• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • 'রাজনৈতিক রং না দেখেই পদক্ষেপ', বিজেপি-কে বাড়তি সুবিধের অভিযোগ খারিজ করল ফেসবুক

'রাজনৈতিক রং না দেখেই পদক্ষেপ', বিজেপি-কে বাড়তি সুবিধের অভিযোগ খারিজ করল ফেসবুক

আবারও গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষায় প্রশ্নের মুখে Facebook। জানা গিয়েছে, Telegram bot ব্যবহার করে বিক্রি করা হয়েছে ৫০০ মিলিয়ন Facebook ব্যবহারকারীর তথ্য। গবেষক জানাচ্ছেন, যিনি এই Telegram bot চালাতেন তাঁর কাছে ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারীর তথ্য ছিল। যা লিক করা হয় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

আবারও গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষায় প্রশ্নের মুখে Facebook। জানা গিয়েছে, Telegram bot ব্যবহার করে বিক্রি করা হয়েছে ৫০০ মিলিয়ন Facebook ব্যবহারকারীর তথ্য। গবেষক জানাচ্ছেন, যিনি এই Telegram bot চালাতেন তাঁর কাছে ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারীর তথ্য ছিল। যা লিক করা হয় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে ট্যুইটারে বিজেপি-কে আক্রমণ করেন রাহুল গান্ধি৷ অভিযোগ করেন, ভারতে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপকে নিয়ন্ত্রণ করে বিজেপি এবং আরএসএস৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: বিদ্বেষমূলক পোস্ট করলেও বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয় না ফেসবুক ৷ মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল'-এ প্রকাশিত একটি রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছিল৷ আর তাকে কেন্দ্র করেই রবিবার থেকে বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে কংগ্রেস ও বিজেপি৷ শেষ পর্যন্ত বিতর্কে ইতি টানতে বিবৃতি দিয়ে ফেসবুক দাবি করল, রাজনৈতিক রং না দেখেই সবসময় পদক্ষেপ করে তারা৷

    সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, 'হিংসায় উস্কানি দিতে পারে, এমন যে কোনও পোস্টকে আটকায় ফেসবুক৷' একই সঙ্গে তিনি বলেন, 'গোটা বিশ্ব জুড়েই রাজনৈতিক পদ বা রং না দেখেই এই নীতি অনুসরণ করা হয়৷' স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং নির্ভুল ভাবে এই কাজ করার জন্য সংস্থা নিয়মিত অডিট করার সিদ্ধান্তও সংস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন ফেসবুকের ওই মুখপাত্র৷

    ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, হিংসা এবং বিদ্বেষমূলক পোস্টের বিরুদ্ধে ফেসবুক যে কঠোর নীতি অনুসরণ করে, বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে তা প্রয়োগ করে না ওই সংস্থা৷ শুধু তাই নয়, ফেসবুকের এক শীর্ষ আধিকারিক স্বীকার করেছেন, বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে এই কারণে কঠোর পদক্ষেপ করলে ভারতে সংস্থার ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷

    মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এই রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে ট্যুইটারে বিজেপি-কে আক্রমণ করেন রাহুল গান্ধি৷ ট্যুইটারে ওই রিপোর্টটি পোস্ট করে লেখেন, 'বিজেপি এবং আরএসএস ভারতে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ এই সমস্ত মাধ্যমকে ব্যবহার করে জনমতকে প্রভাবিত করতে এরা ভুয়ো খবর এবং বিদ্বেষ ছড়ায়৷ শেষ পর্যন্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফেসবুক নিয়ে প্রকৃত সত্যটা প্রকাশ করেছে৷'

    কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও ট্যুইটারে দাবি করেন, 'তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি নিশ্চয়ই এই রিপোর্টে তোলা অভিযোগ নিয়ে ফেসবুকের বক্তব্য তলব করবে৷ ভারতে বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান কী, তা জানতে চাওয়া হবে৷'

    পাল্টা কংগ্রেসকে আক্রমণে নামেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ৷ কংগ্রেসকে চেপে ধরতে তিন বছরের পুরনো কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা বিতর্ক টেনে আনেন তিনি৷ ট্যুইটারে রবিশঙ্কর প্রসাদ লেখেন, 'পরাজিত হতে হতে যারা নিজেদের দলে থাকা মানুষেরই আস্থা অর্জনে ব্যর্থ, তারাই সমানে অভিযোগ করে যে বিজেপি এবং আরএসএস গোটা পৃথিবীটাকে নিয়ন্ত্রণ করছে৷ কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা এবং ফেসবুকের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচনের আগে তথ্য ব্যবহার করতে গিয়ে যারা হাতেনাতে ধরা পড়েছে, তারাই এখন আমাদের বিরুদ্ধে কীভাবে অভিযোগ তোলে?'

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: