিভার্সিটির তরফে সম্মিলিত ভাবে এই অভিযান চলেছিল। তাতেই খোঁজ মিলেছে শ্রাব ফ্রগের পাঁচটি নতুন প্রজাতির, যা রীতিমতো অবাক করে দিয়েছে প্রাণীবিদদের। এই ধরনের ব্যাঙের অস্তিত্ব যে এখনও খুঁজে পাওয়া সম্ভব পৃথিবীর বুকে, তা বিশ্বাসই হচ্ছিল না  প্রাণীবিদদের,  তাঁরা ভেবেছিলেন এই ধরনের ব্যাঙেদের প্রজাতি পৃথিবী থেকে পুরোপুরি ভাবে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে।

এদের মধ্যে একটি প্রজাতির নাম রাঅর্কেস্টেস দ্রুতাহু (Raorchestes Drutaahu)। এরা খুব তাড়াতাড়ি ডাক ছাড়ে বলেই এই ধরনের নামকরণ। কেরলের ইদুকি জেলার কাদালর এবং পালাক্করের সিরুবানি থেকে এদের খোঁজ মিলেছে।

দ্বিতীয় প্রজাতিটির নাম রাঅর্কেস্টেস কাক্কায়ামেনসিস (Raorchestes Kakkayamensis)। কাক্কায়াম বাঁধের নিকটবর্তী ঘন অরণ্যের মধ্যে এরা বাস করে বলে এ হেন নাম, ওই এলাকা থেকেই এদের খোঁজ মিলেছে।

তৃতীয় প্রজাতিটির নাম রাঅর্কেস্টেস কায়রাসাবিনাই (Raorchestes Keirasabinae)। অগস্ত্যমালাই এবং আন্নামালাই পাহাড়ে এদের দেখা মিলেছে। প্রকৃতিবিদ কায়রা সাবিনের নামে এই গোত্রটির নামকরণ করা হয়েছে।

চতুর্থ প্রজাতির নাম রাঅর্কেস্টেস সঞ্জপ্পাই (Raorchestes Sanjappai )। কেরলের উত্তর অংশ থেকে এদের খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। বিখ্যাত বটানিস্ট ডক্টর এম সঞ্জপ্পার নামে এদের চিহ্নিত করা হয়েছে।

পঞ্চম প্রজাতিটির নাম রা-অর্কেস্টেস বেলিকান্নন (Raorchestes Vellikkannan)। সিরুবানি এবং সাইলেন্ট ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের কিছু অংশে এদের খোঁজ মিলেছে। বেলি শব্দের অর্থ রুপোলি এবং কান্নু মানে চোখ। চোখের রঙের উপরে নির্ভর করে এই নাম দেওয়া হয়েছে এদের।

এই পাঁচ প্রজাতির দেখা পেয়ে আনন্দের পাশাপাশি উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন প্রাণীবিদরা। তাঁদের বক্তব্য, অনেক সময়েই নামকরণের কিছু দিনের মধ্যেই এই প্রাণীগুলি বিলুপ্ত হয়ে যায়। আপাতত এদের টিংকিয়ে রাখাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন তাঁরা!

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

লেটেস্ট খবর