• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ২০২২ সাল পর্যন্ত কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত হতে পারে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশ, দাবি সমীক্ষার!

২০২২ সাল পর্যন্ত কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত হতে পারে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশ, দাবি সমীক্ষার!

সংক্রমণের আশঙ্কা পেরিয়ে এখন ভ্যাকসিন (Covid Vaccine) আসার আশায় বুক বেঁধেছে মানুষজন।

সংক্রমণের আশঙ্কা পেরিয়ে এখন ভ্যাকসিন (Covid Vaccine) আসার আশায় বুক বেঁধেছে মানুষজন।

সংক্রমণের আশঙ্কা পেরিয়ে এখন ভ্যাকসিন (Covid Vaccine) আসার আশায় বুক বেঁধেছে মানুষজন।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সংক্রমণের আশঙ্কা পেরিয়ে এখন ভ্যাকসিন (Covid Vaccine) আসার আশায় বুক বেঁধেছে মানুষজন। নানা প্রান্তে ট্রায়ালও শুরু হয়েছে। তবে সবাই কি ভ্যাকসিন পাবেন? সম্প্রতি John Hopkins-এর এক সমীক্ষা জানাচ্ছে অন্য কথা। সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২২ সাল পর্যন্ত বিশ্বের সম্পূর্ণ জনসংখ্যার প্রায় এক পঞ্চমাংশ বঞ্চিত থেকে যাবেন ভ্যাকসিন থেকে। কিন্তু কেন এই পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে? জেনে নেওয়া যাক বিশদে।

বুধবার প্রকাশিত হয়েছে এই সমীক্ষা। সমীক্ষাটির দাবি, এই মারণ ভাইরাসের (Coronavirus) জেরে ইতিমধ্যেই আমেরিকা, ব্রিটেন, ভারত-সহ একাধিক দেশে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যাও বহু। তবে লকডাউন (Lockdown) থেকে বেরিয়ে সংক্রমণের মোকাবিলা করা শুরু করেছে দেশগুলি। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি সংস্থা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করেছে। ভ্যাকসিনকে বাজারজাত করার জন্য দেশের প্রশাসনিক ভবনগুলি থেকে অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে। কিন্তু সবাই সমান ভাবে এই ভ্যাকসিনের সুবিধা পাবে কি না তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দানা বেঁধেছে। সমীক্ষার তথ্য বলছে, পরের বছর যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা রয়েছে, তার অধিকাংশ ডোজই বুক করে ফেলেছে শক্তিশালী ও ধনী দেশগুলি। সমীক্ষার সঙ্গে যুক্ত Johns Hopkins Bloomberg School-এর গবেষকদের কথায়, বিশ্বে মোট জনসংখ্যার মাত্র ১৪ শতাংশ জনসংখ্যা রয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন বা আরব আমিরশাহির মতো ধনী দেশগুলিতে। আগামী বছর যে সংস্থাগুলি ভ্যাকসিন নিয়ে আসছে, সেই ভ্যাকসিনের অর্ধেকের বেশি ডোজের প্রি-অর্ডার দিয়ে বসে আছে এই সমস্ত ধনী দেশ। আর এখানেই একটা অজানা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এর জেরে ভ্যাকসিন থেকে কোথাও যেন বঞ্চিত হতে পারে গরিব ও ছোট দেশগুলি। বিষয়টি বোঝাতে গিয়ে গবেষকরা একটি সহজ তথ্য দিয়েছেন। তাঁদের কথায় ভ্যাকসিনের অর্ডারের পরিসংখ্যান বিষয়টিকে আরও সহজ করে দেয়। এ ক্ষেত্রে কানাডা প্রতি মানুষে চারটি ডোজের অর্ডার দিয়েছে। আমেরিকা (America) প্রতি জনের ভিত্তিতে একটি ভ্যাকসিন কোর্সের প্রি-অর্ডার দিয়েছে। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশ দুই থেকে তিনজনের জন্য মাত্র একটি ভ্যাকসিন কোর্সের প্রি-অডার দিয়েছে। BMJ medical journal-এ প্রকাশিত সমীক্ষাটির দাবি, যদি বিশ্বের সমস্ত ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা তাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অনুযায়ী স্থায়ী, নিরাপদ ও কার্যকরী ভ্যাকসিন বানিয়ে ফেলে এবং উৎপাদন মাত্রাও যথেষ্ট পরিমাণ হয়, তবুও ২০২২ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার কমপক্ষে এক পঞ্চমাংশ ভ্যাকসিন প্রয়োগ থেকে বাদ পড়বে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৭.৪৮ বিলিয়ন ডোজ বুকিং শেষ। এই পরিমাণ উৎপাদনে ২০২১ সালের শেষ পর্যন্ত সময় লেগে যাবে। এ ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের স্টোরেজ সিস্টেমও একটা বড় বিষয়। বিশেষজ্ঞদের কথায়, অনেক ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিনের দু'টি বা তিনটি ডোজের প্রয়োজন পড়বে। এ ক্ষেত্রে অল্প তাপমাত্রায় ভ্যাকসিনের সংরক্ষণও একটা বড় বিষয়। কিন্তু হাই কোয়ালিটি স্টোরেজ সিস্টেমের ব্যবস্থা করা সব দেশের পক্ষে এতটাও সহজ নয়। পুরো ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম পরিচালনা করা, এত জনসংখ্যার মধ্যে তার সমবণ্টন খুব একটা সহজ কথা নয়। এ ক্ষেত্রে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Published by:Akash Misra
First published: