Home /News /national /
UP Assembly Poll 2022: যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে প্রার্থী কাফিল খান! গোরক্ষপুর আসনে দাঁড়াতে রাজি চিকিৎসক

UP Assembly Poll 2022: যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে প্রার্থী কাফিল খান! গোরক্ষপুর আসনে দাঁড়াতে রাজি চিকিৎসক

Dr Kafeel Khan in Gorakhpur: কাফিল খান ভোটে লড়ার জন্য কোনও দলের সঙ্গে বা নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন কী না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আলোচনা চলছে। সব ঠিক থাকলে আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।”

  • Share this:

    #উত্তরপ্রদেশ:  চমকে ভরপুর হতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন (UP Assembly Poll 2022)! রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বিজেপিকে জোর টক্কর দিতে ভোটে দাঁড়াতে পারেন চিকিৎসক কাফিল খান (Dr Kafeel Khan)। ২০১৭ সালে বিআরডি মেডিকেল কলেজে অক্সিজেনের অভাবে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় যাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম এবং দায়িত্ববোধ দেশের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠেছিল, মঙ্গলবার সেই চিকিৎসক কাফিল খান (Paediatrician Dr Kafeel Khan) জানিয়েছেন, কোনও দল তাঁকে সমর্থন করলে তিনি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Uttar Pradesh Chief Minister Yogi Adityanath) বিরুদ্ধে গোরক্ষপুর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন (UP Assembly Poll 2022)। গত বছরের ৯ নভেম্বর চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় এই চিকিৎসককে এবং এ নিয়ে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করেন কাফিল।

    “আমি গোরক্ষপুরে যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি। যদি কোনও দল আমাকে টিকিট দেয় (UP Assembly Poll 2022) আমি প্রস্তুত,” পিটিআইকে সাফ জানিয়েছেন চিকিৎসক কাফিল খান। তিনি ভোটে লড়ার জন্য কোনও দলের সঙ্গে বা নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন কী না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আলোচনা চলছে। সব ঠিক থাকলে আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।” গোরক্ষপুরে ষষ্ঠ দফায় নির্বাচন হবে ৩ মার্চ।

    আরও পড়ুন- ওয়াইসির নয়া ফ্রন্ট ভাগিদারি পরিবর্তন মোর্চা! জিতলে ২ সংখ্যালঘু মুখ্যমন্ত্রী

    কাফিল (Dr Kafeel Khan) জানিয়েছেন, বিআরডি মেডিকেল কলেজে ২০১৭ সালের অগাস্ট মাসের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তাঁকে বলির পাঁঠা বানানো হয়। ওই দুর্ঘটনায় ৮০ টি পরিবারের শিশুরা মারা গিয়েছিল। কাফিলের অভিযোগ, তিনি গোরক্ষপুরে না থাকা সত্ত্বেও, তাঁর ৭০ বছর বয়সী মাকে পুলিশ হেনস্থা করছে।

    “আমি ফেসবুক, ট্যুইটার ইত্যাদির মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় এবং সেখানে আমার গতিবিধি জানাই যায়। বর্তমানে আমি মুম্বইয়ে আছি। এখান থেকে আমি আমার বই- The Gorakhpur Hospital Tragedy- A Doctor's Memoir of a Deadly Medical Crisis-এর প্রচারের জন্য হায়দরাবাদ এবং বেঙ্গালুরুতে যাব। এখনও অবধি ৫০০০ এরও বেশি বই বিক্রি হয়ে বেস্টসেলার হয়ে উঠেছে এই বইটি। কাফিল বলেন, “২০২১ সালের ১৭ ডিসেম্বর আমার বইটি প্রকাশিত হওয়ার পরে পুলিশ ২০ ডিসেম্বর এবং তারপরে ২৮ ডিসেম্বর এবং আবার জানুয়ারিতে আমার বাড়িতে যায়৷ পুলিশের কথা অনুযায়ী আসন্ন নির্বাচনের কারণে আমার মতো মানুষদের তথ্যতালাশ চলছে।”

    আরও পড়ুন- “প্রকৃত নায়কদের” সম্মান জানাতে বদ্ধপরিকর মোদি! পদ্ম পুরস্কার প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    “যদি তাদের যাচাই করতে হয়, কোনও পুলিশকর্মী আমার বাড়িতে যেতে পারেন। আমার কাছে এমন ছবিও আছে যেগুলোতে দেখা যাচ্ছে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আমার বাড়িতে গেছেন এবং বাড়ির বাইরে থেকে ছবি তুলছেন। যেন কাউকে তাদের দেখাতে হবে যে তারা নিজেদের কাজ ঠিকঠাক করছেন,” বলেন কাফিল খান। কাফিলের ভাই আদিল খানের পরিবারের সঙ্গে গোরক্ষপুরের বসন্তপুর এলাকায় থাকেন কাফিলের মা।

    নিজের বই সম্পর্কে কাফিল জানিয়েছেন, ২০১৭ সালের ১০ অগাস্টের সেই বীভৎস ঘটনা সম্পর্কেই বইটি লেখা। গোরক্ষপুরে সরকারি বাবা রাঘব দাস মেডিক্যাল কলেজের (Baba Raghav Das Medical College) নেহেরু হাসপাতালে (Nehru Hospital) তরল অক্সিজেন ফুরিয়ে গিয়েছিল এবং দু’দিনের মধ্যে সেখানে ৮০ জনেরও বেশি রোগীর মৃত্যু হয় যার মধ্যে শিশুর সংখ্যা ছিল ৬৩।

    কাফিল জানান, মর্মান্তিক এই খবরটি দেশের খবরের শিরোনামে উঠে আসে এবং এই বিপর্যয় নিয়ন্ত্রণে অবিরাম কাজ করার জন্য এবং জরুরি প্রয়োজনে স্বাস্থ্যসেবায় নিজের ভূমিকার জন্য সারা দেশ জুড়ে কাফিল খানের প্রশংসা ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু কয়েক দিন পরে, কাফিল সহ নয়জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং চিকিৎসায় অবহেলা সহ অন্যান্য গুরুতর অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয়। তাঁকে জেলেও পাঠানো হয়েছিল।

    আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘উস্কানিমূলক’ বক্তৃতার অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের (এনএসএ) অধীনে চিকিৎসক কাফিল খানকে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে গ্রেফতার করা হয়। পাঁচ মাস জেলে কাটানোর পরে এলাহাবাদ হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে এই ধারায় মামলা তুলে নেয়।

    Published by:Madhurima Dutta
    First published:

    পরবর্তী খবর