corona virus btn
corona virus btn
Loading

হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন পাঠাবে ভারত, এই সিদ্ধান্তের পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকি বদলে গেল সৌজন্যে

হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন পাঠাবে ভারত, এই সিদ্ধান্তের পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকি বদলে গেল সৌজন্যে

ওষুধ নিয়ে গণ্ডগোল তুঙ্গে

  • Share this:

#ওয়াশিংটন : মার্চের ২৫ তারিখ ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন  রফতানি করবে না৷ কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত এই মুহূর্তে বদলে দিল সরকার ৷ আর ভারতের এই অবস্থান বদলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ট্রাম্প প্রশাসন ৷ সারা পৃথিবী এই মুহূর্তে করোনা অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে ৷ আর এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মানবিক কারণে নিজেদের ওষুধ রফতানির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল ভারত ৷

  করোনা ভাইরাসের গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসার ওষুধ হিসেবে এই মুহূর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে hydroxychloroquine ৷ ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সপ্তাহে অ্যান্টি ম্যালেরিয়া ড্রাগ হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই ওষুধটি নিয়ে আগ্রহ প্রকাশের পরেই তুফান তৈরি হয়েছে এই ওষুধের চাহিদা নিয়ে ৷ এদিকে প্রাথমিক ভাবে এই ড্রাগ রফতানিতে ভারতের না থাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুমকির রাস্তায় হাঁটেন ৷ শনিবারই হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র টুইট করে বলেন, " বিশ্বের স্বাস্থ্যসংকটের মোকাবিলায় এগিয়ে এসেছে নরেন্দ্র মোদি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প। যাতে ওষুধ এবং তৎসংক্রান্ত উপাদান সরবরাহ মসৃণ থাকে, এই নিয়ে কথা বলবেন তাঁরা। শনিবারই নরেন্দ্র মোদিকে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন পাঠাতেও অনুরোধ করেন ট্রাম্প। ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা না-তুললে ভারতকে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ এর পরেই ভারতের এই ঘোষণা।

 ট্রাম্পের হুমকির কথা মোটেই ভালোভাবে নেয়নি ওয়াকিবহাল মহল ৷ তাঁর দাবি অনুযায়ি ওষুধ না দিলে ভারতকে দেখে নেওয়ার পয়েন্টটি অনেকেই সমালোচনা করেন ৷ তবে ভারতের সিদ্ধান্ত বদলে সুর নরম করেন তিনি ৷

তিনি বলেছেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী মোদি দারুণ , তিনি খুব ভালো ৷ যখন তাঁকে বলি যদি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ছাড়লে ভালো ৷ ’ ট্রাম্প আরও বলেন তাঁদের দেশে এর মূল যোগান ভারত থেকেই আসে৷ কিন্তু ওঁরা এটা বন্ধ করে দিয়েছেন ৷ কারণ এটা ওঁরা ভারতের জন্য রাখতে চান ৷ ’

সংবাদমাধ্যমকে ট্রাম্প এই কথা জানান ৷ আর ভারত ফের ওষুধ দিতে রাজি হওয়ায় খুশি ট্রাম্প নিজের সুর নরম করেন ৷

সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার মত অনুযায়ি উচ্চপদস্থ ইন্দো ও মার্কিন আধিকারিকরা এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন ৷ HCQ যে ভারতীয় কোম্পানিরা তৈরি করে তাদের থেকে মার্কিন মুলুকে কীভাবে পাঠানো যাবে তা নিয়ে কাজ চলছে ৷

Published by: Debalina Datta
First published: April 8, 2020, 12:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर