'দাবি পূরণ না হলে ঘরে ফিরব না', আন্দোলনের সময়সীমা বেঁধে দিলেন কৃষক নেতা

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না। জানিয়ে দিলেন আন্দোলনরত কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইট। শুধু তাই নয়। দাবি পূরণ না হলে কেন্দ্রের সঙ্গে কোনও রকমের আলোচনাতেও যাবেন না।

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না। জানিয়ে দিলেন আন্দোলনরত কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইট। শুধু তাই নয়। দাবি পূরণ না হলে কেন্দ্রের সঙ্গে কোনও রকমের আলোচনাতেও যাবেন না।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না। জানিয়ে দিলেন আন্দোলনরত কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইট। শুধু তাই নয়। দাবি পূরণ না হলে কেন্দ্রের সঙ্গে কোনও রকমের আলোচনাতেও যাবেন না। জাতীয় সড়কগুলিতে শনিবার তিন ঘণ্টার চাক্কা জ্যামের পরে স্পষ্ট বললেন তিনি।

    এদিন কৃষক আন্দোলনের সময় সীমাও বেঁধে দিলেন তিনি। দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তে গাজিপুরে উপস্থিত কৃষকদের সাফ জানালেন আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে আন্দোলন। সেই ২ অক্টোবরের মধ্যেই কেন্দ্রকে কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের উপরেই নির্ভর করছে, তার পরেও বিক্ষোভ চলবে কি না।

    কৃষি আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না বলেও এদিন জানান কৃষক নেতা। তিনি বলছেন, "দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরব না। আমরা ২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছি এই আইন প্রত্যাহার করার। এর পরে আমরা পরবর্তী পরিকল্পনা করব। আমরা চাপে পড়ে সরকারের সঙ্গে কোনও রকমের আলোচনায়ও যাব না।"

    আজ কৃষি আইন বাতিলের দাবিতেই তিন ঘণ্টার চাক্কা জ্যাম করেন কৃষকরা। গোটা দিনেই শান্তি বজায় ছিল। পঞ্জাবের ১৫টি জেলার ৩৩টি জায়গার রাস্তায় আন্দোলন করেন কৃষকরা। সারা দেশের বহু কৃষক এই চাক্কা জ্যামে আজ যোগ দিয়েছিলেন। রোজকার যাতায়াতকারীদের যাতায়াতে সামান্য অসুবিধা হলেও, কিছু ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, অ্যাম্বুল্যান বা জরুরি কোনও গাড়ি গেলে ব্যারিকেড সরিয়ে রাস্তা ফাঁকা করে দিয়েছেন কৃষকরা।

    প্রসঙ্গত, সাধারণতন্ত্র দিবসেও দিল্লির রাজপথে ট্রাক্টর মিছিল করেন কৃষকরা। কিন্তু সেই মিছিল অন্য রূপ নিয়েছিল। পুলিশের সঙ্গে কৃষকদের অশান্তিতে দিল্লিতে হিংসা ছড়ায়। এই ঘটনায় বহু কৃষক আন্দোলন ছেড়ে যেতে উদ্যত হয়েছিলেন। কিন্তু কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইটের চোখের জল তাঁদের ফিরিয়ে আনে। কৃষক নেতা জনসমক্ষে সেদিন কেঁদে ফেলেন এবং আন্দোলনে থাকার আকুতি করেন। তার পরে আবার হাজার হাজার কৃষক সেখানে যোগ দেন।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: