দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ফিরিয়ে নিচ্ছে না পরিবার ! সুস্থ হয়েও হাসপাতালেই দিন কাটছে করোনা আক্রান্তদের !

ফিরিয়ে নিচ্ছে না পরিবার ! সুস্থ হয়েও হাসপাতালেই দিন কাটছে করোনা আক্রান্তদের !
photo source news18

একজন ৯৩ বছরের বৃদ্ধা করোনায় সেরে উঠে অপেক্ষায় রয়েছেন নিজের ছেলের। কিন্তু ছেলের তরফ থেকে মাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনও চেষ্টা এমনকি ফোনও আসেনি।

  • Share this:

#হায়দরাবাদ: করোনা আক্রান্তদের কাছে সেরে ওঠার প্রধান অস্ত্র হল মনের জোর। রোগকে হারিয়ে আবার প্রিয়জনদের কাছে ফিরে যেতেই মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করেন করোনা রোগীরা। এই রোগের এখনও প্রতিষেধক আবিষ্কৃত নয়। তাই মনের জোর ও সঠিক যত্নেই সেরে উঠছেন অনেকে। কিন্তু অসুখ সেরে গেলেও তাঁদের কপালে জুটছে না ভালবাসা। বাড়ির লোকেরা বা পরিবারের বাকি মানুষ তাঁদের ফেরত নিতে চাইছেন না। এমনই ঘটনা সামনে এসেছে হায়দরাবাদের গান্ধি হাসপাতালে। প্রায় ৫০ জন রোগীর সঙ্গে এমনই ঘটেছে এই হাসপাতালে। সুস্থ হওয়ার পরও পরিবার থেকে তাঁদের ফিরিয়ে নিতে আসেননি কেউ।

হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার জন্য অপেক্ষা করছেন অনেকেই। হাসপাতালের দরজায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও কেউ তাঁদের নিতে আসেননি। বাধ্য হয়ে তাঁরা আবার সাহায্যের জন্য হাসপাতালের দ্বারস্থ হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে বার বার বাড়ির লোককে ফোন করা হলেও, কেউ ফোন ধরেননি। এই সব রোগীরাই প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন হয়ে গেল এখনও হাসপাতালেই রয়ে গিয়েছেন।

গান্ধি হাসপাতালের নোডাল অফিসার ডক্টর প্রভাকর রাও জানিয়েছেন, "এই সমস্ত রোগীরাই স্বাস্থ্যবান, তাঁদের শরীরে এখন কোভিডের কোনও উপসর্গ নেই। তার পরেও তাঁদের পরিবার রোগীদের ফিরিয়ে নিতে চাননি।" অনেক ক্ষেত্রে আবার কিছু পরিবার নতুন করে টেস্টের দাবি করেছেন ।

মনে করা হচ্ছে করোনা সংক্রান্ত ভয় থেকেই এমনটা করছেন পরিবারের লোকেরা। একজন ৯৩ বছরের বৃদ্ধা করোনায় সেরে উঠে অপেক্ষায় রয়েছেন নিজের ছেলের। কিন্তু ছেলের তরফ থেকে মাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনও চেষ্টা এমনকী ফোনও আসেনি। ফোন করলেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। এই সমস্ত রোগীদের কয়েকজনকে হাসপাতালেই রাখা হয়েছে। বাকিদের অনেককেই পাঠানো হয়েছে নেচার কিওর হাসপাতলে। এই হাসপাতালটিকে আপাতত কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ঘোষণা করা হয়েছে। গান্ধি হাসপাতালে রোগীদের অত্যধিক চাপ। এই অবস্থায় নতুন রোগীকে ভর্তি নেওয়ার জন্যই খালি করতে হচ্ছে বেড।

Published by: Piya Banerjee
First published: June 25, 2020, 10:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर