মাছের ভোগ দিয়েই এখানে শুরু হয় দেবীর পুজো

নিজস্ব চিত্র

মা চণ্ডীকেই মঙ্গলকোটের উজানি সতীপীঠে মা কালী হিসেবে পুজো করা হয়। শাস্ত্রমতে দেবীর বাঁ হাতের কনুই পড়েছিল এখানে।

  • Share this:

    #কাটোয়া: মা চণ্ডীকেই মঙ্গলকোটের উজানি সতীপীঠে মা কালী হিসেবে পুজো করা হয়। শাস্ত্রমতে দেবীর বাঁ হাতের কনুই পড়েছিল এখানে। মাছের ভোগ দিয়ে তবেই এখানে শুরু হয় দেবীর পুজো।

    মঙ্গলসাহিত্য থেকে জানা যায় দেবী মঙ্গলচন্ডীর পুজো প্রচলন করার জন্যই অভিশাপগ্রস্থ স্বর্গের অপ্সরাকে খুল্লনা রূপে এই উজানিনগরে পাঠানো হয়েছিল। খুল্লনাকে বিয়ে করেন ধনপতি সওদাগর। কিন্তু পরম শিবভক্ত ধনপতি মঙ্গলচন্ডীর পুজো মানতে পারেননি। বানিজ্যে বেরনোর সময় দেবীর ঘটে লাথি মেরে চলে যান ধনপতি। দেবীর ক্রোধে আর ফিরতে পারেননি উজানিতে। অনেক বছর পর খুল্লনার পুজোয় সন্তুষ্ট হন মা চণ্ডী। ধনপতিও ফিরে আসেন উজানিতে। কালিকা পুরাণ মতে উজানির সতীপীঠের দেবীচণ্ডী কালী রূপ ধারন করেই ভক্তের কষ্ট দূর করেছিলেন। সেই থেকে এই সতীপীঠে কালী পুজো শুরু হয়। কালীর কোনও প্রতিমা থাকেননা এখানে। ঘটেই কালী পুজো সারেন ভক্তরা।

    এই পীঠস্থানে দেবী মঙ্গলচণ্ডী ও ভৈরব কপিলেশ্বরের পাথরের মূর্তিও দেখতে পাওয়া যায়। মঙ্গলকোটের এই কালী পুজোকে কেন্দ্র করে উৎসবে মেতে ওঠেন উজানি বা কোগ্রাম লাগোয়া বীরভূম, মুর্শিদাবাদ সহ নদিয়ার ভক্তরাও।

    First published: