Covid-19: পাছে নাতির শরীরেও ঢোকে মারণ ভাইরাস! আতঙ্কে আত্মঘাতী করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ দম্পতি

Covid-19: পাছে নাতির শরীরেও ঢোকে মারণ ভাইরাস! আতঙ্কে আত্মঘাতী করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ দম্পতি

আক্রান্ত হয়েছিলেন সত্তোরোর্ধ বৃদ্ধ দম্পতি। অসুস্থ হয়ে নয়। রেললাইনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন তাঁরা। ভয় পেয়েছিলেন, তাঁদের থেকেই সংক্রমিত হতে পারে তাঁদের নাতি।

আক্রান্ত হয়েছিলেন সত্তোরোর্ধ বৃদ্ধ দম্পতি। অসুস্থ হয়ে নয়। রেললাইনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন তাঁরা। ভয় পেয়েছিলেন, তাঁদের থেকেই সংক্রমিত হতে পারে তাঁদের নাতি।

  • Share this:

    #জয়পুর: করোনা (corona) আক্রান্ত হয়েছিলেন সত্তোরোর্ধ বৃদ্ধ দম্পতি। অসুস্থ হয়ে নয়। রেললাইনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন তাঁরা। ভয় পেয়েছিলেন, তাঁদের থেকেই সংক্রমিত হতে পারে তাঁদের নাতি। পুলিশ সূত্রে এমনই জানা গিয়েছে। মৃত দম্পতির মধ্যে বৃদ্ধের নাম হীরালাল বাইরওয়া (৭৫) এবং বৃদ্ধার নাম শান্তিবাঈ (৭০)। ঘটনা রাজস্থানের কোটা শহরের।

    এই বৃদ্ধা দম্পতি তাঁদের ১৮ বছরের নাতি ও পুত্রবধূর সঙ্গে থাকতেন। সঙ্গে থাকতেন । বৃদ্ধ দম্পতির ছেলে ৮ বছর আগেই মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত ২৯ এপ্রিল তাঁদের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পর থেকেই তাঁরা বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। অসুস্থতার থেকেও অসুখ নিয়ে আতঙ্ক তাঁদের উপর জাঁকিয়ে বসেছিল। আতঙ্ক ছিল, পাছে তাঁদের সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হয় নাতি। আর তাই দিল্লি-মুম্বই আপ লাইন লিঙ্কে চম্বল সেতুর কাছে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন রবিবার। জানিয়েছেন রেলওয়ে কলোনি পুলিশ স্টেশনের ইনস্পেক্টর রমেশ চাঁদ শর্মা।

    অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে। কোভিড প্রোটোকল মেনে মৃতদেহ সৎকারের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্ত থেকেই জানা যাচ্ছে, দম্পতি ভয় পেয়েছিলেন তাঁদের থেকেই নাতি ও অন্যান্য সদস্যরা করোনা আক্রান্ত হতে পারে। আর তাই রবিবার সকাল সকাল বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন বৃদ্ধ দম্পতি। তবে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি ঘটনাস্থল থেকে। এই একই দিনে কোটা শহরে আরও একটি আত্মহত্যার ঘটনা সামনে আসে। ২০ বছরের এক তরুন, গৌরব যাদব গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন।

    প্রসঙ্গত, সারা ভারত করোনার ভয়ে ত্রস্ত হয়েছে। প্রতিদিন যেভাবে সংক্রমণ রেকর্ড তৈরি করছে তাতে উদ্বিগ্ন গোটা। প্রায় রোজই ৪ লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছচ্ছে সংক্রমণ। এমতবস্থায় হাসপাতালে বেড ও অক্সিজেন, ওষুধেরও ঘাটতিতে ভোগান্তি হচ্ছে মানুষের। এমন পরিস্থিতিতে ভয় পাচ্ছেন অনেকেই। মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও প্রভাব ফেলেছে এই মহামারী। তাই অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর মধ্যেই উঠে আসছে আত্মহত্যার মতো ঘটনাও।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: