আর অন্ধগলিতে বন্ধ নয় প্রতিভা,আলি-লাভলিকে সেরা জায়গায় ট্রেনিংয়ের সুযোগ করে দিলেন কিরণ রিজিজু

সাই-তে জিমন্যাস্টিকে সরাসরি সুযোগ পেল TikTok ভিডিও-র ভাইরাল খুদেরা

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 05, 2019 08:41 PM IST
আর অন্ধগলিতে বন্ধ নয় প্রতিভা,আলি-লাভলিকে সেরা জায়গায় ট্রেনিংয়ের সুযোগ করে দিলেন কিরণ রিজিজু
Photo- Video Grab
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 05, 2019 08:41 PM IST

#কলকাতা: একটা টিকটক ভিডিও। সেখান থেকেই রাতারাতি ভাইরাল আলি ও লাভলি। তাঁদের অসামাণ্য সামারসল্ট ও কার্ট হুইলিং দেখে অবাক স্বয়ং নাদিয়া কোমানিচিও। করেছিলেন ট্যুইটও ৷ এবার সেরা সুযোগটা পেয়ে গেল এই দুই খুদে ৷  ক্রীড়া বিভাগের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী কিরণ রিজিজু এই সুখবর জানিয়েছেন ৷ জাসিকার বয়স ১১ ও আজাজউদ্দিনের বয়স ১২ ৷ এত ভালো এই ভল্ট গুলি দিকে পারলেও এঁরা কখনও জিমন্যাস্টিক শেখেনি ৷ শিখত নাচ ৷ একদম  কারিগর তৈরির আতুঁরঘরে সুযোগ পেল এই দুই খুদে ৷

রাতারাতি সেলিব্রিটি হওয়া দুই পড়ুয়া নাচ ছেড়ে জিমন্যাস্টিক্স নিয়ে সিরিয়াস ভাবনা শুরু করেছে। সুদিনের আশায় পরিবারও ছিল ৷ আগেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়ামন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা এঁদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন ৷ আশ্বাস ছিল সাহায্যেরও ৷ কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে একেবারে সেরা অফারটি পেয়ে গেল ৷

Loading...

স্কুল থেকে ফেরার পথে। খেলার ছলে। শান্ত আলির সামারসল্ট। আর দুরন্ত লাভলির কার্ট হুইলিং। কিন্তু এই ভিডিও যে রাতারাতি দুই বন্ধুকে সেলিব্রিটি করে দেবে, সেটা বোধ হয় কেউ ভাবেননি। ভিডিও দেখে অবিশ্বাস্য বলে টুইট স্বয়ং নাদিয়া কোমানিচির। প্রথম জিমন্যাস্ট হিসেবে যিনি পারফেক্ট টেন করেছিলেন অলিম্পিক্সে।

ছোট থেকেই দুষ্টুমিতে চূড়ান্ত লাভলি। তার অবশ্য একটা ভাল নামও রয়েছে। জেসিকা খান। তবে ছোট থেকে জিমন্যাস্টিক্সের ধারে কাছে যায়নি লাভলি। তার পছন্দ নাচ। নাচের শিক্ষক শেখর রাওয়ের কাছে শেখে মাইকেল জ্যাকসনের দুই ক্ষুদে ভক্ত। নাচ শিখতে গিয়েই মাঝে মাঝে ভল্ট, সামারসল্ট প্র্যাকটিস করা। স্যারের কথাতেই স্কুল ড্রেসে একদিন কার্ট হুইলিং করে ফেলল লাভলি। ব্যাস!!! ভিডিও ভাইরাল একবার পোস্ট হতেই।

আরও পড়ুন - প্যান্ডেলের ভিতর গণেশ পুজো, সেখানে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে গেল ডাম্পার

লাভলি যতটাই দুষ্টু। ততটাই শান্ত আলি। যার ভাল নাম মহম্মদ ইজাজউদ্দিন। লাভলির থেকে এক ক্লাস নীচে পড়লেও দু'জনে ছোট থেকেই বন্ধু। একসঙ্গে শেখর স্যারের কাছে নাচ শেখা। খেলার ধারপাশ দিয়ে দু'জনের কেউই যায়নি। কিন্তু সামারসল্ট নিেয় শোরগোল ফেলে দিয়েছে। নাদিয়া কোমানিচির নাম শোনেনি। কিন্তু আলি এবার জিমন্যাস্টিক নিয়ে ভাবতে চায়।

ভাগ্যিস কাছে পেয়েছিলেন। না'হলে হয়ত অধরা রয়ে যেত দুই ইন্টারনেট সেনসেশন। তিনিও ভাবেননি, তাঁর ভিডিও এমনভাবে ভাইরাল হবে।লাভলির বাবা গাড়ি চালান। মা সেলাইয়ের কাজ করেন। আলির পরিবারেরও দিন আনি দিন খাই অবস্থা। সেখান থেকে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যাওয়া। এখনও যেন ঘোর কাটছে না দুই পরিবারের।

আরও দেখুন

First published: 08:41:09 PM Sep 05, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर