দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কৃষকদের হাত থেকে কৃষি আন্দোলন রাশ দেশদ্রোহীদের হাতে, কাম্য নয়: নির্মলা সীতারামন

কৃষকদের হাত থেকে কৃষি আন্দোলন রাশ দেশদ্রোহীদের হাতে, কাম্য নয়: নির্মলা সীতারামন
নির্মলা সীতারামন।

তাঁর কথায়, "বিরোধীরা কৃষকদের ব্যবহার করে রাজনীতি করছে। দেশদ্রোহীরা আন্দোলনে মিশে যাচ্ছে।"

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: কৃষকরা যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার লড়াইয়ে বোরে না হয়ে যান। শনিবার নিউজ-১৮ কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই সাক্ষাৎকারে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট মত, বিরোধীরা কৃষকশক্তিকে ব্যবহার করতে চাইছে মাথা তুলতে। তাঁর কথায়, "বিরোধীরা কৃষকদের ব্যবহার করে রাজনীতি করছে। দেশদ্রোহীরা আন্দোলনে মিশে যাচ্ছে।"

আজ ১৭ দিনে পড়ল কৃষক আইন বিরোধী আন্দোলন। আন্দোলন প্রত্যাহার তো দূরে থাক আরও জোরালো ভাবে আন্দোলন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিচ্ছেন কৃষক নেতারা। এরপরে দিল্লি আগ্রা, জয়পুর দিল্লি এক্সপ্রেসওয়ে বন্ধ রাখারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে অনশনে হসার হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা। দেশের বিভিন্ন অংশে ৩২টি কৃষি সংগঠন আলাদা ভাবে পথে নামতে চলেছে, বার্তা এমনটাই।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর কেন্দ্র তিনটি কৃষিবিলকে আইনে পরিণত করে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাবশ্যক পণ্য আইন, যেখানে যুদ্ধ পরিস্থিতি বাদ দিয়ে ব্যবসায়ীরা সব সময়েই যত ইচ্ছে মজুত করতে পারবে আলু, ডাল বা অন্যান্য দানাশস্য। রয়েছে খামার চুক্তি পরিষেবা আইন, সেখানে চুক্তিচাষকে মান্যতা দেওয়া বলেও চাষি কী ভাবে ন্যয্য মূল্য পাবেন তা বলা নেই। এছাড়া রয়েছে ব্যবসায়ীর কাছে কৃষকরের ফসল বিক্রির আইন। মাণ্ডি থেকে ফসল কিনতে হলে যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দেওয়া হত, তার কথা বলা নেই এই আইনে। কৃষকদের দাবি এই আইনগুলি প্রত্যাহার করতে হবে। সেই বিরোধিতাতার জায়গা একজোট কৃষকরা। বুধবার ষষ্ঠব‌ার কৃষককদের সঙ্গে কথা বলার কথা ছিল কেন্দ্রের। কিন্তু সেই বৈঠক বাতিল হয়।

এদিকে শনিবার বণিকসভা ফিকি-র বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফের একবার কৃষি আইনের পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী৷ প্রধানমন্ত্রী৷ তার দাবি নতুন আইন অনুযায়ী, মান্ডির পাশাপাশি অন্যত্রও ফসল বেচতে পারবেন কৃষক৷ যেখানে বেশি দাম পাবেন, সেখানেই ফসল বিক্রির স্বাধীনতা পাবেন তিনি৷

প্রসঙ্গত, নির্মলা সীতারামন এদিন নিউজ১৮ কে বলেন, "কৃষকদের দাবিদাওয়াই আন্দোলনের প্রধান দাবিদাওয়া হয়ে থাকছে না। দেশদ্রোহীদের মুক্তির দাবি উঠছে ওই আন্দোলন থেকে। আন্দোলনটিকে একরকম অপহরণ করা হচ্ছে।"

কিন্তু কেন সরকার কৃষকদের মত মানছে না? নির্মলার যুক্তি, যে কোনও বিষয়ে সমঝোতাই সময় সাপেক্ষ। নরেন্দ্র সিং তোমাার ও পীযুষ গোয়েল এই বিষয়ে কথাবার্তা চালাচ্ছেন এখনও। কিন্তু আমরা মনে করি, দেশের দশের জন্য এই আইন প্রত্যাহার খুব ভালো সিদ্ধান্ত হবে না।

কংগ্রেসকে একহাত নেন নির্মলা সীতারামন। তাঁর যুক্তি কংগ্রেস কৃষকদের ঋণমুকুবও করেনি। তাদের কোনও বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই।

Published by: Arka Deb
First published: December 12, 2020, 9:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर