corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিজেপি-কংগ্রেসের প্রশ্নবাণে বেকায়দায় ফেসবুক! দেড়শোর বেশি প্রশ্নের উত্তরই নেই

বিজেপি-কংগ্রেসের প্রশ্নবাণে বেকায়দায় ফেসবুক! দেড়শোর বেশি প্রশ্নের উত্তরই নেই
ছবিটি প্রতীকী

এ বার তথ্য-প্রযুক্তি নিয়ে সংসদের স্ট্যান্ডিং কমিটি বৈঠকে বিজেপি-কংগ্রেসের একের পর এক প্রশ্নে বেকায়দায় পড়লেন ফেসবুক ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর অজিত মোহন৷ ১৫০টি প্রশ্নের কোনও উত্তরই দিতে পারলেন না৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ফেসবুকের সঙ্গে বিজেপি-র আঁতাঁত রয়েছে৷ এই অভিযোগ বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই করে আসছে বিরোধী দলগুলি৷ আবার বিজেপি-র অভিযোগ, কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করছে ফেসবুকের কর্মীদের একাংশ৷ এ বার তথ্য-প্রযুক্তি নিয়ে সংসদের স্ট্যান্ডিং কমিটি বৈঠকে বিজেপি-কংগ্রেসের একের পর এক প্রশ্নে ধরা পড়ে গেলেন ফেসবুক ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর অজিত মোহন৷ ১৫০টি প্রশ্নের কোনও উত্তরই দিতে পারলেন না৷

কংগ্রেস নেতা শশী থারুর সংসদের ওই স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান৷ বুধবারের ওই বৈঠক চলে প্রায় ২ ঘণ্টা ২০ মিনিট৷ বিজেপি ও কংগ্রেস-- উভয় পক্ষই ফেসবুক কর্তার সামনে একে অপরের বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের প্রসঙ্গ তোলে৷ বিরোধীরা যখন তেলঙ্গানার বিধায়ক রাজা সিং ও পশ্চিমবঙ্গে অমিত শাহের বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের প্রসঙ্গে তোলেন, তখন বিজেপি-ও সনিয়া গান্ধির 'আর ইয়া পার কি লড়াই' ও সিএএ বিরোধিতায় বাম নেতা কানহাইয়া কুমারের উস্কানিমূলক মন্তব্যের প্রসঙ্গে টেনে আনে৷

সাংসদরা ফেসবুক-কে জিগ্গেস করেন, বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে ফেসবুক কী ধরনের বা কত বার পদক্ষেপ করেছে৷ সূত্রের খবর, ফেসবুক ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর জানান, তাদের কাছে কোনও নির্দিষ্ট নম্বর নেই বলার মতো৷ তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগ পাওয়ার পরে পদক্ষেপ করা হয়েছে৷ ফেসবুক-এর কর্মীদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিফলন নিয়েও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়৷ বিজেপি সাংসদরা দাবি করেন, ফেসবুকের উচ্চপদস্থ কর্মীরা বাম বা কংগ্রেসের মতাদর্শকে পক্ষপাতিত্বের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছে৷ এই অভিযোগের জবাব দিতে পারেনি ফেসবুক৷

সিনিয়র বিজেপি সাংসদদের অভিযোগ, ফেসবুকের আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট চেকিং নেটওয়ার্ক কমিটির প্রধান কাঞ্চন কউর কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও ব্যক্তিগত ভাবে নিশানা করেছেন৷ ফ্যাক্টচেক টিমের আরেক সদস্য প্রতীক সিনহাও কংগ্রেসের পক্ষে প্রচার করার চেষ্টা করেছেন৷ তখন ফেসবুক ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অজিত মোহন বলেন, তিনি কেরল কংগ্রেসে পূর্বে কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন এবং দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের হয়ে কাজ করার জন্য ম্যাকেঞ্জি-তে চাকরি করেছেন৷ মোদি সরকারের আমলে সেই সব আর্টিকেল ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে৷

সূত্রের খবর, বিজেপি সাংসদরা ফেসবুক কর্তাকে জিগ্গেস করেন, ফেসবুকে বিজেপি, শিবসেনা, বিশ্বহিন্দু পরিষদ, বজরং দল বা আরএসএস-এর কোনও প্রতিনিধিকে নিয়োগ করেছেন? এই প্রশ্নের কোনও তথ্য দিতে পারেননি ফেসবুক কর্তা৷

'ফেসবুক ফর মুসলিম'-এর গ্রুপ তৈরির বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ করেছে ফেসবুক? ফেসবুক কর্তা জানান, এই ধরনের বিষয় ব্লক করার মতো কোনও নীতি তাদের নেই৷ 'শিখস ফর জাস্টিস' নামে একটি গ্রুপে ভআরতের মানচিত্র বিকৃত করে পোস্ট করা হয়৷ সেটিও ডিলিট করেনি ফেসবুক৷ একাধিক সাংসদ অভিযোগ করেন, 'জয় শ্রীরাম'-এর মাধ্যমে কুমন্তব্য ও ভারতীয় দেব, দেবীদের ছবি দিয়ে নানা বিদ্বেষমূলক পোস্ট করা হয়েছে নির্বাচনের সময়ে৷ বস্তুত, ফেসবুকের কাছে এই সব অভিযোগের বিষয়ে সঠিক জবাব ছিল না৷

দেড়শোটিরও বেশি প্রশ্নের কোনও উত্তর দিতে পারেনি ফেসবুক৷ ফেসবুক কর্তা জানান, লিখিত ভাবে ওই প্রশ্নগুলি পাঠাতে৷ তারা লিখিত ভাবেই জবাব দেবে৷ ভারতে ফেসবুকের গ্রাহক সংখ্যা ৪০ কোটির বেশি৷

Published by: Arindam Gupta
First published: September 3, 2020, 8:39 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर